লিটনের সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের দিন
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ৭৭ ওভারে ২৭৮/১০ ( শরিফুল ১২*; মাহদুমুল ০, তানজিদ ২৬, মুমিনুল ২২, শান্ত ২৯, মুশফিক ২৩, মিরাজ ৪, তাইজুল ১৬, তাসকিন ৭, লিটন ১২৬, নাহিদ ০)
লিটন দাসের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে প্রথম দিনটা ছিল বাংলাদেশের। শুরুর বিপর্যয় ছাপিয়ে পরে পাকিস্তানের বোলারদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছেন তিনি। তার ষষ্ঠ সেঞ্চুরিতেই বাংলাদেশ ইনিংসে সুবিধাজনক জায়গায় যেতে পেরেছে। দিনের সবচেয়ে আলোচিত ১২৬ রানের ইনিংসটি খেলেছেন তিনি। তার ব্যাটে ভর করেই প্রথম ইনিংসে অলআউট হয়েছে ২৭৮ রানে। পরে পাকিস্তান বিনা উইকেটে ২১ রানে প্রথম দিন শেষ করেছে। তারা এখনও ২৫৭ রানে পিছিয়ে। ১৩ রানে ব্যাট করছেন ওপেনার আজান আওয়াইজ। আব্দুল্লাহ ফজল ব্যাট করছেন ৮ রানে।
পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের প্রথম দিনে বিপর্যয়ের মুখে পড়েছিল বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত উইকেটকিপার-ব্যাটার লিটন দাসের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে লড়াইয়ে ফিরেছে স্বাগতিকরা।
দ্বিতীয় সেশনের শুরুতে দ্রুত তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিম ও মেহেদী হাসান মিরাজ ফিরলে ১১৬ রানে ৬ উইকেট হারায় তারা। তাতে দুইশর নিচে অলআউটের শঙ্কাও জাগে।
কিন্তু কঠিন সেই সময়েই প্রতিরোধ গড়ে তোলেন লিটন। লেজের দিকে টেলএন্ডারদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে দলকে ২৫০ রানের গণ্ডি পার করান তিনি। তাইজুল ইসলামের সঙ্গে ৬০, তাসকিন আহমেদের সঙ্গে ৩৮ এবং শরিফুল ইসলামের সঙ্গে নবম উইকেটে ৬৪ রানের জুটি গড়ে দলকে সুবিধাজনক স্থানে নিয়ে গেছেন।
অবশ্য এই সেঞ্চুরির পেছনে ভাগ্যও সহায় ছিল। ৫২ রানে আউট হতে পারতেন। পাকিস্তান রিভিউ না নেওয়াতে বেঁচে গেছেন। শেষ পর্যন্ত ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে হাসান আলীর বলে ১২৬ রানে ফিরেছেন। তার ১৫৯ বলের ইনিংসে ছিল ১৬টি চার ও ২টি ছক্কা। তার আউটের সঙ্গে সঙ্গে ইনিংস শেষ হতেও সময় লাগেনি। হাসান আলী ওই একই ওভারে নাহিদ রানাকেও তুলে নিলে বাংলাদেশ ৭৭ ওভারে ২৭৮ রানেই গুটিয়ে গেছে।
পাকিস্তানের হয়ে ৮১ রানে ৪ উইকেট নেন খুররম শাহজাদ। ৪৫ রানে ৩টি নেন মোহাম্মদ আব্বাস। ৪৯ রানে দুটি নেন হাসান আলী। ৯৬ রানে একটি নেন সাজিদ খান।
তথ্যসূত্র: বাংলানিউজ