রবিবার, আগস্ট ২৩, ২০২৬

ডাকাতির লুন্ঠিত মালামালসহ ৮ জন গ্রেফতার

WP Import ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১১:১৮ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
WP Import ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১১:১৮ অপরাহ্ন
ডাকাতির লুন্ঠিত মালামালসহ ৮ জন গ্রেফতার
ডাকাতির লুন্ঠিত মালামালসহ ৮ জন গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক:


রাজশাহীতে ডাকাতির লুন্ঠিত মালামালসহ ৮জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ডাকাতরা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে। মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টম্বর) রাজশাহী জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) রফিকুল আলমের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

গ্রেফতারকৃতরা গত ৫ সেপ্টেম্বরে রাত সাড়ে ৩ টায় তানোরের মালশিরা গ্রামের মোয়াজ্জেমুল হোসেনের বসতবাড়ির মেইন দরজা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে সকলকে গামছা দিয়ে হাত-পা ও মুখ বেঁধে ফেলে। এরপরে ৪টি ফোন, নগদ ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা, স্বর্ণের চেইন, কানের দুল হাতের আংটি’সহ ১টি মোটরসাইকেল লুণ্ঠন করে পালিয়ে যায়। এই ঘটনার পর মোয়াজ্জেমুল হোসেন বাদি হয়ে তানোর থানায় অজ্ঞাতনামা ৬ থেকে ৮ ব্যক্তির বিরুদ্ধে একটি ডাকাতি মামলা দায়ের করেন।

গ্রেফতারকৃতরা হলো- বগুড়ার আদমদিঘীর ছাতিয়ান চৌধুরীপাড়া গ্রামস্থ আ. সামাদ খোকার ছেলে শাহাদত হোসেন কলম (৩৩), নওগাঁ মান্দার আবিদ্যপাড়ার নাসির উদ্দিনের ছেলে শান্ত ইসলাম (২৬), পিরোজপুর নাজিরপুর বাকশির মৃত সামছু শেখের ছেলে বেলাল হোসেন (৩০), নওগাঁর ধোপাইলকুড়ির মৃত কছের ফকিরের ছেলে শুকুর আলী (৫২), জয়পুরহাট আক্কেলপুরের দারাড়কুলের মো. বাবুলের ছেলে শাকিল হোসেন (৪০), নওগাঁর বদলগাছীর রামশাপুরের মো. আমজাদ হোসেনের ছেলে রানা হোসেন (২৪) ও রাসেল হোসেন (২২), নওগাঁর খাঁস নওগাঁ চক এলাম ইদুর বটতলা গ্রামের মেছের আলীর ছেলে এখলাছ রহমান মিন্টু (৪২) গ্রেফতারকৃত অভিযুক্ত মো. শুকুর আলী।

পুলিশ জানায়, গত ৫ সেপ্টেম্বরে রাত সাড়ে ৩ টায় তানোরের মালশিরা গ্রামের মোয়াজ্জেমুল হোসেনের বসতবাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে এবং স্বর্ণালঙ্কার, মোটরসাইকেল ও নগদ টাকা লুণ্ঠন করে। পরবর্তীতে রাজশাহী জেলা পুলিশের ডিবির একটি চৌকস টিম অভিযুক্ত ৮ জন ডাকাতকে গ্রেফতার করে। ৭ নম্বর অভিযুক্তকে জয়পুরহাটের আক্কেলপুর থানাধীন তিলকপুর রেলষ্টেশন সংলগ্ন জনৈক মো. লিটন মোল্লার ভাড়া দেওয়া বাড়ি থেকে এবং ৮ নম্বর অভিযুক্ত এখলাছ রহমান মিন্টু’কে নওগাঁ সদর থানাধীন ইদুর বটতলা নামক স্থানে মনোরমা জুয়েলার্স থেকে গ্রেফতার করা হয়। ১৫ সেপ্টেম্বর তাদের রাজশাহীর বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে তারা ১৬৪ ধারায় তার অপরাধ স্বীকার করে বিজ্ঞ আদালতে জবানবন্দি প্রদান করেছে। তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হলে বিচারক তাদের কারাগারে প্রেরণ করে।