রবিবার, আগস্ট ২৩, ২০২৬

নওগাঁয় গবাদিপশু বিতরণ

আব্দুর রউফ রিপন, নওগাঁ প্রতিনিধি ১৮ আগস্ট ২০২৬ ০২:৫৫ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
আব্দুর রউফ রিপন, নওগাঁ প্রতিনিধি ১৮ আগস্ট ২০২৬ ০২:৫৫ অপরাহ্ন
নওগাঁয় গবাদিপশু বিতরণ

নওগাঁর মহাদেবপুরে নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, পরিবারের আয় বৃদ্ধি এবং খাদ্য ও জীবিকা নিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্যে উপকারভোগী পরিবারের মাঝে ছাগল, হাঁস ও মুরগি বিতরণ করা হয়েছে।


MCC Bangladesh-এর সহযোগিতায় এবং ALO-Assistance for Landless Organization বাস্তবায়িত Rural Livelihood & Food Security (RLFS) Project-এর আওতায় উপজেলার নির্বাচিত উপকারভোগী ২৫টি পরিবারের মাঝে ১টি করে ছাগল, ৩০টি পরিবারকে ১১টি করে মোট ৩৩০টি হাঁস এবং ১৫টি পরিবারকে ১০টি করে মোট ১৫০টি মুরগি প্রদান করা হয়।


সোমবার বিকেলে বিতরণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ গোলাম রব্বানী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভেটেরিনারী ফিল্ড এসিসটান্ট সুলতান হাসান, বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা “আলো” এর নির্বাহী পরিচালক মাসুদুর রহমান প্রমুখ। এসময় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সুবিধাভোগী পরিবারের সদস্যদের মাঝে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। সরকারি প্রাণিসম্পদ সেবার সঙ্গে প্রকল্পের উপকারভোগীদের সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে উদ্যোগটির স্থায়িত্ব নিশ্চিত করার ওপর তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন।


আলো’র নির্বাহী পরিচালক মাসুদুর রহমান জানান এই প্রকল্পে জীবিকাভিত্তিক সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে উপকারভোগীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও মালিকানা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ছাগল বিতরণের ক্ষেত্রে উপকারভোগীরা নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী ছাগল নির্বাচন ও ক্রয় করার সুযোগ পেয়েছেন। একইভাবে হাঁস ও মুরগি পালনের মাধ্যমে পরিবারগুলো ডিম, মাংস ও বংশবিস্তারের সুযোগ কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি পারিবারিক পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবে এই পরিবারগুলো।


তিনি আরো জানান গ্রামীণ ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারের জন্য বিভিন্ন জীবিকাভিত্তিক আয়বর্ধক কার্যক্রম, জলবায়ু-সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা এবং নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে কাজ করছে আলো। ছাগল, হাঁস ও মুরগি বিতরণ এই বৃহত্তর জীবিকা উন্নয়ন কার্যক্রমেরই একটি অংশ। শুধু সম্পদ বিতরণ নয়, বরং উপকারভোগীদের নিজস্ব সম্পদ গড়ে তোলা, আয় বৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি, নারীর সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পরিবারকে ভবিষ্যৎ ঝুঁকি মোকাবিলায় আরও সক্ষম করে তোলাই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।