বৃহস্পতিবার, আগস্ট ২৭, ২০২৬

সাভার ও আশুলিয়ায় গ্যাস-বিদ্যুতে টান, কারখানায় উৎপাদন কমছে, বাড়ছে খরচ

সোনার দেশ ডেস্ক ২৭ আগস্ট ২০২৬ ১২:১৪ অপরাহ্ন জাতীয়
সোনার দেশ ডেস্ক ২৭ আগস্ট ২০২৬ ১২:১৪ অপরাহ্ন
সাভার ও আশুলিয়ায় গ্যাস-বিদ্যুতে টান, কারখানায় উৎপাদন কমছে, বাড়ছে খরচ

কখনো গ্যাসের চাপ এতটাই কমে যাচ্ছে যে মেশিন চালানো সম্ভব হচ্ছে না, কখনো বিদ্যুৎ থাকছে না ঘণ্টার পর ঘণ্টা।

উৎপাদন সচল রাখতে কোথাও ডিজেলের খরচ তিন গুণ হয়েছে, কোথাও সৌরবিদ্যুৎ ও ব্যাটারির ওপর ভর করতে হচ্ছে। তাতেও কমছে উৎপাদন, বাড়ছে খরচ। আর সময়মতো পণ্য পাঠানো নিয়ে তৈরি হচ্ছে শঙ্কা।


সোমবার ও মঙ্গলবার সাভার-আশুলিয়া এলাকার ১০টি তৈরি পোশাক, ওয়াশিং ও সূতা কারখানা ঘুরে এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।


তবে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে কারখানা বন্ধ হয়নি বলেছেন উদ্যোক্তা, কর্মকর্তা ও শিল্প পুলিশের কর্মকর্তারা।

ইতোমধ্যে গ্যাস সংকটের কারণে গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী এলাকায় কারখানা বন্ধের খবর সংবাদমাধ্যমে এসেছে।


শিল্পাঞ্চল পুলিশ-১ এর তথ্য অনুযায়ী, তাদের আওতাধীন সাভার, আশুলিয়া, ধামরাইয়ে তৈরি পোশাক, ওষুধ, চামড়াজাত পণ্যের বিভিন্ন ধরনের ছোট বড় শিল্পকারখানা রয়েছে ১ হাজার ৮৬৩টি।


এ শিল্পাঞ্চলের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ মমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “সাভার, আশুলিয়া ও ধামরাইয়ে গ্যাস সংকটের কারণে কোনো কারখানা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। তবে উৎপাদন কমেছে।


“আমাদের বিশ্লেষণ বলে উৎপাদন কমে গেছে। তার কারণ লোডশেডিং। জেনারেটর চালাচ্ছে, এতে গড়ে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ উৎপাদন কমে গেছে।”

দেশে বর্তমানে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট। এর বিপরীতে দেশীয় উৎপাদন ও আমদানি করা এলএনজি মিলিয়ে সাধারণ সময়ে প্রায় ২৭০ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করা হয়।

এর মধ্যে দেশীয় উৎপাদন দৈনিক প্রায় ১৬০ কোটি থেকে ১৬৫ কোটি ঘনফুট এবং আমদানি করা এলএনজি থেকে ১০০ কোটি থেকে ১১০ কোটি ঘনফুট আসে।

পেট্রোবাংলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে ২৩৭ কোটি ৯৯ লাখ ঘনফুট।


অন্যদিকে বিদ্যুৎ ও সার উৎপাদন এবং অন্য ভোক্তাদের জন্য সরবরাহের পরিমাণ ছিল ২৩৫ কোটি ৮৯ লাখ ঘনফুট। চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য গ্যাস সরবাহে ঘাটতি ছিল ৮৮ কোটি ৩২ লাখ ঘনফুট।


সমুদ্রপথে জাহাজে আনা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস-এলএনজি ভাসমান টার্মিনালে গ্রহণ করে আবার গ্যাসে রূপান্তর করা হয়। এরপর পাইপলাইনের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে পাঠানো হয়।


