’শেষ কয়েকমাসে বাংলার উন্নয়নে আমি খুশি’, বিজেপি-তে যোগ দিয়ে বললেন কোয়েল মল্লিক
এবার পদ্ম পতাকা হাতে ধরলেন কোয়েল মল্লিক। বিজেপিতে যোগ দিলেন এই টলি অভিনেত্রী। উল্লেখ্য, রবিবারই তাঁকে রাজ্যসভার প্রার্থী করেছে বিজেপি। এদিন বিজেপি-তে যোগদানের পরই রাজ্যসভার মনোনয়ন জমা দিতে বিধানসভায় যান তিনি।
কোয়েল মল্লিককে মমতা ব্যানার্জি রাজ্যসভার প্রার্থী করেছিলেন। তৃণমূল ক্ষমতা থেকে সরতেই, আরও একাধিক রাজ্যসভার সাংসদদের মতোই সেখান থেকে সরে যান এই অভিনেত্রী। তবে জল্পনায় সিলমোহর রবিবারেই দেয় বিজেপি। সুস্মিতা দেবদের মতোই, তৃণমূল থেকে পদত্যাগের পর, বিজেপির হয়ে রাজ্যসভায় উপনির্বাচনের প্রার্থী সেই কোয়েলই। রবিবার, বিজ্ঞপ্তি জারি করে বিজেপি জানিয়ে দেয়, পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যসভার আসনে উপনির্বাচনে গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী হচ্ছেন রুক্মিণী মল্লিক, অর্থাৎ অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক।
এদিন বিজেপি-তে যোগদান করে কোয়েল জানান, দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রশাসন সামলেছেন। তাঁর কাজ ও মুখ্যমন্ত্রীর কাজকে ভাল লাগায় তিনি বিজেপিতে যোগদান করছেন।
তাকে বিজেপিতে স্বাগত জানাচ্ছি কোয়েলকে।
কোয়েল মল্লিক বলেছেন, “বিশাল বড় দায়িত্ব, বিজেপিকে ধন্যবাদ। আমি খুব আনন্দিত। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ। শেষ কয়েক মাস ধরে রাজ্যে যেভাবে উন্নয়নের কাজ হচ্ছে। তাতে আমি খুশি। রাজনীতিতে কোনও কিছু যদি অবদান রাখাতে চেষ্টা করব। বাংলার মানুষ সবাই যাতে আননদে থাকে, তা দেখব।”
তৃণমূল ছেড়ে বিজেপির এই রাজ্যসভার প্রার্থী হওয়ায় ট্রোলড হচ্ছেন কোয়েল মল্লিক। এই বিষয়ে তিনি বলেন, “সমাজ মাধ্যমে টোক্সিসিটি বেড়ে যাচ্ছে কেন? কারণ অনেক মানুষের কাজ নেই। যাঁরা প্রিভিলেজ নন তাঁদের কথা ভাবতে হবে। এনাদের প্রতি কোনও রাগ নেই কারণ আমি সাইকোলজির স্টুডেন্ট। নিজেরা অসুখী বলে এই ধরনের মন্তব্য করছে।”
তাঁর রাজনীতিতে আসার কারণ জানতে গিয়ে কোয়েল বলেন, “যাঁরা নেগেটিভ, তার নেপথ্যে কোনও কারণ রয়েছে। সেই কারণ বোঝার চেষ্টা করি। সেই কারণে আমি রাজনীতিতে ঢুকেছিলাম, আর সেই কারণেই আমি এই দলে।”
তৃণমূলের যোগদান কি ভুল সিদ্ধান্ত ছিল? বিজেপির রাজ্যসভার প্রার্থীর দাবি, “আমি কারোর সম্পর্কে খারাপ কথা বলি না। প্রত্যেকটা দল নিজের মত করে ভাল করার চেষ্টা করে। কাউকে ছোট বড় না করে আমি এমন একটা দলে যোগদান করেছি যেখানে বিগত কয়েক মাস ধরে উন্নয়নের কাজ হচ্ছে। সেবা করার শেষ নেই। যত বেশি কাজ হবে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ ততই বেশি আনন্দে থাকবে।”
তথ্যসূত্র: আজকাল অনলাইন