বুধবার, মে ০৬, ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গে ভোট-পরবর্তী সহিংসতায় নিহত ৪

সোনার দেশ ডেস্ক ০৬ মে ২০২৬ ০৩:০৪ অপরাহ্ন আন্তর্জাতিক
সোনার দেশ ডেস্ক ০৬ মে ২০২৬ ০৩:০৪ অপরাহ্ন
পশ্চিমবঙ্গে ভোট-পরবর্তী সহিংসতায় নিহত ৪

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে এবারের বিধানসভা নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের কড়াকড়ির ফলে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া তুলনামূলকভাবে শান্তিপূর্ণ ও রক্তপাতহীন ছিল। তবে ফল প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে সহিংসতার একাধিক ঘটনা সামনে আসছে, যা নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

এখন পর্যন্ত ভোট-পরবর্তী সহিংসতায় চারজনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। নিহতদের মধ্যে দুজন তৃণমূল কংগ্রেস-এর কর্মী এবং দুজন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)-র কর্মী বলে জানা গেছে। এর মধ্যে কলকাতা শহরেই দু’জনের মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার গভীর রাতে নিউটাউন এলাকায় বিজেপি কর্মী মধু মণ্ডলকে হত্যা করা হয়। অন্যদিকে, বেলেঘাটা এলাকায় নিজের বাড়ির বাইরে উদ্ধার হয় তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী বিশ্বজিৎ পট্টনায়েকের দেহ। তিনি তৃণমূলের বুথ এজেন্ট ছিলেন বলে জানা গেছে।

এছাড়া, বীরভূম জেলার নানুরে খুন হন তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী আবির শেখ। একইভাবে, হাওড়া জেলার উদয়নারায়ণপুরে যাদব বর নামে বিজেপির এক সমর্থককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

অন্যদিকে, দুই দলের সংঘর্ষে মঙ্গলবার গভীর রাতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সন্দেশখালি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হন ন্যাজাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ভরত প্রসূন পুরকায়েত। শুধু তিনি নন, আরও দু’জন পুলিশকর্মী—যার মধ্যে একজন নারী কনস্টেবল—এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর সিআরপিএফ-এর দুই সদস্য গুলিবিদ্ধ হন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সন্দেশখালির ন্যাজাট থানার রাজবাড়ি এলাকায় দুই দলের মধ্যে সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের খবর পেয়ে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। সেই সময় একটি বাড়ির ভেতর থেকে দুষ্কৃতকারীরা গুলি চালায়। হামলায় ওসির পায়ে গুলি লাগে এবং আরও কয়েকজন জখম হন।

আহতদের সবাইকে চিকিৎসার জন্য কলকাতার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুরো ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী।

তথ্যসূত্র: বাংলানিউজ