শনিবার, আগস্ট ২২, ২০২৬

শিশুর মেধাবিকাশে আমাদের করণীয়

টিএমএ. মমিন ২৮ জুন ২০২৬ ১০:৫৬ অপরাহ্ন মতামত
টিএমএ. মমিন ২৮ জুন ২০২৬ ১০:৫৬ অপরাহ্ন
শিশুর মেধাবিকাশে আমাদের করণীয়

বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের চাকরিতে যোগদানের পূর্বে আমি সরকারি প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ ম্যাধমিকশিক্ষা প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে দীর্ঘদিন শিক্ষকতা করেছি। শিক্ষকতার জীবনটা আমার কাছে একটি অসাধারণ সৃষ্টিশীল কাজ বলে মনে হতো। আজও শিক্ষকতার কথা মনে হলে নষ্টালজিয়ায় ভুগি। যাহোক, সেই সময়ে  বিএড প্রশিক্ষণসহ অন্যান্য অনেক বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করার সুযোগ হয়েছিল। প্রশিক্ষণগুলোতে শিশু মনোবিজ্ঞান নামে একটি বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল। সেটা পাঠ করতে গিয়ে আমার কাছে বিষয়টি ভীষণ ইন্টারেস্টিং মনে হলো।


বিশেষ করে শিশুর জন্ম, বেড়ে ওঠা, আচরণ, শিক্ষা, পারিপার্শ্বিক অবস্থার সাথে খাপ খাওয়ানো ইত্যাদি আমার কাছে দারুণ মজার মনে হয়েছিল। পরবর্তীতে, এ বিষয়ে অধিক জ্ঞান অর্জন করতে, আমি ঢাকা গিয়ে শিশু মনোবিজ্ঞান সংক্রান্ত বেশকিছু বইপুস্তক সংগ্রহ করলাম এবং যথারীতি মনোযোগ সহকারে পাঠ করতে থাকলাম। আমি অবাক হয়ে লক্ষ করলাম যে, শিশুর বিকাশ শুরু হয়, মাতৃগর্ভে ভূণের বয়স যখন ৫ মাস, তখন থেকেই । বিভিন্ন মনোবিজ্ঞানীগণ শিশুর শারীরিক, মানসিক, বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে বিভিন্ন ধরণের গবেষণা করেছেন এবং গুরুত্বপূর্ণ মতামত দিয়েছেন ।


বিভিন্ন বইপুস্তক পাঠ, পারিপাশ্বিক অবস্থা অবলোকন; প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও কলেজ পর্যায়ে দীর্ঘ প্রায় একযুগ শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা এবং বর্তমান সমাজে অবিভাবক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে দীর্ঘদিনের পর্যবেক্ষণ; নিজের ও আত্বীয়স্বজনের সন্তানদের শিক্ষা ও আচরণ পর্যবেক্ষণ করে আমার কাছে শিশুর মেধা ও মনোসামাজিক বিকাশে যে সকল বিষয় প্রতীয়মান হয়। তা সন্মানিত পাঠক পাঠিকাদের উদ্দেশ্যে উপস্থাপন করছি-


০১। সন্তানের সাথে ইতিবাচক আচরণ: মনোবিজ্ঞানী জেন নেলসেন পজিটিভ ডিসিপ্লিন ধারণার প্রবর্তক। তিনি বলেন ,‘ শিশুদের ভালো আচরণ শিখাতে হলে আগে তাদের ভালো অনুভব করাতে হবে- ভয় বা শাস্তি দিয়ে নয়, ভালোবাসা ও সম্মানের মাধ্যমে’। তার মানে, শিশুর ভালো আচরণকে উৎসাহ দিলে স্বাভাবিকভাবেই তা বিকশিত হয়।


০২। নেতিবাচক আচরণ পরিহার: নেতিবাচক আচরণ বলতে শাস্তি, ধমক, অবহেলা ইত্যাদি পরিহার করার জন্য অনেক মনোবিজ্ঞানী স্পষ্টভাবে বলেছেন। মনোবিজ্ঞানী আলফ্রেড এডলার এ বিষয়ে বলেন, ‘শিশুকে অপমান বা কঠোর শাস্তির পরিবর্তে সম্মান ও উৎসাহ দেয়া জরুরী’। 


০৩। অযথা ভয় দেখানো পরিহার:- শিশুর ভয় অনেক সময় পারিপার্শ্বিক ভিতিকর অবস্থার অভিজ্ঞতা থেকে অবচেতনভাবে শিশুর মনে আসতে পারে। এজন্য শিশুকে কখনও ভয় দেখানো বা মিথ্যে বলা উচিৎ নয়। 


