শনিবার, সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬

চলতি বছর তেলের সরবরাহের ঘাটতি আরো বাড়বে

সোনার দেশ ডেস্ক ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০:১১ অপরাহ্ন আন্তর্জাতিক
সোনার দেশ ডেস্ক ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০:১১ অপরাহ্ন
চলতি বছর তেলের সরবরাহের ঘাটতি আরো বাড়বে
রয়টার্সের প্রতিবেদন

আন্তর্জাতিক শক্তি সংস্থা (আইইএ) জানিয়েছে, চলতি বছর বিশ্বজুড়ে তেলের সরবরাহ ও চাহিদা আগের পূর্বাভাসের চেয়েও বেশি হ্রাস পেতে পারে। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সংস্থাটি এই সতর্কবার্তা দিয়েছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।


মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত অবসানে কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে স্বাভাবিক তেল সরবরাহ ব্যবস্থা ২০২৭ সাল পর্যন্ত বিলম্বিত হচ্ছে এবং এর ফলে জ্বালানির দামও আকাশচুম্বী হয়ে উঠেছে।


শিল্পোন্নত দেশগুলোকে পরামর্শ প্রদানকারী সংস্থা আইইএ তাদের মাসিক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ২০২৬ সালে বিশ্বব্যাপী তেলের সরবরাহ দৈনিক ৫৭ লাখ ব্যারেল বা প্রায় ৬ শতাংশ হ্রাস পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর আগে এই হ্রাসের হার প্রায় ৪ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল।


মধ্যপ্রাচ্যের নৌপথে তেলবাহী ট্যাঙ্কারের ওপর হামলার ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় চলতি সপ্তাহে অপরিশোধিত তেলের দাম মে মাসের পর প্রথমবারের মতো ব্যারেলপ্রতি ১১০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছে। মধ্যপ্রাচ্য এবং রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের ফলে তেল শোধনাগারগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পরিশোধিত জ্বালানির দাম আরো তীব্রভাবে বেড়েছে; বিশেষ করে ডিজেলের মতো জ্বালানির দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে।


জ্বালানির উচ্চমূল্যের কারণে চাহিদা কিছুটা কমলেও সরবরাহের ঘাটতি আরো দ্রুত ঘটছে, যার ফলে রেকর্ড গতিতে মজুদ কমে যাচ্ছে। আইইএ -এর তথ্য অনুযায়ী, আগস্ট মাসে বিশ্বজুড়ে তেলের মজুদ দৈনিক ৩১ লাখ ব্যারেল কমেছে, যা ২০২৩ সালের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।


আইইএ বলেছে, “বাজারের ভারসাম্য বজায় রাখার ক্ষেত্রে মজুদ এখন পর্যন্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বাজারে সরবরাহ ও মজুদের সুরক্ষা বলয় (বাফার) সংকুচিত হয়ে আসায় এবং বিশ্বব্যাপী তেল শোধন ব্যবস্থা তার সর্বোচ্চ সক্ষমতার সীমায় পৌঁছে যাওয়ায়—বাজার পরিস্থিতি আরো সংকটাপন্ন হওয়া এড়াতে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ সমাপ্তির লক্ষ্যে অগ্রগতি অর্জন আগের চেয়ে অনেক বেশি জরুরি হয়ে পড়েছে।”


তথ্যসূত্র: রাইজিংবিডি