শনিবার, আগস্ট ২২, ২০২৬

ছড়াসাহিত্যে অনীক মাহমুদ: বিকাশ ও বিস্তৃতি

এস এম তিতুমীর ০৯ জুলাই ২০২৬ ১১:১৮ অপরাহ্ন পাণ্ডুলিপি
এস এম তিতুমীর ০৯ জুলাই ২০২৬ ১১:১৮ অপরাহ্ন
ছড়াসাহিত্যে অনীক মাহমুদ: বিকাশ ও বিস্তৃতি

ছড়াসাহিত্য মূলত লোকমুখে প্রচলিত এক ধারা যার ইতিহাস সুপ্রাচীন। বাংলাসহিত্যের আদি নিদর্শন ‘চর্যাপদ’ থেকে শুরু করে অধুনাকালের সাহিত্য চর্চায় নানাবিধ বাঁক পরিবর্তন আসলেও  ছড়াসাহিত্য তার অবস্থান উৎসমূলের মতোই মজবুত রেখেছে। এখনো মানুষ শান্তি, সংগ্রাম, শোক, আনন্দ, উৎসব উদ্যাপন ও অধিকার আদায়ে ছড়াকেই কণ্ঠে তুলে নেয়। ছড়ার অন্ত্যমিল ব্যঞ্জনা আর কাব্যিক দ্যোতনার দোলা খুব সহজেই মানুষের মনকে জয় করে। তাই যাপিত জীবনে মানুষ তার অনুভব উপলব্ধি প্রকাশে ছড়াকে আশ্রয় করে। মুখে মুখেই ছড়ার সঞ্চালন। আমাদের কল্পনা অথবা দেখা, এর বাইরের জগতকে মননশীল চেতনায় ফুটিয়ে তোলাই হলো শিল্প। শিল্পী তার শিল্পকে সামনে রেখে নিজেকে আড়াল করে। আর এমনটা হয় বলেই দর্শনার্থী শিল্পস্রষ্টাকে খোঁজে। যা এখনো দেখা হয়নি, সে পৃথিবীর ছবি বোধকরি একজন শিল্পী আঁকতে পারেন। বাস্তবতার মাঝে থেকেও যখন কলল্পনার রং মনের ক্যানভাসে এসে মিশে, তখন, তার রূপ ঐশ্বরিক হয়ে হয়ে উঠে। কোনো শিল্পের লক্ষ্য, এর বাইরে যেতে পারে না। মনের যতো রকম আশা-আকাক্সক্ষা, ভাব-ব্যঞ্জনা, অনুভব-অনুভূতি, অভিব্যক্তি থাকে তা শিল্পী তার অন্তরাত্মা দিয়ে তুলে ধরেন। আর তখনই তিনি ছাড়িয়ে যান নিজেকে। যখন কাগজ-কলম আবিষ্কার হয়নি তখন মানুষ মুখে মুখে ছড়া কাটতো, সে হিসেবে বাংলা সাহিত্যের বয়স অনেক। প্রাচীনকাল থেকে পদ্য’র প্রচলন ছিলো। হতেপারে সেটা এখনকার ছড়া। যা মুখে মুখে ছড়িয়ে ছিলো। বাংলা সাহিত্যে ছড়াশিল্পের ইতিহাস কত পুরাতন বাংলাপদ্য থেকে বোঝা গেলেও লিখিত বাংলাসাহিত্যের প্রচীনত্ব খুঁজে পাওয়া যায় ‘চর্যাপদ’র মাধ্যমে। ‘কাআ তরুবর পাঞ্চ বি ডাল।/ চঞ্চল চীএ পইঠা কাল।’ এ থেকে লিখিত রূপ শুরু হয়ে চলে আসছে এ অব্দি। যেখানে মানব মনের শিল্পরূপ উঠে আসে। ‘মানবজীবন ও প্রকৃতি থেকে গ্রহণ বর্জনের মাধ্যমে উপযুক্ত উপাদান নির্বাচন করে শিল্পী মনের রূপ-রস, সুখ-দুঃখ, আশা-আকাক্সক্ষা মিলিয়েই সৃষ্টি করেন প্রকৃত সাহিত্য।’ এ কথা দিয়ে প্রথিতযশা প্রাবন্ধিক প্রমথ চৌধুরী শিল্পীর শিল্পকে শিল্পসান্নিধ্য করে তোলার প্রয়াস খুঁজেছেন। এ প্রয়াসে অদ্যাবধি যারা নিজেকে ব্যাপৃত রেখেছেন তাদের মধ্যে অন্যতম ছড়াশিল্পী অনীক মাহমুদ। আমরা নিয়ত যেসব কর্মে নিজেকে নিয়োজিত রাখি তার মধ্যেও অবচেতন মনে শিল্প কাজ করে। তবে আমরা কেউ তা অনুধাবন করি আবার কেউ করি না। অনীক মাহমুদ তা ঠিকই অনুধাবন করেন। এমন কি রীতিমত তার ছন্দ-মাত্রা, ব্যাকরণ মেনে তা উপস্থাপন করেন। সত্তর দশকের কবি, প্রাবন্ধিক, গল্পকার, কথক, শিক্ষাবিদ কবি অনীক মাহমুদ সাহিত্য প্রতিভা দিয়ে বাংলা সাহিত্যাঙ্গণে নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রয়াসে নিরলস। গল্প কবিতা প্রবন্ধ গান গীতিনাট্য রচনার পাশাপাশি শিশুদের জন্য তিনি লিখেছেন শিশুতোষ ছড়া। ১৯৯৭ সালে প্রকাশিত হয় ছড়াগ্রন্থ ‘ভরদুপুরে আমার মাকে’ ও ‘দুলকি ঘোড়া চাবুক কড়া’। এছাড়া ২০০৬ সালে আসে ‘শেয়াল মামার খেয়াল’ ও ২০০৯ সালে ‘নানুর বাড়ি কানুপুরে’। এমনভাবে দশটিরও অধিক বেরিয়েছে ছড়াগ্রš’,আছে ‘ছড়াসমগ্র-১ ও ২’। মা যখন ছড়া কাটেন, শিশু তখন ঘুমে থাকেন। তাই আমরা বলতে পারি ছড়ার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক জন্ম থেকেই। যে ভাষায় যখনই হোক, ছড়া, শিশুর কানে যায় বলেই ঘুম পাড়ানি মাধ্যম হয়ে উঠে ছড়া। সেখানে যে শিল্পরূপ থাকে তা সহজেই অনুমেয়। ২০২৪ সালে বেরিয়েছে ‘ঋদ্ধামণির ছড়া মনের সুখে পড়া’ ধরা যাক কবির এ ক’টা লাইন-‘ ঋদ্ধাসোনা রাগ করে না/ আর ধরে না বায়না/ তোমার জন্য এই এনেছি /চিরুনী আর আয়না।’ কথা সরল-সাবলীল অথচ শিল্পীত। প্রিয়জনের মান ভাঙানো ও তার পছন্দের জিনিস এনে দেওয়ার মধ্যে যে অভিব্যক্তি, তা হৃদয়গ্রাহী। এখানে চিরুনী আর আয়না, যা খুব সামান্য, নিত্য ব্যবহার্য হলেও তা শব্দের পরে শব্দ হয়ে বসে একটা আলাদা ভাবব্যঞ্জনা সৃষ্টি করেছে। পাঠক তা পাঠে মনে মনে প্রিয় মানুষটির কাছে চলে যেতে বাধ্য। এমন আরও ছড়ার লাইন আছে যা পাঠককে আকৃষ্ট করে অনয়াসে। ব্যক্তিগত অনুভূতি আর পারিবারিক সম্পর্কের বন্ধন নিয়ে ছড়াকার অনীক মাহমুদ এ গ্রন্থে অনেক চটুল কথার ছন্দ দিয়ে শিশু মনের সারল্য তুলে এনেছেন। যা নিমিষেই পাঠককে কাছে টানে। ছড়া, শুধু ছড়া না। এ হচ্ছে ছন্দে ছন্দে বলা গল্প। শিশু মুখে মুখে বলতে বলতেই শিখে যায় অনেক শব্দ ছড়ার মাধ্যমে। তাই ছড়ার ভাষা হয় সহজ ও সরল।

