রবিবার, জুন ২১, ২০২৬

কোডিং প্রতিযোগিতায় মেধার স্বাক্ষর রাজশাহীর শিক্ষার্থীদের

নিজস্ব প্রতিবেদক ০৯ জুন ২০২৬ ১০:৫৩ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
নিজস্ব প্রতিবেদক ০৯ জুন ২০২৬ ১০:৫৩ অপরাহ্ন
কোডিং প্রতিযোগিতায় মেধার স্বাক্ষর রাজশাহীর শিক্ষার্থীদের

তথ্যপ্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান বিশ্বে নিজেদের দক্ষতা ও মেধার স্বাক্ষর রেখেছে রাজশাহীর স্কুল ও কলেজ পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা। প্রতিযোগিতামূলক প্রোগ্রামিংয়ে আগ্রহ সৃষ্টি এবং তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত এক কোডিং প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে শিক্ষার্থীরা তাদের সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা, যৌক্তিক চিন্তাশক্তি ও প্রোগ্রামিং দক্ষতার পরিচয় দেয়।


প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন নাটোর গভর্নমেন্ট বয়েজ হাই স্কুলের শিক্ষার্থী পাবন আহসান ইভান। তিনি ১০ হাজার টাকার প্রাইজবন্ড, ক্রেস্ট ও সনদপত্র লাভ করেন। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন মো. জোবায়ের হোসাইন জিসান। তিনি ৮ হাজার টাকার প্রাইজবন্ড, ক্রেস্ট ও সনদপত্র লাভ করেন। তৃতীয় স্থান অর্জন করেন ঔড়ব আজাদ। তিনি ৬ হাজার টাকার প্রাইজবন্ড, ক্রেস্ট ও সনদপত্র লাভ করেন।


বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) রাজশাহী আঞ্চলিক কার্যালয়ের উদ্যোগে মঙ্গলবার (৯ জুন) নগরীর আলুপট্টিস্থ দৈনিক বার্তা কমপ্লেক্সে অবস্থিত বিসিসি কম্পিউটার ল্যাবে দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের চতুর্থ সেমিস্টার পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।


আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে ৯৩ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছিলেন। নির্ধারিত আসনসংখ্যার কারণে গত ৭ জুন একটি প্রাক-মূল্যায়ন পরীক্ষা নেওয়া হয়। ওই পরীক্ষার ভিত্তিতে নির্বাচিত ৪০ জন শিক্ষার্থী চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান।


সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীরা সি, সি++ ও পাইথন প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহার করে বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করেন। প্রতিযোগিতার মাধ্যমে তাদের বিশ্লেষণী দক্ষতা, প্রোগ্রামিং জ্ঞান এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা মূল্যায়ন করা হয়। প্রতিযোগিতা শেষে অনুষ্ঠিত পুরস্কার বিতরণী ও সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের ম্যানেজার (ইন্টার্নশিপ) সনৎ কুমার দাস। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রুয়েটের সিএসই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. সজীব হোসেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিসিসি রাজশাহীর আঞ্চলিক পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) লায়লা আরজুমান বানু।


আয়োজকরা জানান, তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তুলতে এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বিকাশে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে এ ধরনের প্রতিযোগিতা আয়োজনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।