০৪। আশপাশের পরিবেশ: শিশুর আশপাশে কি ধরনের পরিবেশ বিদ্যমান, তার আলোকে শিশুর মেধা ও মনন বিকশিত হয়ে থাকে। শিশু কোলাহলপূর্ণ পরিবেশে থাকলে মেধার বিকাশ বাধাগ্রস্থ হয়। কিন্তু নির্মল গ্রাম্য পরিবেশ বা কোলাহলবিহীণ বা সবুজের সমারোহ রয়েছে - এরুপ স্থানে থাকলে মেধার পরিপূর্ণ বিকাশ সাধিত হয় বলে ধারণা করা হয়। বিখ্যাত কবি সাহিত্যিকগণের জীবনী পাঠ করলে দেখা যায়, তাঁরা অধিকাংশই প্রকৃতির সান্নিধ্যে বেড়ে উঠেছেন এবং অনেকটাই স্বাধীনভাবে শৈশব কৈশর অতিক্রম করেছেন। গভীর পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, শহুরে শিশুদের মধ্যে প্রতিবন্ধিতার হার তুলনামুলক বেশি।   


০৫। বিদ্যালয়ের ভূমিকা: বিদ্যালয় শুধুমাত্র শিক্ষার স্থানই নয়, একাধারে সামাজিকীকরণ, শিশুর আচরণ, শিশুর  শারীরিক বিকাশ, মানসিক বিকাশ ইত্যাদির স্থানও। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছিলনা বটে, কিন্তু ব্যতিক্রম কখনও উদাহরণ নয়। বিদ্যালয় শিশুর সর্বোৎকৃষ্ট সামাজিকীকরণের প্রতিষ্ঠান হিসেবে বর্তমান বিশ্বে পরিগণিত হয়ে থাকে।   


০৬। শিক্ষকের ভূমিকা: বিদ্যালয়ের শিক্ষক বা গৃহশিক্ষক যাই বলিনা কেন, শিশুর বিকাশে একজন আদর্শ  শিক্ষকের ভূমিকা অপরিসীম। প্রাচীনকালে গুরুগৃহে শিক্ষা অর্জন হতো। বর্তমান কালেও কিছু কিছু ধর্মীয় শিক্ষার ক্ষেত্রে তা দেখা যায়।  


০৭। সন্তানের সঙ্গী নির্বাচন প্রসঙ্গে:- আপনার সন্তানের মেধা বিকাশে তার সঙ্গীসাথী একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। আপনার সন্তান কার সাথে মিশছে, কোথায় যাচ্ছে, কতক্ষণ থাকছে, কি করছে, কেন করছে, ইত্যাদি প্রশ্নের উত্তর অভিভাবক হিসেবে আপনার জানা খুবই জরুরি। বিশেষভাবে সন্ধ্যার পর কোনোভাবেই সন্তানকে বাড়ির বাইরে থাকার অনুমতি দেয়া যাবে না। 


০৮। অতিরিক্ত আদর-সোহাগ: আমরা অনেকেই সন্তানের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করতে গিয়ে বন্ধু বানিয়ে ফেলি, এটা মোটেই উচিৎ নয়। বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ ও বন্ধু বানানো এক কথা নয়। সবাই নিজ নিজ সন্তানকে ভালোবাসেন, এটা চিরন্তন সত্য। কিন্তু অতিরিক্ত ভালোবাসা বা আদর সোহাগ করতে গিয়ে সন্তানের ভবিষ্যৎ নষ্ট করে দিচ্ছেন না তো? 


০৯।  সন্তানের পথকে কুসুমাস্তীর্ণ না করা: মাঝে মাঝে ইচ্ছা করে আপনার সন্তানকে কঠিন কিছু কিছু কাজ দিন। এতে করে তার সৃজনশীলতার বিকাশ হবে। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জন এক কেনেডি বলেছেন, ‘জীবনকে সহজ করে আপনার সন্তানকে প্রতিবন্ধী বানাবেন না’। তার মানে শিশুকে মানসিক শক্তি ও স্বনির্ভরতা অর্জনে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার শিক্ষা দিতে হবে। 