বাংলাসাহিত্যে ছড়ার অবস্থান বেশ শক্তিশালী। অকিাংশ শিশুরই শিক্ষাকাল শুরু হয় ছড়া দিয়ে। ছড়ার ভেতর দিয়ে দেশ কাল পাত্র সমাজচিত্র, আচার প্রকরণ, যাপন প্রক্রিয়া সবই প্রকাশ পায় মনকাড়া রূপে। বিধায় ছড়া উপক্ষাহীন। বাংলাদেশের ছড়াসাহিত্য চর্চায় এ পযর্ন্ত যারা নিরলস তাদের মধ্যে কবি অনীক মাহমুদ সম্পূর্ণ আলাদা ও ব্যতিক্রম। প্রচলিত ধারার বাইরে তিনি তাঁর নিজস্ব রচনাশৈলী নির্মাণ করেছেন। ২০২৫ সালে প্রকাশ পেয়েছে ছড়াগ্রন্থ ‘স্বপ্নরঙিন আলোর পথে’ যেখানে ছড়া আছে একান্নটি। তার মধ্য একটা ছড়ার নাম ‘আমাদের আকাশটা’ সেখানে বলছেন-‘ মায়েদের মমতায় বাবাদের প্রাণ/ রূপশালী ধানে জাগে কৃষকের গান।’ রূপশালী ধানের প্রসঙ্গ এনে কবি তাঁর স্বতন্ত্র তৈরি করেছেন। কৃষক এই ধানের সাথে জড়িয়ে রেখেছে তার স্বপ্ন আকাক্সক্ষা। জীবনের বন্দনা আর ভালো থাকার অদম্য ইচ্ছা এখানে ফুটে উঠেছে। ‘গুণের কদর’ ছাড়াতে কবির গভীর জ্ঞানের কথা -‘গুণের কদর না বাড়ালে জন্মায় না যে গুণী,/ তামার কাছে জায়গা পায় না হীরে পান্না চুনী। ভাবো গুণী, খোঁজো গুণী সঠিক গুণবান,/ আলোর মিছিল কালো নাশুক জাগুক মহৎ প্রাণ।’ যা সত্য বচন রূপ, নিরত্যয়। এরপর ২০২৬ সালে সুচয়নী পাবলিশার্স থেকে বেরিয়েছে ‘যত্নে জ্বালো জ্ঞানের আলো’। এতে মোট বিশটি ছড়া আছে। যেখানে কিশোর মনের বিজ্ঞান বিষয়ক কৌতূহল প্রকাশ পেয়েছে। যেমন-‘ কুপি থেকে সলিতায়/ তেল আসে কেমনে?/ কৈশিক চাপে নাকি/ কাজ হয় এমনে’ (জানতেই পারি বটে)। অথবা ‘আলোর ভেতর সাতটি যে রং/রামধনু হয় অমলা/ বেগুনী, নীল, আসমানী, লাল/ হলাদ সবুজ কমলা’ (আলোর খেলা)। বিজ্ঞানের ফোটন কণা, কোয়ান্টামতত্ত্ব, সৌরশক্তি, কোয়ান্টাম লেন্স, ফারেনহাইট এমন অনেক প্রসঙ্গ আছে এ গ্রন্থে। তবে তিরিশ পৃষ্ঠায় একটা মজার ছড়া আছে যার শিরোনাম ‘ছদ্মনামে বদ্ধতা নেই’ যেখানে বিখ্যাত লেখকদের নাম এসেছে। যার মধ্যে কবি নিজেও আছেন -‘চারুচন্দ্র চক্রবর্তী/ জরাসন্ধ কথার বর /এই খন্দকার ফরহাদ হোসেন/ অনীক মাহমুদ অধম নর।’ পাঠে পাঠে এসব ছড়া বেশ চম্বকীয় আকর্ষণ সৃষ্টি করে যা কবির মুন্সিয়ানা। 

