বুধবার, অক্টোবর ১৪, ২০২৬

সাংবাদিকদের নিবন্ধন ও জরিমানা করার ক্ষমতা চায় প্রেস কাউন্সিল

সোনার দেশ ডেস্ক ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ০১:৩৪ অপরাহ্ন জাতীয়
সোনার দেশ ডেস্ক ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ০১:৩৪ অপরাহ্ন
সাংবাদিকদের নিবন্ধন ও জরিমানা করার ক্ষমতা চায় প্রেস কাউন্সিল

সাংবাদিকদের নিবন্ধন ও সনদ দেওয়ার পাশাপাশি সংবাদ প্রকাশের কারণে সম্পাদক, প্রকাশক ও সাংবাদিকদের আর্থিক জরিমানা করার ক্ষমতা চায় বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল।

একই সঙ্গে সংবাদপত্রের সম্পাদক হতে ন্যূনতম স্নাতক ডিগ্রি, প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও অন্তত ১০ বছরের সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতার শর্ত যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে।


সংবাদপত্রের ‘স্বাধীনতা রক্ষা এবং সাংবাদিকদের ‘পেশাগত সুরক্ষার’ জন্য কাউন্সিলের ক্ষমতা বাড়ানোর এই প্রস্তাব মঙ্গলবার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়েছে।

তবে বৈঠকে উপস্থিত একজন সদস্য বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেছেন, প্রস্তাব তোলা হলেও সংসদীয় কমিটিতে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়নি।


কমিটির সভাপতি আমানউল্লাহ আমানের সভাপতিত্বে বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তর ও সংস্থাগুলোর কার্যক্রম ‘আরও গতিশীল ও গণমুখী’ করার বিষয়টি ছিল।


বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের খসড়া প্রস্তাবে ১৯৭৪ সালের প্রেস কাউন্সিল আইন এবং ১৯৭৩ সালের ছাপাখানা ও প্রকাশনা (ঘোষণা ও নিবন্ধীকরণ) আইন সংশোধনের কথা বলা হয়েছে।

এর মধ্যে প্রেস কাউন্সিল আইন সংশোধনের জন্য ১৯টি এবং ছাপাখানা ও প্রকাশনা আইন সংশোধনের জন্য সাতটি প্রস্তাব রয়েছে।


জানতে চাইলে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সচিব মো. আব্দুস সবুর খান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ১৯৭৪ সালের প্রেস কাউন্সিল আইন সংশোধনের জন্য কী করণীয়, সে বিষয়ে মন্ত্রণালয় থেকে লিখিত প্রস্তাব চাওয়া হয়েছিল।


“এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রেস কাউন্সিলের সদস্যরা বৈঠক করে আইনের কোন কোন ধারা সংশোধন করা প্রয়োজন, তা নিয়ে আলোচনা করেন। তাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রস্তাবগুলো মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।”


সচিব বলেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় নিজেদের এবং অধীন দপ্তর ও সংস্থাগুলোর প্রস্তাব একত্র করে আলোচনার জন্য সংসদীয় কমিটিতে পাঠিয়েছে।

নিবন্ধন, জরিমানা ও ট্রাইব্যুনালের ক্ষমতা চাওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, এসব প্রস্তাব কাউন্সিলের সদস্যরা আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।


সাংবাদিকদের নিবন্ধন ও সনদ

খসড়ায় সাংবাদিকদের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ এবং আইনজীবীদের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বার কাউন্সিলের মত সাংবাদিকদের নিবন্ধন ও সনদ দেওয়ার ক্ষমতা প্রেস কাউন্সিলকে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

সেখানে বলা হয়েছে, সাংবাদিকতার ‘মানোন্নয়ন ও পরিচিতি নিশ্চিত করার জন্য’ এ ব্যবস্থা প্রয়োজন।

ভুয়া সাংবাদিকদের চিহ্নিত করতে প্রকৃত সাংবাদিকদের অনলাইন তথ্যভাণ্ডার তৈরির ক্ষমতা চাওয়া হয়েছে প্রস্তাবে।