কক্সবাজারের মহেশখালীতে এ ধরনের দুটি ভাসমান টার্মিনাল রয়েছে। জুলাই মাসে কারিগরি ত্রুটির কারণে এর একটির কার্যক্রম বন্ধ থাকায় গ্যাস সংকট আরো তীব্র হয়।


গ্যাসের পাশাপাশি তরল জ্বালানি সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদনও কমে যায়, বাড়ে লোডশেডিং।

অগাস্ট মাসের এখন পর্যন্ত গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। সাভার-আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে গড়ে প্রতিদিন ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি থাকছে বলে ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর মহাব্যবস্থাপক আখতারুজ্জামান লস্কর।


গ্যাসের চাপ কম, ডিজেলের খরচ তিন গুণ

গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে ঢাকার কাছে সাভার, আশুলিয়া ও ধামরাই এলাকায় কারখানা বন্ধ না হলেও উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।


আশুলিয়ার গাজীরচটের ফৌজিয়া ও ফাহিম ফ্যাশন কারখানার কর্মচারী মনির হোসেন মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে জামগড়া এলাকার সাউথ-বেঙ্গল সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গ্যাসের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। সিলিন্ডারে করে তারা গ্যাস নিয়ে যান।


তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, কারখানায় স্বাভাবিক উৎপাদনের জন্য অন্তত ৫ পিএসআই গ্যাসের চাপ প্রয়োজন। অথচ পাওয়া যাচ্ছে ১ থেকে ২ পিএসআই।


সিএনজি স্টেশনের কর্মকর্তা জয়নাল আবেদিন বলেন, স্বাভাবিক সময়ে যেখানে ইউনিটপ্রতি গ্যাসের চাপ ৮ থেকে ১০ পিএসআই থাকে, এখন তা ২ পিএসআইয়ের নিচে নেমে এসেছে।


আশুলিয়ার জিরাবো এলাকার তৈরি পোশাকের ওয়াশিং ও ডাইং কারখানা এ আর ওয়েট প্রসেসিংয়ের ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) সেলিম রেজা বলেন, কারখানায় প্রয়োজনীয় গ্যাসের চাপ ১০ পিএসআই। কিন্তু এখন তা ১ থেকে ২ পিএসআইয়ের মধ্যে ওঠানামা করছে।


তিনি বলেন, স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন ৪৫ থেকে ৫০ হাজার পিস উৎপাদন হতো। এখন ২৫ থেকে ৩০ হাজার পিস করা যাচ্ছে।


কারখানাটিতে ড্রাই প্রসেস, ওয়াশিং ও ফিনিশিং, কোয়ালিটি বিভাগ মিলিয়ে ৮০ থেকে ৯০টি মেশিন রয়েছে। গ্যাসের চাপ কম থাকায় সব মেশিন একসঙ্গে চালানো যাচ্ছে না।


সেলিম রেজা বলেন, “১০টা বন্ধ করি, ১০টা চালাই। সবগুলো একসঙ্গে চালাতে পারি না। বাইরে থেকে গ্যাস এনে কিছু চালাতে হয়। এতে প্রতি ঘণ্টায় অতিরিক্ত ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা খরচ হচ্ছে।”


এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিদ্যুৎ সংকট। তার ভাষ্য, আধা ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকার পর দুই ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ না থাকার পরিস্থিতিও তৈরি হচ্ছে।


আশুলিয়ার ইউনিক বাসস্ট্যান্ড এলাকার তৈরি পোশাক কারখানা ফান ফ্যাক্টরিতে সোমবার দুপুরে গিয়ে দেখা যায় বিদ্যুৎ নেই। বিকল্প ব্যবস্থায় উৎপাদন চালু রাখার চেষ্টা চলছিল।


কারখানাটির প্রশাসনিক কর্মকর্তা সজল কান্তি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, তাদের গ্যাস ও বিদ্যুৎ দুটিই প্রয়োজন হয়। বিদ্যুৎ না থাকলে বিকল্প জ্বালানির ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।


“আগে পাঁচ হাজার টাকার ডিজেল লাগত। এখন লাগে ১৫ হাজার টাকার ডিজেল। গত মাসে টানা ৭ থেকে ১০ দিন গ্যাস ছিল না। এখন কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে লোডশেডিং বেশি ভোগাচ্ছে। প্রতিদিন ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং চলছে।”


জামগড়া এলাকার সুতা কারখানা লিটল স্টার স্পিনিং মিলও তিন পালায় রেশনিং করে উৎপাদন চালাচ্ছে। গ্যাসের পাশাপাশি বিদ্যুৎ, সৌরবিদ্যুৎ ও ব্যাটারি ব্যবহার করেও কারখানাটি সক্ষমতার ৪০ শতাংশ উৎপাদন করতে হিমশিম খাচ্ছে।


এ কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) খোরশেদ আলম বলেন, গ্যাসে উৎপাদন প্রায় বন্ধ। বিদ্যুৎ দিয়ে প্রায় ২৫ শতাংশ উৎপাদন হচ্ছে, বাকিটা সৌরবিদ্যুৎ ও ব্যাটারি দিয়ে চালানো হচ্ছে। বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারে উৎপাদন ব্যয় ১২ শতাংশ বেড়েছে। প্রতি পাউন্ড সুতা উৎপাদনে অতিরিক্ত ১৪ থেকে ১৫ টাকা খরচ হচ্ছে।


তবে অনেক কারখানা মালিক ও কর্মকর্তা বর্তমান সংকট নিয়ে কথা বলতে রাজি হননি।

তারা বলেছেন, নানা ধরনের সীমবদ্ধতা থাকায় তারা বক্তব্য দিতে বা কারখানায় প্রবেশ করতে দিতে চান না।


উৎপাদন কমেছে ১৫-২০%

শিল্প পুলিশ বলছে, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের প্রভাব পড়েছে ওই এলাকার সব কারখানাতেই।

ঢাকা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল-ডিইপিজেডের রিং শাইন টেক্সটাইল লিমিটেডের কারখানায় যেখানে স্বাভাবিক সময়ে দৈনিক ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টন সুতা উৎপাদন হতো সেখানে এখন ৭ থেকে ১০ হাজার টনে নেমে এসেছে বলে শিল্প পুলিশের তথ্যে বলা হয়েছে।


কারখানাটির এমডি অনিরুদ্ধ পিয়াল বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “কাগজে-কলমে কারখানা চালু থাকলেও গ্যাসের চাপ এত কম যে স্বাভাবিক উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে না। যখন সামান্য গ্যাসের চাপ পাই, তখন সব মেশিন চালু করি। কিন্তু মেশিনগুলো গরম হতে না হতেই গ্যাস চলে যায়।”


ধামরাইয়ের প্রতীক সিরামিক কারখানার দৈনিক উৎপাদন সক্ষমতা ৮০ হাজার পিস থেকে নেমে এসেছে ২০ হাজারে। একই এলাকার মুন্নু সিরামিকের উৎপাদনও ২০ হাজার পিস থেকে কমে প্রায় ১০ হাজারে নেমে এসেছে।


আশুলিয়ার জামগড়ার ওয়াশিং ফ্যাক্টরি প্রীতি কম্পোজিটে দৈনিক ওয়াশের পরিমাণ ৬০ টন থেকে নেমে এসেছে ৪০ টনে। সাভারের গ্লোবাল আউটার ওয়্যারেও ৩০ টন থেকে নেমে এসেছে ১১ টনে।


বিদ্যুৎনির্ভর কারখানাগুলোতেও একই চিত্র। আশুলিয়ার জামগড়ার পোশাক কারখানা আশেয়া ক্লথিংয়ের দৈনিক উৎপাদন ৮০ হাজার পিস থেকে কমে ৫০ হাজারে দাঁড়িয়েছে।


হেমায়েতপুরের ম্যাক্সকম ইন্ডাস্ট্রিজ বিডিতে পোশাক তৈরির পরিমাণ ২০ হাজার পিস থেকে ৫ হাজারে নেমে এসেছে।

পোশাক তৈরির আরেক কারখানা আশুলিয়ার ফ্যাশন ফোরামের উৎপাদন ২০ হাজার থেকে নেমে এসেছে ৯ হাজার পিসে।


বিদ্যুতের ঘাটতি ১০০ মেগাওয়াট

গ্যাসের সংকট সরাসরি বিদ্যুতের ওপরও চাপ তৈরি করছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর মহাব্যবস্থাপক আখতারুজ্জামান লস্কর।


তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, সাভার-আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে প্রতিদিন গড়ে বিদ্যুতের চাহিদা ৪৭০ থেকে ৪৮০ মেগাওয়াট। বর্তমানে ঘাটতি রয়েছে প্রায় ১০০ মেগাওয়াট। ফলে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ লোডশেডিং হচ্ছে। ১০ দিন আগে আরও খারাপ ছিল। এখন একটু উন্নতি হয়েছে।


গ্যাসের অভাবে বিদ্যুতের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ার কথাও বলেছেন তিনি।

আখতারুজ্জামান বলেন, গ্যাস না থাকায় বিদ্যুতের ওপর চাপ বেড়েছে। বিদ্যুতের চুলা, রাইস কুকার, পানি গরম করার যন্ত্রের ব্যবহার বেড়ে গেছে। গ্যাসের অভাবে রান্নার কাজেও বিদ্যুৎ ব্যবহার হচ্ছে।


“এমনিতেই জাতীয়ভাবে বিদ্যুৎ কম পাচ্ছি, তার ওপর গ্যাস না থাকার কারণে চাহিদাও বেড়ে গেছে।”

তিতাস গ্যাসের আশুলিয়া জোনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রকৌশলী আবু ছালেহ মুহাম্মদ খাদেমুদ্দীনের ভাষ্য, গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহে পরিস্থিতির আরও উন্নতি হতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।


সময়মতো জাহাজীকরণ নিয়ে শঙ্কা

গ্যাস-বিদ্যুতের এ সংকটের প্রভাব শুধু উৎপাদন কমার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না; রপ্তানির সময়সীমা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হওয়ার কথা বলেছেন পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা।


তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন-বিজিএমইএ এর সদস্য অনুপ সাহা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “এই এলাকার সামগ্রিক আর্থিক ক্ষতি এখনো মূল্যায়ন করা হয়নি। আমার নিজের হচ্ছে, এটুকুই জানি। চার-পাঁচ ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকে না। ফলে স্বাভাবিকের তুলনায় উৎপাদন অনেক কম হচ্ছে।”


গোল্ডেন অ্যাটায়ার্স ফ্যাশন লিমিটেডের এমডি অনুপ সাহার কারখানাটি সাভারের বড় আশুলিয়ায় এলাকায়। তিনি বলেছিলেন, “বিদ্যুৎ থাকে না, গ্যাসের চাপ খুবই কম। ফলে সময়মতো অর্ডারের পণ্য তৈরিতে দেরি হচ্ছে। পণ্য শিপমেন্ট করতে দেরি হয়ে যাচ্ছে।”


বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) পরিচালক মিনহাজুল হক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, একসময় গ্যাস ও জ্বালানি সংকটের কারণে পোশাক কারখানায় রেশনিং চালু করা হয়েছিল। এখন অনেক কারখানায় ২৪ ঘণ্টার জায়গায় সাত-আট ঘণ্টাও নিরবচ্ছিন্নভাবে উৎপাদন চালানো যাচ্ছে না।


তিনি বলছেন, সবচেয়ে বড় ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বিদেশি ক্রেতাদের পণ্য সরবরাহের নির্ধারিত সময়সীমা ও জাহাজীকরণ ঘিরে।

মিনহাজুল হক বলেন, “আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের সুনাম অনেকাংশেই সময়মতো পণ্য সরবরাহের ওপর নির্ভরশীল।

“কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই সময়সীমা ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে। এখন ভবিষ্যতের ক্রয়াদেশও ঝুঁকির মধ্যে।”


তথ্যসূত্র: বিডিনিউজ