সোমবার, অক্টোবর ২৬, ২০২৬

নাঈমের ২৮২, অংকনের ১৬৫ রানে ঢাকার সংগ্রহ ৫২১

নিজস্ব প্রতিবেদক ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ১০:২৬ অপরাহ্ন খেলা
নিজস্ব প্রতিবেদক ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ১০:২৬ অপরাহ্ন
নাঈমের ২৮২, অংকনের ১৬৫ রানে ঢাকার সংগ্রহ ৫২১

নাঈম শেখের ২৮২ ও অধিনায়ক মহিদুল ইসলাম অংকনের ১৬৫ রানের দুর্দান্ত ইনিংসে রাজশাহী বিভাগের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ৫২১ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়েছে ঢাকা বিভাগ। ১৮ রানের জন্য ট্রিপল সেঞ্চুরি থেকে বঞ্চিত হন বাঁহাতি ওপেনার নাঈম। রোববার (২৫ অক্টোবর) রাজশাহী বিভাগীয় স্টেডিয়ামে ২৮তম জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) চতুর্থ পর্বের ম্যাচের দ্বিতীয় দিনে ১৩৪.১ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে এ রান তোলে ঢাকা।


দিনের শুরুতে প্রথম দিনের অপরাজিত ব্যাটার নাঈম ১৭১ ও অধিনায়ক অংকন ৬৮ রান নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামেন। দুজনের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে লাঞ্চের আগেই বড় সংগ্রহের পথে এগিয়ে যায় ঢাকা। নাঈম ৩০১ বলে ২১৭ এবং অংকন ২৫৯ বলে ১৪১ রান নিয়ে লাঞ্চ বিরতিতে যান। সানজামুল ইসলাম নয়নকে টানা তিন ছক্কা মেরে অংকন নিজের শতরান পূর্ণ করেন। অন্যদিকে শফিউলকে বাউন্ডারি মেরে ডাবল সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন নাঈম।


লাঞ্চের পরও ব্যাট হাতে দাপট অব্যাহত রাখেন দুই ব্যাটার। দলীয় ৪৫১ রানে অংকন ১৬৫ রান করে অহিনের বলে শফিকুলের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। নাঈমের সঙ্গে তাঁর জুটিতে আসে ৩৬৩ রান। পরে তাইবুর ১২ রান করে আউট হন। শেষ পর্যন্ত রাহিমের বলে ডিপ কাভারে অহিনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ২৮২ রানে থামেন নাঈম। তাঁর ইনিংসে ছিল পাঁচটি ছক্কা ও ১২টি চার। এরপর আর কোনো ব্যাটার উল্লেখযোগ্য রান করতে পারেননি।


রাজশাহীর বোলারদের মধ্যে ওয়াসি ১১২ রান দিয়ে চারটি উইকেট নেন। পায়েল ৭৪ রান দিয়ে দুটি এবং রাহিম ৪০ রান দিয়ে দুটি উইকেট শিকার করেন। সানজামুল ও অহিন নেন একটি করে উইকেট।


জবাবে প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে বিপর্যয়ে পড়ে রাজশাহী বিভাগ। দিনের খেলা শেষে ৬ উইকেটে তাদের সংগ্রহ ১০৩ রান। ঢাকার পেসার সুমনের দুর্দান্ত বোলিংয়ে মাত্র ১০ রানেই সাজঘরে ফেরেন রাজশাহীর প্রথম তিন ব্যাটার—হাবিবুর রহমান সোহান ২, সাব্বির হোসেন ২ ও অধিনায়ক প্রীতম কুমার ৪ রান করে।


এরপর নাঈম আহমেদ ও সাব্বির রহমানের ৮০ রানের জুটি রাজশাহীকে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ দেয়। তবে নাঈম ৩০ রান করে আউট হলে আবারও চাপে পড়ে দলটি। পরে সাব্বির রহমান ৫৪ রান করে ফিরে যান। ফলোঅন এড়াতে রাজশাহীকে করতে হবে আরও ১৬৬ রান। ঢাকার সুমন ২৫ রান দিয়ে তিনটি এবং তাইবুর পাঁচ রান দিয়ে দুটি উইকেট নিয়েছেন। আমিনুল পেয়েছেন একটি উইকেট।