উপরের বিষয়গুলো পর্যালোচণা করলে আমরা কি করতে হবে বা কিভাবে করতে হবে, তার একটি রুপরেখা পেতে পারি। সম্মানিত পাঠকদের উদ্দেশ্যে বলতে গেলে, প্রথমেই বলতে হয়, সন্তানের সাথে ইতিবাচক আচরণের কথা। ইতিবাচক আচরণ শুরু হয় মূলত সন্তান মাতৃগর্ভে ভূণ অবস্থায় ৫ মাস বয়স থেকে। তখন যদি মায়ের সাথে খারাপ আচরণ করা হয়, মাকে কষ্ট দেওয়া হয়, ভারি কোন কাজ করতে দেওয়া হয়, গর্ভাবস্থায় প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাবার না দেয়া হয়, মা’কে কোন ভাবে মানসিক কষ্ট দেওয়া হয়, তাহলে গর্ভের সন্তানের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।


সন্তান জন্মগ্রহণের পর সন্তানের চোখে চোখ রেখে মাতৃদুগ্ধ পান করানো সন্তানকে ইতিবাচক ভাবে বেড়ে উঠতে সহায়তা করে। সন্তানের অল্প বয়সে তাকে ভয় না দেখানো, তার সাথে চিৎকার চেচামেচি না করা , তাকে মিথ্যে কথা না বলা, ভয় না দেখানো- ইত্যাদি ইতিবাচক আচরণে ভূমিকা রাখতে সহায়তা করে। 


চাকরির সুবাদে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক থাকাকালীন সময়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অভিভাবক সমাবেশ, শিক্ষক সমাবেশ বা মা সমাবেশে গিয়ে অনেকের কাছে জানতে পেরেছি, সন্তান মোটেই কথা শুনছে না। এ বিষয়ে গ্রামের অনেক বয়ষ্ক মানুষদের মতো শ্লোক আকারে আমি বলতে চাই ‘তরকারি কুটতেই নষ্ট করলে রান্না কেমনে ভালো হবে’। বিষয়টি এমন, ‘কাঁচায় না নোয়ালে বাঁশ, পাকলে করে ঠাস ঠাস’। তাই, সন্তান জন্মের পর থেকেই তার শারীরিক, মানষিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে পিতামাতা, পরিবারের সদস্যগণ ও পারিপার্শ্বিক অবস্থার বিশেষ ভূমিকা বিদ্যমান।


এই বিষয়ে নিম্ন বর্ণিত আলোচনা থেকে মোটামুটি পরিষ্কার একটি ধারণা পাওয়া যাবে বলে আমি মনে করি।


সন্তানের অল্প বয়সে তার সাথে অতিরিক্ত রাগ, অতিরিক্ত শাসন, একই কথা বারবার বলা, ধমক দিয়ে কথা বলা, চিৎকার করে কথা বলা, তাদের কথা গুরুত্ব না দিয়ে শোনা, ইত্যাদি শিশুদের মনে বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। আমরা অনেকে মনে করি, শিশুরা এটা বুঝবে না- ওটা বুঝবে না। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে শিশুদের ব্রেইন এতই তীক্ষè থাকে যে, রাগ গোসা হিংসা বিদ্বেষ সকল বিষয় শিশুরা আঁচ করতে পারে এবং তাদের কাছে নতুন কোন শব্দ এলে সেটা তাৎক্ষণিক ভাবে তারা ব্রেইনে ক্যাচ করতে পারে। যেমন ধরা যাক, শিশুদের সামনে কথা বলতে বলতে হঠাৎ করে যদি কোন অশ্লীল বা খারাপ কথা চলে আসে, তাহলে দেখবেন শিশুটি সে কথা বার বার বলার চেষ্টা করছে, এতে বুঝা যায়, শিশুরা নতুন কোনো বিষয়কে ব্রেইনে স্থান দিচ্ছে। বিষয়টি লক্ষনীয়।


ধরা যাক আপনার একটি সন্তান তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ে। সে কোনো একদিন স্কুল থেকে এসে মা’কে বলল অমুকের মতো আমাকে একটি এক হাজার টাকা দামের ঘড়ি কিনে দাও। তার মা হয়ত চিন্তা করলেন, তৃতীয় শ্রেণীর একজন ছাত্রকে এত টাকা দামের ঘড়ি কিনে দেওয়া সমীচীন হবে না, তাই তিনি না করলেন। কিন্তু বিকেলে  শিশুটির বাবা বাড়ী আসার পর, সন্তান তার বাবার কাছে গিয়ে কান্নাকাটি জুড়ে দিয়ে বলল, ঘড়ি কিনে দেওয়ার কথা এবং বাবা যথারীতি আবহমান বাংলার বাবার রুপ ধারণ করে তার স্ত্রীকে বকাবকি করতে লাগলেন এবং বললেন,‘ টাকা কী তোর বাবার বাড়ী থেকে এনে ঘড়ি কিনে দিবি? আমার একমাত্র ছেলে ঘড়ি কিনবে, তুই না করার কে?’ এবং যথারীতি তিনি তৃতীয় শ্রেণীর সন্তানকে হাজার টাকা দামের ঘড়ি কিনে দিলেন।