সাংবাদিকদের একই সময়ে একাধিক পেশায় নিয়োজিত থাকার বিষয়েও বিধিনিষেধ আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে।

খসড়ায় বলা হয়েছে, সাংবাদিকতার পাশাপাশি আইন ও শিক্ষকতার মত অন্য পেশায় নিয়োজিত থাকা সাংবাদিকতার নীতি-নৈতিকতার লঙ্ঘন এবং পেশাগত অসদাচরণ।

একই সময়ে দুই বা ততোধিক পেশায় নিয়োজিত থাকার বিষয়টি আইনে স্পষ্ট করার কথা বলা হয়েছে প্রস্তাবে।


জরিমানার ক্ষমতা

‘মিথ্যা ও হয়রানিমূলক’ সংবাদ প্রকাশ, ‘সাংবাদিকতার নীতি-নৈতিকতা ও জনরুচির পরিপন্থি’ সংবাদ পরিবেশন এবং আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে সম্পাদক, প্রকাশক ও সাংবাদিকদের আর্থিক জরিমানা করার ক্ষমতা চেয়েছে প্রেস কাউন্সিল।


সে জন্য সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা প্রেস কাউন্সিলকে দেওয়ার প্রস্তাব করা রয়েছে।

বর্তমান প্রেস কাউন্সিল আইনের ১২ ধারায় অভিযোগ তদন্তের পর সংশ্লিষ্ট সংবাদপত্র, সংবাদ সংস্থা, সম্পাদক বা সাংবাদিককে সতর্ক করা, ভর্ৎসনা কিংবা নিন্দা জানানোর ক্ষমতা রয়েছে। তবে আর্থিক জরিমানার বিধান নেই।


নতুন প্রস্তাবে প্রেস কাউন্সিলকে ট্রাইব্যুনালের ক্ষমতা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। এ জন্য জেলা জজ পদমর্যাদার একজন বিচারককে কাউন্সিলের সদস্য করার কথা বলা হয়েছে প্রস্তাবে।

সাংবাদিকদের অধিকার সুরক্ষা ও পেশাগত অসদাচরণের বিচার শুধু প্রেস কাউন্সিলের অধীনে সম্পন্ন করার ক্ষমতাও চাওয়া হয়েছে।


এ ছাড়া জাতীয় অখণ্ডতা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য ক্ষতিকর কিংবা জনস্বার্থ ক্ষুণ্ন করে এমন সংবাদ প্রকাশের ঘটনায় নিজ উদ্যোগে তদন্ত ও আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা চেয়েছে কাউন্সিল।

গুজব, ভুয়া খবর ও ঘৃণামূলক বক্তব্য ছড়ানোর ক্ষেত্রেও একই ক্ষমতা চাওয়া হয়েছে।


অনলাইন সংবাদমাধ্যমও আসবে আওতায়

সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থার পাশাপাশি তাদের অনলাইন সংস্করণ এবং সব ডিজিটাল ও অনলাইন নিউজ পোর্টালকে প্রেস কাউন্সিলের আওতায় আনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

এর ফলে এসব সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্ত এবং তাদের সম্পাদক ও সাংবাদিকদের জবাবদিহির আওতায় আনার ক্ষমতা পাবে কাউন্সিল।


একই সঙ্গে সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থার স্বাধীন সাংবাদিকতায় হস্তক্ষেপ, হামলা এবং মবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা চাওয়া হয়েছে।

প্রস্তাবে বলা হয়েছে, সংবাদপত্রের প্রকাশক বা সম্পাদক অভিযোগ করলে কাউন্সিল তদন্ত করতে পারবে। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা লঙ্ঘিত হওয়ার বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পেলে নিজ উদ্যোগেও তদন্ত করতে পারবে।


প্রয়োজনীয় সুরক্ষা দেওয়ার নির্দেশনা জারির ক্ষমতাও কাউন্সিলকে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে হুমকি, ভয়ভীতি বা হামলার শিকার হলে কাউন্সিলে আবেদন করতে পারবেন। এমন আবেদনের ভিত্তিতে তদন্ত ও সুরক্ষার নির্দেশনা দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।

পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে মামলার মুখে পড়া সাংবাদিকদের আইনি সহায়তার জন্য কাউন্সিলের অধীনে একটি আইনগত সহায়তা সেল গঠনের কথাও বলা হয়েছে।


তবে খসড়ায় বলা হয়েছে, সাংবাদিকদের পেশাগত অসদাচরণের বিচার শুধু প্রেস কাউন্সিলের অধীনে রাখার প্রস্তাব গ্রহণ করা না হলে আইনি সহায়তা সেল গঠনের প্রস্তাবটি বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হবে।

সাংবাদিকদের নিয়োগপত্র ও নিয়মিত বেতন-ভাতা নিশ্চিত করতেও আইন সংশোধনের প্রস্তাব রয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, কোনো সংবাদপত্রের মালিক সাংবাদিককে নিয়োগপত্র ছাড়া কাজে নিয়োজিত করলে এবং নিয়োগপ্রাপ্ত সাংবাদিকদের অন্তত তিন মাসের বেতন-ভাতা পরিশোধে ব্যর্থ হলে সংবাদপত্রের ঘোষণাপত্র বাতিলের বিধান যুক্ত করতে হবে। এ জন্য ১৯৭৩ সালের ছাপাখানা ও প্রকাশনা আইনের ২০ ধারা সংশোধনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।


এ ছাড়া কোনো সংবাদপত্র বা সংবাদ সংস্থা সাংবাদিককে নিয়োগপত্র কিংবা বেতন-ভাতা দিতে ব্যর্থ হলে ওই সাংবাদিক প্রেস কাউন্সিলে আবেদন করতে পারবেন।

এমন অভিযোগ জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা চেয়েছে কাউন্সিল।


তবে প্রস্তাবে বলা হয়েছে, এ ধরনের ক্ষমতা দিতে হলে শ্রম আইন, ২০০৬-এর সঙ্গে এখতিয়ারের বিরোধ দূর করতে হবে। কারণ সাংবাদিকদের নিয়োগ, বেতন-ভাতা ও শ্রমসংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান শ্রম আইনেও রয়েছে।


সম্পাদক হতে ১০ বছরের অভিজ্ঞতার শর্ত

সংবাদপত্রের সম্পাদক হওয়ার জন্য ন্যূনতম স্নাতক ডিগ্রি, প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ এবং কমপক্ষে ১০ বছরের সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব রয়েছে।

বর্তমান আইনে সম্পাদকের যুক্তিসঙ্গত শিক্ষাগত যোগ্যতা অথবা সাংবাদিকতায় পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ বা অভিজ্ঞতা থাকার কথা বলা হয়েছে।


প্রেস কাউন্সিলের প্রস্তাবে বলা হয়েছে, যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার বিষয়টি স্পষ্ট না থাকায় যে কেউ সংবাদপত্রের সম্পাদক হতে পারছেন। এতে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ ও মানসম্মত সাংবাদিকতা নিশ্চিত হচ্ছে না।

এ কারণে ছাপাখানা ও প্রকাশনা আইনের ১২(২)(জ) ধারা সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রেস কাউন্সিলের খসড়ায় সরকারি সুবিধা পাওয়া তালিকাভুক্ত সংবাদপত্রের প্রতিবছর নিরীক্ষা প্রতিবেদন জমা দেওয়ার বিধান যুক্ত করার কথা বলা হয়েছে।


জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যালয়, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর (ডিএফপি) এবং প্রেস কাউন্সিলে এসব প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।

সংবাদপত্রের প্রচারসংখ্যার সঠিক হিসাব, সাংবাদিকদের আর্থিক সুরক্ষা এবং সংবাদপত্র শিল্পের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এ ব্যবস্থা চায় প্রেস কাউন্সিল।