যিনি সত্তর দশক থেকে এ অব্দি সাহিত্য সাধনায় নিজেকে ব্যাপৃত রেখেছেন। এ বছর এপ্রিলে সুচয়নী পাবলিশার্স থেকে প্রকাশ হলো কবির দশম ছড়াগ্রন্থ ‘ফুল পাখিদের খুনসুটি’। ফুল ও পাখি আকৃষ্টের অনুষঙ্গ। এ অদম্য অনুষঙ্গের প্রভাব শিশুমনে ব্যাপক। ‘ ছোট্ট পাখি বেজার,/ ফুড়ুৎ করে উড়লো পাখি/ পুকুর পাড়ে টুসীর আঁখি/ আপন কাজে যে যার।’ (ফুলের গাছে মৌটুসী) কবি এখানে পাখির এনালজি দিয়ে সাবজেক্টিভ করেছেন ক্লারিফাই ফাংসন। ফলে ফোকাসিং জ্ঞানগর্ব কাজের দিকেই স্থির। আবার একতার কথা বলতে তিনি ভোমর নিয়ে ছড়া লিখলেন- ‘কাজল ভোমর শুধুই শুনি একলা নাকি থাকো,/এটা বাপু খুবই খারাপ মনের কষ্ট ঢাকো।/ একলা থাকা দুঃখের কারণ বুকের কষ্ট বেশ,/ মৌমাছিরা যুতবদ্ধ দাপটের নাই শেষ’ (কাজল ভোমর)। একতাই বল তারই ন্যারেটিভ এক্সাম্পল এনালাইসিস পার্ট হিসেবে কবি নিজেকে দাঁড় করিয়েছেন। বাংলা সাহিত্যে ফুল, পাখি ও প্রকৃতিকে কেন্দ্র করে বহু ছড়া রচিত হয়েছে। তবে ‘ফুল পাখিদের খুনসুটি’ কবি অনীক মাহমুদের এক ব্যতিক্রমধর্মী সৃষ্টি। অ্যাডওয়ার্ড লিয়ার তার ব্যতিক্রমী লিমেরিক দিয়ে যেমন ব্রড সেন্স জাগিয়েছেন তেমনি কবি তাঁর এ গ্রন্থে ‘জুইঁ-চামেলি’ শিরোনামের ছড়ায় তা করেছেন, ‘আমরা সবাই হইযে মিতা/ ফুলের প্রাণে প্রাণে,/মানবতার মিষ্টি বাসে/ জগৎ সভার টানে।’ এখানে কবি যে ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছেন তা অনন্য মানবতার মূর্ত প্রতীক। ভ্রাতৃত্ব বোধ ও ফুল সম জীবন কবির চাওয়া। ‘ফুল বলে, ধন্য আমি মাটির পরে/ দেবতা ওগো তোমার সেবা আমার ঘরে।’ কবিগুরুর এ সুর যখন ফুলকে প্রফুল্ল করে তোলে তখন সবুজের নীল দুঃখ ‘অপরাজিতা’কে নিয়ে এ কবির রচনা ‘নীল বনে কি নীলকণ্ঠ/ তাকেও লোকে সম্বোধনে / ডাকতে পারে ঘোর আবেগে/ ভক্তি রসে নীলগহনে’ এখানে ফুলকে মানবিক রূপ দিয়ে শিশুমনের সঙ্গে প্রকৃতির সম্পর্ক গড়ে তোলা হয়েছে। কেননা পরের পঙ্ক্তিতে কবির উক্তি ‘অপরাজিতা চমক রানি/ চোখ জুড়ায় মুগ্ধ বোধে,/ হঠাৎ করে দৃষ্টিপাতে/ স্বস্তি দেয় দুর্বিরোধে।’ কবি এ গ্রন্থে অনেক ফুলের সঙ্গে পরিচয় করিয়েছে। ফুল পবিত্রতার প্রতীক তাই পবিত্র প্রেরণাও আসে ফুল থেকে। ফুলের সুবাস মনকে তন্দ্রাচ্ছন্ন করলেও এ কাব্যে পাই ঘুম তাড়ানোর কথা-‘কাঁঠাল চাঁপার গন্ধে যে মন/ ঘুমহারা হই নিত্য/ মন যে হয় গাছে নিচেই/গন্ধরাজের চিত্ত।’(কাঁঠাল চাঁপার গন্ধ) আবার পাই জাগবার সংকল্প -‘তাই পলাশের মালা নিয়ে/ শুদ্ধতম মনে/তোমরা সবাই মেলবে আঁখি/পলাশ ফোটার ক্ষণে’ (পলাশ ফুলে মালা)। 

ফুল, প্রজাপতি ও শিশুর কৌতূহল কবি অনীক মাহমুদের এ ছড়াগ্রন্থের প্রধান আকর্ষণ হলেও এতে প্রজাপতির কথা আছে যেমন-‘প্রজাপতি বন্ধু কি শিশুদের অতি,/কোনোক্রমে যেন এর হয়নাকো ক্ষতি।/ সকলে খেয়াল রাখি মায়া পরিবেশ,/ খুশি মনে বাবা-মা’র মানি নির্দেশ।’ এ ছড়ার সঙ্গে যোতীন্দ্র মোহন বাগচী প্রকৃতিনির্ভর শিশু-কবিতার প্রকৃত মিল পাওয়া যায়। কারণ, এখানে ফুল, পাখি, প্রকৃতি ও শিশুমন সরল উপদেশ এসেছে। গ্রন্থের শিরোনামে মিল রেখে কবি অনেক রকম পাখি এ গ্রন্থের ছড়ায় উপজীব্য করেছেন। -‘গানেতে গোলাপ আছে সুরেতে বুলবুল /গোলাপিত কবিবাগ্ জগতে অতুল’ (গোলাপ আর বুলবুলি) এ ছড়াটি সুকুমার বড়ুয়ার শিক্ষামূলক ছড়ার ধারার সঙ্গে বিশেষভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ, যেখানে আনন্দের সঙ্গে জ্ঞানও পরিবেশিত হয়। কবি অনীক মাহমুদ একজন শিক্ষবিদ, গবেষক, গল্পকার ও শিশুসাহিত্যিক। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা শেষে অবসরকালীন জীবনে আছেন। এখনো জীবনের পরতে পরতে সাহিত্যকেই ধ্যান এবং করে আছেন। তাাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা এক’শ তিরিশটিরও অধিক। ফুল ও পাখিদের তুলনামূলক বর্ণনা আর উপদেশমূলক বাণী এ গ্রন্থকে সমৃদ্ধ করেছে। এতে সংযুক্ত ইলাস্ট্রেসন সত্যি নান্দনিক। ক্রাউন সাইজ কাটিং চাররঙা প্রচ্ছদের এই গ্রন্থটির প্রতিটি ছড়া সুখপাঠ্য। ছড়াসাহিত্যে অনীক মাহমুদ এর বিকাশ ও বিস্তৃতি ব্যাপক যা বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী করতে অনন্য ভূমিকায় অবতীর্ণ। এ বিদগ্ধ বিস্তৃতি দীর্ঘ হোক।