শনিবার, মে ০২, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অস্ত্রের ‘রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং’ করছে ইরান?

সোনার দেশ ডেস্ক ০২ মে ২০২৬ ১০:০৫ অপরাহ্ন আন্তর্জাতিক
সোনার দেশ ডেস্ক ০২ মে ২০২৬ ১০:০৫ অপরাহ্ন
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অস্ত্রের ‘রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং’ করছে ইরান?
উল্টো করে রাখা একটি মিসাইল, পাশে একটি মেয়েশিশু বসে আছে। পেছনে কতগুলো বহুতল ভবন দেখা যাচ্ছে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যেসব অবিস্ফোরিত গোলাবারুদ সাম্প্রতিক যুদ্ধের সময় ইরানের ভূখণ্ডে পড়েছিল, সেগুলোকে তেহরানের সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য একটি ‘কৌশলগত সুযোগ’ হিসেবে বর্ণনা করছে ইরানি গণমাধ্যম ও বিশ্লেষকেরা।


ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সম্প্রচারমাধ্যম প্রেস টিভি ২৬শে এপ্রিল জানায়, বিপ্লবী গার্ড বাহিনী হরমোজগান প্রদেশে “১৫টি ভারী মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে নিষ্ক্রিয় করেছে” এবং সেগুলোকে “রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের জন্য কারিগরি ও গবেষণা ইউনিটের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে”।


প্রেস টিভির প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, এসব অস্ত্রের মধ্যে একটি জিবিইউ–৫৭ বাংকার বাস্টার বোমাও রয়েছে।


রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে কোনো অস্ত্র, বস্তু, সফটওয়্যার বা যন্ত্র খুলে তার বিভিন্ন অংশ বিশ্লেষণ করে দেখা হয়—সেটি কীভাবে কাজ করে এবং কীভাবে নকশা করা হয়েছে।


ইরানের কট্টরপন্থি স্টুডেন্ট নিউজ নেটওয়ার্ক যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ফেলা এসব বোমা হাতে পাওয়াকে একটি ‘উপহার’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।


তারা দাবি করেছে, “যুদ্ধক্ষেত্র এখন দেশের প্রতিরক্ষা শিল্পের জন্য একটি গবেষণাগারে পরিণত হয়েছে”।


স্টুডেন্ট নিউজ নেটওয়ার্কের মতে, বিশ্লেষণের জন্য অবিস্ফোরিত গোলাবারুদ একটি গবেষণাগারে স্থানান্তর করলে ইরানের সামনে সুযোগ তৈরি হয়, “শত্রুপক্ষের বিপজ্জনক প্রযুক্তি সৃজনশীলভাবে নকল করার মাধ্যমে এই পরিস্থিতিকে কৌশলগত সুযোগে রূপান্তর করার” সুযোগ এটি।


পশ্চিমা বিশ্লেষকদের উদ্ধৃতি দিয়ে স্টুডেন্ট নিউজ নেটওয়ার্ক জানায়, তাদের “বাস্তব উদ্বেগ” রয়েছে যে ইরান উন্নত মার্কিন ও ইসরায়েলি অস্ত্রের ‘কোড’ ভেঙে ফেলছে।


প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞার কারণে রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং দীর্ঘদিন ধরেই একটি বাধ্যতামূলক প্রয়োজন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


এতে অতীতের কয়েকটি উদ্যোগের উদাহরণও দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে মার্কিন হক ক্ষেপণাস্ত্রের অনুকরণ এবং ২০১১ সালে একটি আরকিউ–১৭০ ড্রোন ধরে ফেলার ঘটনা।


ইরানের কট্টরপন্থি স্টুডেন্ট নিউজ নেটওয়ার্ক যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ফেলা এসব বোমা হাতে পাওয়াকে একটি ‘উপহার’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।


তারা দাবি করেছে, “যুদ্ধক্ষেত্র এখন দেশের প্রতিরক্ষা শিল্পের জন্য একটি গবেষণাগারে পরিণত হয়েছে”।


স্টুডেন্ট নিউজ নেটওয়ার্কের মতে, বিশ্লেষণের জন্য অবিস্ফোরিত গোলাবারুদ একটি গবেষণাগারে স্থানান্তর করলে ইরানের সামনে সুযোগ তৈরি হয়, “শত্রুপক্ষের বিপজ্জনক প্রযুক্তি সৃজনশীলভাবে নকল করার মাধ্যমে এই পরিস্থিতিকে কৌশলগত সুযোগে রূপান্তর করার” সুযোগ এটি।


পশ্চিমা বিশ্লেষকদের উদ্ধৃতি দিয়ে স্টুডেন্ট নিউজ নেটওয়ার্ক জানায়, তাদের “বাস্তব উদ্বেগ” রয়েছে যে ইরান উন্নত মার্কিন ও ইসরায়েলি অস্ত্রের ‘কোড’ ভেঙে ফেলছে।


প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞার কারণে রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং দীর্ঘদিন ধরেই একটি বাধ্যতামূলক প্রয়োজন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


এতে অতীতের কয়েকটি উদ্যোগের উদাহরণও দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে মার্কিন হক ক্ষেপণাস্ত্রের অনুকরণ এবং ২০১১ সালে একটি আরকিউ–১৭০ ড্রোন ধরে ফেলার ঘটনা।


তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা