মঙ্গলবার, মে ০৫, ২০২৬

সশস্ত্র বাহিনীকে জনমুখী করতে ডিসিদের নির্দেশনা

সোনার দেশ ডেস্ক ০৫ মে ২০২৬ ০১:২৩ অপরাহ্ন জাতীয়
সোনার দেশ ডেস্ক ০৫ মে ২০২৬ ০১:২৩ অপরাহ্ন
সশস্ত্র বাহিনীকে জনমুখী করতে ডিসিদের নির্দেশনা
সংগৃহীত ছবি

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. একেএম শামছুল ইসলাম বলেছেন, সশস্ত্র বাহিনীকে আরো জনমুখী ও শক্তিশালী করতে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের তৃতীয় দিনের প্রথম অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

ড. শামছুল ইসলাম বলেন, জেলা প্রশাসক সম্মেলনে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের পক্ষ থেকে বাহিনী প্রধানদের চাহিদা, কর্মপদ্ধতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে ডিসিদের অবহিত করা হয়েছে। একইসঙ্গে সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে আরো জনমুখী বাহিনীতে পরিণত করতে চায়-এ লক্ষ্যে মাঠ প্রশাসনের করণীয় বিষয়গুলোও তুলে ধরা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা ‘টোটাল পিপলস ওয়ার্ক’-যা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দর্শন-সে বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা করেছি। জেলা প্রশাসকদের কী ধরনের ভূমিকা থাকা উচিত, সেটিও ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

ড. শামছুল ইসলাম বলেন, পেশাদারিত্ব ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সশস্ত্র বাহিনীতে দক্ষ জনবল যুক্ত করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি সাম্প্রতিক নির্বাচনে সেনাবাহিনী ও সিভিল প্রশাসনের সমন্বিত কাজের প্রশংসা করে এ সমন্বয় আরো জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ডিসিদের জানানো হয়েছে। পুরো আলোচনা অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে এবং ডিসিদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে তারা সন্তুষ্ট।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ড. শামছুল ইসলাম বলেন, মাঠ প্রশাসন ও সেনাবাহিনীর মধ্যে কোনো ধরনের দূরত্ব নেই। বরং পারস্পরিক সহযোগিতা ও আস্থার ভিত্তিতে তারা কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দায়িত্ব পালন করেন। কঠোর প্রশিক্ষণ ও শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে তারা সবসময় প্রস্তুত থাকে। জনগণের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে তারা আরো দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছে।

ডিসিরাও সেনাবাহিনীর সহায়তায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন উল্লেখ করে ড. শামছুল ইসলাম বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর সহায়তা মাঠ প্রশাসনের কাজে ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে এবং এটি যুগান্তকারী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে আরো শক্তিশালী ও জনগণমুখী সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

তথ্যসূত্র: বাংলানিউজ