রবিবার, জুন ২১, ২০২৬

চাঞ্চল্যকর ইয়ানুর হত্যা মামলার আসামি মোস্তফাকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ ০১:২৭ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ ০১:২৭ অপরাহ্ন
চাঞ্চল্যকর ইয়ানুর হত্যা মামলার আসামি মোস্তফাকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার

র‌্যাব-৫ সিপিসি-৩ এবং র‌্যাব ৪ সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল শানবার (১৭ জানুয়ারি) ৫:৫০ ঘটিকায় ঢাকার ধামরাই থানার কালামপুর বাজার এলাকা হতে চাঞ্চল্যকর ইয়ানুর হত্যা মামলার এজাহার নামীয় আসামি গোলাম মোস্তফা (৫৫) গ্রেফতার করেছে। ধৃত আসামীজয়পুরহাটের পাঁচবিবি থানার গোহারা গ্রামের হানিফের ছেলে।

বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা যায়, ৮ জানুয়ারি রাত সাড়ে ১০ ঘটিকায় জয়পুরহাটের পাঁচবিবি থানার শলাইপুর এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে গ্রেফতারকৃত আসামি গোলাম মোস্তফার নেতৃত্বে ১৮ জন এজাহার নামীয় আসামি এবং অজ্ঞাতনামা আসামিসহ ভিকটিম ইয়ানুর হোসেন (৩২), পিতা-মো. আলম মন্ডল, সাং-সালাকুর পুকুরপাড়া, ইউনিয়ন-কুসুম্বা, থানা-পাঁচবিবি, জেলা-জয়পুরহাট তার বন্ধু আল-আমিনসহ মোটরসাইকেল যোগে শালাইপুর বাজারে যাওয়ার পথে নিম্নবর্ণিত মামলার এজাহার নামীয় আসামিসহ অজ্ঞাতনামা আসামিরা বেআইনি জনতায় দলবদ্ধ হয়ে দেশীয় ধারালো অস্ত্র-শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে চাপাতি, চাইনিজ কুড়াল, লাঠি-সোটা নিয়ে ভিকটিম ইয়ানুর এবং তার বন্ধু আল-আমিন দ্বয়ের পথরোধ করে মারপিট করতে থাকে।

তখন ভিকটিমের বন্ধু আলাম ও রুবেল উক্ত রাস্তা দিয়ে যাওয়ার পথে আসামিদের কবল থেকে ভিকটিমদ্বয়কে উদ্ধারের চেষ্টা করে। আসামিরা তাদেরকেও মারপিট করলে ভিকটিমের বন্ধুরা ডাকচিৎকার করে ঘটনাস্থল থেকে শলাইপুর বাজারের দিকে পালিয়ে যায়। তখন শলাইপুরের উপস্থিত লোকজনসহ ভিকটিমের বন্ধু এবং উপস্থিত সাক্ষীরা পুনরায় ঘটনাস্থলে আসলে আসামিরা পালিয়ে যায়।

আসামিরা ভিকটিম ইয়ানুর এবং আল-আমিন এর মাথা, মুখ, চোখসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে গুরুত্বর রক্তাক্ত জখম করে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজন তাদেরকে উদ্ধার করে আল-আমিনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং ইয়ানুর এর অবস্থা আশংকাজনক হওয়া পাঁচবিবি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। ভিকটিম ইয়ানুরকে পাঁচবিবি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন।

ভিকটিম ইয়ানুরের ভাই মো. মুমিনুর ইসলাম (৩৮) বাদী হয়ে পাঁচবিবি থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পাঁচবিবি থানার মামলা নং-১১ তারিখ ১১ জানুয়ারি ২০২৬ ধারা-১৪৩/৩৪১/৩২৩/৩০২/৩৪ পেনাল কোড ১৮৬০ রুজু হয়। পাঁচবিবি থানার সংশ্লিষ্ট মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তার অধিযাচনের প্রেক্ষিতে র‌্যাব-৫ সিপিসি-৩ এর একটি আভিযানিক দল ঘটনার সাথে জড়িত আসামিদের গ্রেফতারের জন্য তৎপর হয়। 

ধৃত আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাঁচবিবি থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে জোর প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।