রবিবার, নভেম্বর ০১, ২০২৬

পাবিপ্রবিতে ১৬ তম বাংলাদেশ কেমিস্ট্রি অলিম্পিয়াড-২০২৭ অনুষ্ঠিত

পাবনা প্রতিনিধি ৩১ অক্টোবর ২০২৬ ১০:৩৩ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
পাবনা প্রতিনিধি ৩১ অক্টোবর ২০২৬ ১০:৩৩ অপরাহ্ন
পাবিপ্রবিতে ১৬ তম বাংলাদেশ কেমিস্ট্রি অলিম্পিয়াড-২০২৭ অনুষ্ঠিত

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে দিনব্যাপী ‘১৬তম বাংলাদেশ কেমিস্ট্রি অলিম্পিয়াড-২০২৭’ আঞ্চলিক রাউন্ডের প্রাথমিক পর্বের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।


শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে অতিথীরা জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এরপর পায়রা উড়িয়ে অলিম্পিয়াডের প্রথম পর্বের উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের শপথ পাঠ করানো হয়।


এরপর শিক্ষক- শিক্ষার্থী অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়। র‌্যালি ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ শেষে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন।


সকালের প্রথম পর্বের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. শামীম আহসান এবং বিজ্ঞান অনুষদের ডিন (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামান খান। রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. মোফাজ্জাল হোসেন।


এদিকে দুপুরে মিলনায়তনে অনুষ্ঠানের আয়োজক কমিটির আহবায়ক রতন কুমার পালের সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরণী ও সমাপনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা: শামীম।


উপাচার্য তার বক্তব্যে বলেন, কেমিস্ট্রি অলিম্পিয়াড তরুণ শিক্ষার্থীদের জন্য যে সুযোগ নিয়ে এসেছে তাতে নিজের চিন্তা বিস্তৃত করার মাধ্যমে অজানাকে জানার একটা প্ল্যাটফর্ম, নিজের সম্ভাবনাকে আবিষ্কার করার উপলক্ষ। সমস্যাকে সমাধান করা, প্রশ্ন করতে শেখার প্ল্যাটফর্ম। এ ধরনের প্রতিযোগিতা থেকে আন্তর্জাতিক জ্ঞান অর্জিত হতে পারে, ভবিষ্যতের জ্ঞানের মানদন্ড অর্জিত হতে পারে। ভবিষ্যৎ উচ্চ শিক্ষার জন্য সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতার একটা বড় সুযোগ হতে পারে।


তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ব্যক্তিগত সাফল্যের স্বপ্ন দেখবে না। জ্ঞানের প্রকৃত মর্যাদা নিহিত আছে মানুষের জীবনকে উন্নত করার মাধ্যমে। জ্ঞানকে দায়িত্বশীল কাজে ব্যবহার করতে হবে। শেখার আনন্দকে হারিয়ে ফেলা যাবে না। প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করে তুমি কতটা শিখছো, নতুন কতটা চিন্তা করতে পারছো, অর্জিত জ্ঞান দিয়ে মানুষের জন্য ইতিবাচক পরিবর্তন করার মাধ্যমেই প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করে।


উপাচার্য আয়োজকদের উদ্দেশ্যে বলেন, শহর ও গ্রামের শিক্ষার্থীদের মধ্যে যে বৈষম্য আছে, সেই বৈষম্য দূর করতে হবে। সবাই যাতে এ ধরনের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারে, সে ব্যবস্থা নিতে হবে। গ্রামের শিক্ষার্থীদের সব ধরনের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। বৈষম্য মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে হবে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।


এ সময় আরও বক্তব্য দেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোঃ শামীম আহসান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোফাজ্জাল হোসেন ও রতন কুমার পাল।


শেষে অলিম্পিয়াড প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।