নগরীতে ৫ মাদক ব্যবসায়ী ও ২ মাদকসেবী গ্রেপ্তার, মাদকদ্রব্য উদ্ধার
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের মহানগর গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), মতিহার, কাশিয়াডাঙ্গা, বোয়ালিয়া থানার বোষপাড়া পুলিশ ফাঁড়ি ও কর্ণহার থানা পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, হেরোইন ও গাঁজাসহ ৫ মাদক ব্যবসায়ী ও ২ মাদকসেবীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে মহানগর গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ বেলপুকুর থানার ভড়ুয়াপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে একই গ্রামের মৃত নেশার মন্ডলের ছেলে মো. মিন্টু (৩৩) ও মৃত ওকিব উদ্দিনের ছেলে মো. সুনামন (৪০)-কে গ্রেপ্তার করে। এসময় মিন্টুর হেফাজত থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ১০ পিস ও সুনামন এর হেফাজত থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ৮পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
মতিহার থানা পুলিশ একই তারিখ রাত আনুমানিক সোয়া ৮টার দিকে সাতবাড়িয়া কাশেমের মোড় বটতলা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে রাজশাহী জেলার চারঘাট থানার পশ্চিম ঝিকরা গ্রামের মো. আ. রহমানের ছেলে মো. শাহাবাজ আলী (৪৬)-কে গ্রেপ্তার করে গ্রেপ্তার করে। এসময় তার হেফাজত হতে মোট ১০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উল্লেখ্য আসামি শাহাবাজের বিরুদ্ধে রাজশাহী জেলার চারঘাট থানায় ১টি মাদক মামলা রয়েছে।
এছাড়াও একইদিন সকাল আনুমানিক সোয়া ৬টার দিকে কাশিয়াডাঙ্গা থানা পুলিশ গোলজারবাগ গুড়িপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে পূর্ব রায়পাড়া গ্রামের মৃত সেকেন্দার আলীর ছেলে মো. মিলন হোসেন (৪৫)-কে গ্রেপ্তার করে। এসময় তার হেফাজত হতে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ২ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। উল্লেখ্য আসামি মিলনের বিরুদ্ধে আরএমপি’র রাজপাড়া থানায় ১টি ও কাশিয়াডাঙ্গা থানায় ১টি মাদক মামলা রয়েছে।
এদিকে একই তারিখ রাত আনুমানিক সোয়া ১২ টার দিকে বোয়ালিয়া থানার বোষপাড়া পুলিশ ফাঁড়ি পঞ্চবটি খরবনা নদীর ধার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এয়ারপোর্ট থানার বায়া বটতলা গ্রামের মো: মোস্তাক হোসেনের ছেলে মো. শরিফুল ইসলাম (৩০)-কে গ্রেপ্তার করে। এসময় তার হেফাজত হতে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ২ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
অন্যদিকে, বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুর আনুমানিক সোয়া ৩ টার দিকে কর্ণহার থানা পুলিশ বাতাসমোল্লা গ্রামের মৃত আবুল কালাম আজাদের ছেলে মো. মিনারুল ইসলাম (৩৭)- এর বসতবাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে মিনারুল এবং দামকুড়া থানার শিতলাই সরকারপাড়া গ্রামের মো. আব্দুল মান্নানের ছেলে মো. সাগর আলী (২৮)- কে গাঁজা সেবনরত অবস্থায় গ্রেপ্তার করে। পরে বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতাল, রাজশাহীতে আসামিদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন হলে চিকিৎসকের মতামতের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়। উল্লেখ্য আসামি মিনারুলের বিরুদ্ধে কর্ণহার থানায় ১টি মাদক মামলা রয়েছে। অপর আসামি সাগরের বিরুদ্ধে দামকুড়া থানায় ১টি পেনাল কোড আইনে ও ১টি দ্রুত বিচার আইনে মামলা রয়েছে।
আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা রুজু করে করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা করা হয়েছে।