এখানে একটি বিষয় খেয়াল করতে হবে, স্বামী তার স্ত্রীর মতামত উপেক্ষা করলো, স্ত্রীর মতামত জানার ইচ্ছা বা চেষ্টা না করে, শুধুমাত্র সন্তানের কথায় এবং কান্নায় অতি ভালোবাসা দেখাতে গিয়ে প্রকারান্তরে সন্তানের একটি বড় ক্ষতি করলেন । কারণ, ঐ সন্তান ধারণা করে নিলো যে, বাবা তার মা’কে সন্মান দেয় না বা দেওয়ার প্রয়োজন মনে করে না বা তার মতামত গ্রহণের প্রয়োজন নাই। এরকম নিত্য দিনের ব্যবহারে শিশুর বদ্ধমূল ধারণা হয় যে, মা’কে সন্মান দেওয়ার প্রয়োজন নাই।


অনুরূপভাবে অনেক  স্ত্রীগণই স্বামীর উপস্থিতিতে বা অনুপস্থিতিতে সাংসারিক বিভিন্ন প্রয়োজন বা অপ্রয়োজনে সন্তানের সামনে স্বামীকে গালাগাল করে থাকেন, যেমন ‘এই লোকের সাথে বিয়ে হয়ে আমার জীবনটাই নষ্ট হয়েছে,  বা দুই পয়সার মুরোদ না’ ইত্যাদি ইত্যাদি অসন্মানজনক কথা বলে থাকেন। এতে করে ঐ সন্তানের মনে পিতা সম্পর্কেও বিরূপ ধারণা, তুচ্ছ তাচ্ছিল্য বা অসন্মান চলে আসে।


ফলশ্রুতিতে ঐ সন্তান বহু বছর ধরে নিত্যদিন পিতা মাতার এমন ঘটনার মধ্য দিয়ে তাদের উভয় সম্পর্কে অসন্মানজনক মনোভাব পোষণ করতে থাকে এবং সন্তান যতই বড় হতে থাকে, ক্রমে ক্রমে ততই পিতা মাতা উভয়কে মন থেকে অসন্মানের হার বাড়তে থাকে। যার কারণে একটা সময় গিয়ে সন্তানের মনে বদ্ধমূল ধারণা প্রতিষ্টিত হয় যে, পিতা মাতা কাউকে সন্মান করার দরকার নাই বা সন্মানের যোগ্য নয় বা তাদের কথা গ্রহণ করার প্রয়োজন নাই। কেননা, তাদের উভয়ে কেউ কাউকে সম্মান করেনা। এভাবে সন্তানের মধ্যে ধীরে ধীরে পিতা মাতার প্রতি অশ্রদ্ধা বা কথা না শোনার প্রবণতা সৃষ্টি হয়। 


তাহলে এখানে আমাদের করণীয় কী? করণীয় হলো, সন্তানের সাথে ইতিবাচক আচরণের পাশাপাশি স্বামী স্ত্রী একে অপরকে সন্মান করার চর্চা করা এবং কখনোই সন্তানের সামনে স্বামী বা স্ত্রী একে অপরকে ছোট করে কথা না বলা।


শিশুর মেধা বিকাশে আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জড়িত আছে, যা আজকের আলোচনায় বিধৃত করা সম্ভব হলো না। ভবিষ্যতে এতদবিষয়ে লেখালেখির ইচ্ছা আছে। সার্বিক বিবেচনায় শুধুমাত্র নামীদামী স্কুল, শহুরে পরিবেশ বা উচ্চবেতন প্রদান করেই শিশুর সঠিক বিকাশ সম্ভবপর নয়। এজন্য শিশুর প্রতি পজিটিভ আচরণ, পারিবারিক শান্তি ও সৌহার্দ্য, প্রাকৃতিক নির্মল পরিবেশ, সৃজনশীল শিক্ষক, পছন্দের খেলার সাথী, আনন্দময় বিদ্যালয় পরিবেশ, প্রয়োজনীয় শিক্ষা সরঞ্জামাদি সুবিধা, গুণগত মানসম্পন্ন প্যারেন্টিং ইত্যাদি প্রয়োজন। 


লেখক: উপসচিব, উপপরিচালক, স্থানীয় সরকার। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, নওগাঁ