বৃহস্পতিবার, আগস্ট ২৭, ২০২৬

এক বুদ্ধিতেই বাজিমাত! বছরে কামাচ্ছেন ৬০০ কোটি

সোনার দেশ ডেস্ক ২৭ আগস্ট ২০২৬ ০৯:৩৮ অপরাহ্ন জাতীয়
সোনার দেশ ডেস্ক ২৭ আগস্ট ২০২৬ ০৯:৩৮ অপরাহ্ন
এক বুদ্ধিতেই বাজিমাত! বছরে কামাচ্ছেন ৬০০ কোটি
উদ্যোগপতি শশী কুমার। ছবি- সংগৃহীত

সাহস, উদ্যম ও দূরদৃষ্টি থাকলে লক্ষ্যে পৌঁছন সম্ভব। এই সত্য ফের প্রমাণিত। সম্প্রতি বিকাশ নামে এক ইঞ্জিনিয়ার শশী কুমার নামের এক উদ্যোক্তার গল্প শেয়ার করেছেন। শশী আমেরিকায় উইপ্রো-তে কর্মরত ছিলেন। মোটা বেতনের চাকরি করতেন। কিন্তু আচমকা ওই চাকরি ছেড়ে দেন তিনি, ফিরে আসেন দেশে। মনোনিবেশ করেন কৃষিকাজে। প্রথমে এই কাজে চরম ব্যর্থ হন শশী কুমার। প্রায় ১০বার দেউলিয়া অবস্থা হয় তাঁর। কঠিন পরিস্থিতিতেও নিজের লক্ষ্য থেকে সরে আসেননি শশী। শেষমেষ কঠোর পরিশ্রমে মেলে সাফল্য। বর্তমানে শসী তাঁর কৃষি-উদ্যোগকে ৬০০ কোটি টাকার এক সমৃদ্ধ ব্যবসায়িক সাম্রাজ্যে পরিণত করেন।


শুধু পেশাগত জীন নয়, ব্যক্তিগত জীবনেও শশীকে নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছিল। বিকাশ জানান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে চাকরি ছেড়ে আসার পর শশীর বাবা প্রায় আট বছর তাঁর সঙ্গে কথা বলেননি। কারণ তিনি চাননি যে শশীও তাঁর মতোই কৃষিকাজ করুক।


শশী কুমারের সাফল্যের গল্প শেয়ার করে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিকাশ লেখেন, “পরিচিত হোন শশী কুমারের সঙ্গে, যিনি ব্যাঙ্গালোর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.টেক পাশ করেছেন। স্নাতক হওয়ার পর তিনি ১২ বছর উইপ্রোতে কাজ করেন। এরপর ‘অক্ষয়কল্প’ সংস্থা তৈরি করেন। এর মাধ্যমেই কৃষকদের সহায়তা করার লক্ষ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চাকরি ছেড়ে দেন। যা আজ বছরে ৬০০ কোটি টাকার ব্যবসা করছে।” 


বিকাশের দাবি, “প্রথম ৯ বছরে ৬ বার দেউলিয়া হওয়ার কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন শশী। তবে, তাঁর স্ত্রীর জমানো ৩০ লাখ টাকার সহায়তায় সংস্থাটি সেই কঠিন সময়গুলো পার করেছিল।”


“বর্তমানে ‘অক্ষয়কল্প’-এর সঙ্গে ২,৮০০ জন কৃষক যুক্ত আছেন। প্রতিটি কৃষককে মাসে ১.২৮ লাখ টাকা দেওয়া হয় এবং বার্ষিক অর্থ প্রদানের পরিমাণ ৪৮০ কোটি টাকা। আজ সংস্থাটি প্রতি মাসে ৬০ কোটি টাকা মুনাফা করছে।” 


বিকাশের সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টটি ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। এতে ৬০ হাজারেরও বেশি ভিউ এবং শত শত লাইক পড়েছে। বহু ব্যবহারকারী পোস্টে মন্তব্য করে শশীর দৃঢ় সংকল্পের প্রশংসা করেছেন। একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, “ঈশ্বর আপনার মঙ্গল করুন স্যার। তামিলনাড়ু এবং অন্ধ্রপ্রদেশেও এটা বাস্তবায়নের চেষ্টা করুন।” অন্য একজন লিখেছেন, “আমি ওদের ছাঁচ খেয়ে দেখেছি। স্বাদ অসাধারণ এবং বাজারে পাওয়া অন্য যেকোনও ব্র্যান্ডের চেয়ে এটি সেরা। শুধু দামটা একটু বেশি, তবে তা পুষিয়ে যায়।”  তৃতীয় ব্যবহারকারী লেখেন, “দারুণ এক যাত্রা, ভাই।”


তথ্যসূত্র: আজকাল অনলাইন