হা-ডুডুকে আরও জনপ্রিয় করা হবে: এমপি মিলন
বাংলার জাতীয় খেলা হা-ডুডুকে আরও জনপ্রিয় করে তুলতে উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, বর্তমান সরকার যুবসমাজসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে খেলার মাঠে নিয়ে আসতে কাজ করছে। খেলাধুলার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের পৃষ্ঠপোষকতাও দেওয়া হচ্ছে।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাজশাহীর হড়গ্রাম ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের খিরশিন ফকিরপাড়া যুব সংঘ আয়োজিত হা-ডুডু টুর্নামেন্টের ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং আরাফাত রহমান কোকোর স্মরণে স্থানীয় আমবাগানে এ টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়।
টুর্নামেন্টের ফাইনালে খিরশিন ফকিরপাড়া ৫১-৩৬ পয়েন্টে রনি একাদশকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন বলেন, অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের প্রয়াত সদস্য ও ক্রীড়া সংগঠক জামানের অবদান স্মরণীয়। জাফর ইমামের পরেই ক্রীড়াঙ্গনে তাঁর অবস্থান ছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি। এ সময় তিনি জামানের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। পাশাপাশি ক্রীড়া সংগঠক ও খেলোয়াড়দের সুসংগঠিত করে মাঠে ফিরিয়ে আনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
আরাফাত রহমান কোকোর স্মৃতিচারণা করে সংসদ সদস্য বলেন, তিনি একজন নিবেদিতপ্রাণ ক্রীড়া সংগঠক ছিলেন। ক্রিকেটের প্রতি ভালোবাসা থাকলেও অন্যান্য খেলাধুলার পৃষ্ঠপোষকতাতেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
বর্তমান সরকারকে ক্রীড়াবান্ধব উল্লেখ করে মিলন বলেন, ইতিমধ্যে ‘নতুন কুঁড়ি’র মাধ্যমে ১২ লাখ ছেলেমেয়েকে মাঠে নিয়ে আসা হয়েছে। সরকার খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বাধ্যতামূলক করছে। এখন থেকে ভালো মানের কোনো খেলোয়াড় বেকার থাকবেন না। তাঁদের সরকারি সম্মানী দেওয়াসহ বিভিন্নভাবে চাকরিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আলহাজ কামাল হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন নওহাটা পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক মেয়র শেখ মকবুল হোসেন, পবা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ, হড়গ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক নাজিম উদ্দিন, সদস্যসচিব শাহিন রেজা সান্নান, মহানগর ছাত্রদলের সদস্যসচিব এমদাদুল হক লিমন, পবা উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব হাফিজুর রহমান হাফিজ, সমাজসেবক সাদেক আলী, রাজশাহী মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার আরিফুজ্জামান আরিফ এবং পবা উপজেলা যুবদলের সদস্য রবিউল ইসলাম আওয়াল।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন হড়গ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রুপালী বেগম, দামকুড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সেরাজুল ইসলাম বাঘু, সংরক্ষিত আসনের সদস্য আতেরা খাতুন, সমাজসেবিকা মৌসুমীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
বক্তব্য শেষে বিজয়ী ও রানারআপ দলের খেলোয়াড়দের হাতে ট্রফি ও নগদ অর্থ তুলে দেন প্রধান অতিথি। পুরো আয়োজনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন নজরুল ইসলাম ও সাগর আলী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আব্দুল জব্বার, জাবেদ আলী, পারভেজ আলী ও আশিক রেজা।