সংবাদপত্র নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে কি না, তা তদারকির জন্য জেলা প্রশাসন, ডিএফপি ও প্রেস কাউন্সিলের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন এবং সংবাদপত্রের কার্যালয় পরিদর্শনের বিধানও যুক্ত করার কথা বলা হয়েছে প্রস্তাবে।

খসড়ায় ১৯৭৩ সালের আইনের অধীনে সংবাদপত্রের ঘোষণাপত্র প্রদান ও বাতিলের প্রক্রিয়া স্পষ্ট করতে বিধি প্রণয়নের কথা বলা হয়েছে।


খসড়ায় দাবি করা হয়েছে, ৫৩ বছরেও ওই আইনের বিধি তৈরি না হওয়ায় ঘোষণাপত্র দেওয়া বা বাতিল, সংবাদপত্রের নিয়মিত প্রকাশনা তদারকি এবং প্রেস আপিল বোর্ডের কার্যক্রম পরিচালনায় সমস্যা হচ্ছে।

এ ছাড়া ২০২২ সালে জারি করা সংবাদপত্র ও সাময়িকীর মিডিয়া তালিকাভুক্তি এবং নিরীক্ষা নীতিমালার আইনি ভিত্তি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে প্রেস কাউন্সিল।


প্রস্তাবে দাবি করা হয়েছে, ওই নীতিমালার ভিত্তিতে ডিএফপির সুপারিশে সংবাদপত্রের ঘোষণাপত্র বাতিলের কিছু আদেশ দেওয়া হচ্ছে, যা ১৯৭৩ সালের আইনের লঙ্ঘন।

খসড়ায় বলা হয়েছে, সংবাদপত্রের ঘোষণাপত্র বাতিলের আইনগত ক্ষমতা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের।

আইনে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের সংজ্ঞা যুক্ত করা, সংবাদপত্র প্রকাশের পর বিনামূল্যে চার কপি জমা দেওয়ার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নির্ধারণ এবং আইন বাস্তবায়নের জন্য ডিএফপির দায়িত্ব স্পষ্ট করার প্রস্তাব করেছে প্রেস কাউন্সিল।


স্বাধীনতা ও আর্থিক সক্ষমতা

প্রেস কাউন্সিলকে আরও স্বাধীন ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান করার জন্য সংশোধিত আইনে স্বাধীন সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে এর মর্যাদা স্পষ্ট করার প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঢাকার বাইরে কাউন্সিলের শাখা কার্যালয় স্থাপনের ক্ষমতা চাওয়া হয়েছে।


বর্তমানে কাউন্সিল সরকারি অনুদানের ওপর নির্ভরশীল, সে কথা তুলে ধরে নিজস্ব আয় বাড়াতে সংবাদপত্রের প্রচারসংখ্যার ওপর ১ শতাংশ বা নির্ধারিত হারে লেভি বা চাঁদা আদায়ের ক্ষমতা চাওয়া হয়েছে খসড়ায়।

কাউন্সিলের অধীনে গণমাধ্যম তদারকির জন্য মনিটরিং সেল এবং গবেষণার জন্য আলাদা সেল গঠনের প্রস্তাবও রয়েছে।

অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য প্রথমে সংশ্লিষ্ট সংবাদপত্রের সম্পাদককে অভিযোগকারীর সঙ্গে আলোচনা করে বিরোধ মীমাংসার নির্দেশ দেওয়ার প্রস্তাব করেছে প্রেস কাউন্সিল।


পাশাপাশি কাউন্সিলের কার্যক্রম বাড়াতে জনবল বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে। বর্তমানে কাউন্সিলে ১৫টি পদ রয়েছে এবং আরও দুটি পদ সৃষ্টির অপেক্ষায় রয়েছে।

কাউন্সিলের স্থায়ী কার্যালয়ের জন্য ঢাকার ৪০ তোপখানা রোডের জমি স্থায়ীভাবে ইজারা দেওয়া এবং সেখানে বহুতল ভবন নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণের প্রস্তাব রয়েছে।


তথ্যসূত্র: বিডিনিউজ