বুধবার, অক্টোবর ১৪, ২০২৬

এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদ্যাপন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ০৯:৪৩ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ০৯:৪৩ অপরাহ্ন
এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদ্যাপন

উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ (ইবিএইউবি)-এর ১৪তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস-২০২৬ উদ্যাপিত হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দিবসটি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ও স্থানীয় শহীদ সাটু মিলনায়তনে দিনব্যাপী নানা বর্ণাঢ্য কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।


সকাল সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কবুতর উড়িয়ে দিবসের কর্মসূচির উদ্বোধন ঘোষণা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সফিকুল বারী। এরপর শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ ফ্ল্যাশ মব অনুষ্ঠিত হয়। সকাল সাড়ে ১০টায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অংশগ্রহণে ক্যাম্পাস থেকে একটি বর্ণাঢ্য আনন্দ র‌্যালি বের করা হয়।


অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় ও সমাপনী পর্ব অনুষ্ঠিত হয় শহীদ সাটু মিলনায়তনে। শুরুতে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, গীতা পাঠ ও এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর আমন্ত্রিত অতিথিদের আসন গ্রহণের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা, অগ্রযাত্রা, শিক্ষা ও গবেষণায় অর্জন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।


প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন শেষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সফিকুল বারী। অনুষ্ঠানটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদ্যাপন কমিটি-২০২৬-এর আহ্বায়ক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম।


অনুষ্ঠানে এক্সিম ব্যাংক ফাউন্ডেশনের সিনিয়র সহকারী ভাইস প্রেসিডেন্ট মামুন-অর-রশিদ বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের (বিওটি) চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে স্বাগত বক্তব্য দেন। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও স্থানীয় বিশিষ্ট আমন্ত্রিত অতিথিরা বক্তব্য দেন।


আলোচনা সভায় বক্তারা উত্তরবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী কৃষি এবং আধুনিক বিজ্ঞান শিক্ষার প্রসারে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরবচ্ছিন্ন ভূমিকার প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে মানসম্মত উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সভাপতির সমাপনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে আলোচনা পর্ব শেষ হয়। পরে জোহরের নামাজ ও মধ্যাহ্নভোজের বিরতি দেওয়া হয়।


দিনব্যাপী আয়োজনের শেষ পর্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে জমকালো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন জেলার বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান, বিভিন্ন কলেজের অধ্যক্ষ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীরা।