সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে নিহত নাটোরের দুই প্রবাসী শ্রমিকের মরদেহ গ্রামে দাফন সম্পন্ন
সৌদি আরবের রিয়াদে সোফা তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত নাটোরের বাকি দুই প্রবাসী শ্রমিকের মরদেহ (৩১ শনিবার, বিকাল ৩টায় নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার খাজুরা এলাকায় নিহতদের বাড়িতে মাত্র তাদের স্বজন ও প্রতিবেশীরা কান্নায় ভেঙে পড়েন।পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয় আজই খাজুরা কেন্দ্রীয় গোরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়।
এর আগে শনিবার সকাল ৮টা ৫ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি-৩৩৬ ফ্লাইটে মরদেহ দুটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌছায় বলে জানান স্থানীয় ইউপি সদস্য রইচ উদ্দিন।
নিহতদের মধ্যে নাটোরের দুজন হলেন নলডাঙ্গা উপজেলার দিঘীরপাড় গ্রামের মোহাম্মদ শামীম ও খাজুরা গ্রামের সাব্বির হোসেন। বাকি পাঁচজনের বাড়ি নওগাঁর আত্রাই উপজেলায়।
গত বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ দূতাবাস, রিয়াদের কাউন্সেলর মুহাম্মদ রেজায়ে রাব্বি স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ৯ আগস্ট রিয়াদের একটি সোফা তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ১৬ বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত হন। এর মধ্যে গত ২৭ আগস্ট নয়জনের মরদেহ দেশে পাঠানো হয়। বাকি সাতজনের পরিচয় ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতাও সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার সকালে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি-৩৩৬ ফ্লাইটে সাতজনের মরদেহ ঢাকায় পৌঁছাবে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
নাটোরের নলডাঙ্গায় নিহত সাব্বিরের মা সাবিনা বলেন, আমি সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছিলাম আমার সন্তানকে যেন আমার কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করে আমি সরকারের কাছে আর কিছু চাই না।
প্রসঙ্গত, ৯ আগস্ট রিয়াদের একটি সোফা তৈরির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৬ বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত হন।এর মধ্যে প্রথম দফায় গত ২৭ আগস্ট নয়জনের মরদেহ দেশে আসে। বাকি সাত জনের মধ্যে নাটোরের দুই জনসহ সবার পরিচয় শনাক্তের পর মরদেহ দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।