কালো রঙে ঢাকা পড়ল মহেঞ্জোদারোর ‘ডান্সিং গার্ল’, এনসিইআরটি-র বইয়ে জোর বিতর্ক
মহেঞ্জোদারোর নৃত্যরতা সেই নারীর ছবি অতিপরিচিত। ছোটবেলার ইতিহাসের পাঠ্যবইয়ে বারবার তা ভেসে উঠেছে। এবার এনসিইআরটি-র নবম শ্রেণির বইয়ে সেই ছবিই ঢাকা পড়ল কালো রঙে। ছবিটিকে ‘বিবৃত’ করার জন্য ইতোমধ্যেই জোর বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
‘ডান্সিং গার্ল’ বা নৃত্যরতা অনাবৃত নারীমূর্তিটি সিন্ধু সভ্যতার অন্যতম পরিচিত নিদর্শন। কিন্তু একাধিক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, এনসিইআরটি-র ‘মধুরিমা’ নামের শিল্পকর্মের বইটিতে ‘হিস্ট্রি অফ আর্টস’ অধ্যায়ে মূল নারীমূর্তিটিকে একটি কালো স্তরে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। ফলে মূর্তিটির মূল ভাস্কর্য, নারীমূর্তিটির শারীরিক গঠনের খুঁটিনাটি শিল্পকর্ম কোনও কিছুই আর দেখা যাচ্ছে না। যদিও এনসিইআরটি-র ষষ্ঠ শ্রেণির সামাজিক বিজ্ঞান পাঠ্যপুস্তকে ব্রোঞ্জমূর্তিটির ছবি অপরিবর্তিত রয়েছে। এরপরই জোর বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, কোন যুক্তিতে নারীমূর্তিটির ছবি ‘বিকৃত’ করা হল?
ইতিহাসবিদ মিশেল দানিনো, যিনি এনসিইআরটি-র ষষ্ঠ শ্রেণির নতুন সামাজ বিজ্ঞানের পাঠ্যবই তৈরির কমিটির নেতৃত্বে ছিলেন, তিনি জানিয়েছিলেন, ওই নৃত্যরতা নারীমূর্তিটির ছবি শিক্ষার্থীদের জন্য অনুপযুক্ত। ছোটদের এধরনের অনাবৃত মূর্তি দেখানো সঠিক নয় বলেও দাবি করেছিলেন তিনি।
সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে দানিনো বলেন, “বিষয়টি আমাদের ষষ্ঠ শ্রেণির সামাজিক বিজ্ঞান পাঠ্যপুস্তক সংক্রান্ত। আমাকে যে কারণটি দেখানো হয়েছিল তা হলো, ‘ড্যান্সিং গার্ল’-এর ছবিটি শিক্ষার্থীদের বয়সের অনুপযোগী।”
তথ্যসূত্র: সংবাদ প্রতিবেদন অনলাইন