শনিবার, অক্টোবর ২৪, ২০২৬

কানাডায় ভিসা জালিয়াতির অভিযোগে ৫ জন বাংলাদেশি অভিযুক্ত

সোনার দেশ ডেস্ক ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ০৩:১১ অপরাহ্ন আন্তর্জাতিক
সোনার দেশ ডেস্ক ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ০৩:১১ অপরাহ্ন
কানাডায় ভিসা জালিয়াতির অভিযোগে ৫ জন বাংলাদেশি অভিযুক্ত

কানাডায় ২০৯ বাংলাদেশির জন্য জমা দেওয়া ২৪৩টি অস্থায়ী ভিসা আবেদন ঘিরে জালিয়াতির অভিযোগে পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। কানাডা বর্ডার সার্ভিসেস এজেন্সি (সিবিএসএ) জানিয়েছে, ভিসা পেতে জাল নথি ও মিথ্যা তথ্য ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।


অভিযুক্তদের মধ্যে রাসেল মির্জা, মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, মো. মুদাসসার আলম ভূঁইয়া ও কাজী নাফিজ আলম বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) কুইবেকের ভ্যালিফিল্ড আদালতে হাজির হন।

পঞ্চম অভিযুক্ত মো. রাকিবুল হাসান বর্তমানে বাংলাদেশে রয়েছেন বলে জানিয়েছে সিবিএসএ।

তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

সিবিএসএ বলছে, ২০৯ বাংলাদেশির জন্য মোট ২৪৩টি অস্থায়ী আবাসিক ভিসার আবেদন জমা দেওয়া হয়েছিল।

এসব আবেদনে কানাডার কিছু নাগরিককে ওই বাংলাদেশিদের সম্ভাব্য ‘হোস্ট’ বা আমন্ত্রণকারী হিসেবে দেখানো হয়।

তদন্তকারীদের অভিযোগ, ভিসা পাওয়ার জন্য জাল কাগজপত্র ও মিথ্যা তথ্য ব্যবহার করে একটি পরিকল্পিত ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছিল।


ঘটনার সূত্রপাত ২০২৪ সালের ৩ জুলাই। ওই দিন কুইবেকের মার্সিয়ের এলাকার একটি বাড়িতে তল্লাশি ও নিয়ম মানা হচ্ছে কি না তা যাচাই করে সিবিএসএ। সেখানে কানাডার অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের কিছু ইঙ্গিত পাওয়ার পর ওই বছরের আগস্টে তদন্ত শুরু হয়।


এরপর ২০২৫ সালের ৩ জুন কুইবেক ও অন্টারিওতে চারটি স্থানে তল্লাশি চালানো হয়। সেখান থেকে পাওয়া নথি ও কম্পিউটার সরঞ্জামের তথ্যের ভিত্তিতে পাঁচজনের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠে।

সিবিএসএ জানায়, মামলাটির ব্যাপকতা ও জটিলতার কারণে ২৪৩টি আবেদনের মধ্যে সবচেয়ে শক্ত প্রমাণ পাওয়া ৭৯টি আবেদনকে তদন্তে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।


পাঁচজনের বিরুদ্ধে কানাডায় অবৈধভাবে লোক প্রবেশে সহায়তার ষড়যন্ত্র, অভিবাসন আবেদনে মিথ্যা তথ্য দিতে বা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করতে সহায়তা এবং অভিবাসন আইন লঙ্ঘনে অন্যদের সহায়তার অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে অভিযোগগুলো এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি।

সিবিএসএর বিজ্ঞপ্তিতে ২০৯ বাংলাদেশির মধ্যে কতজন ভিসা পেয়েছিলেন বা কানাডায় প্রবেশ করেছিলেন, সে তথ্য দেওয়া হয়নি। তাদের কারও বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ আনা হয়েছে—এমন তথ্যও বিজ্ঞপ্তিতে নেই।


তথ্যসূত্র: বাংলানিউজ