রবিবার, আগস্ট ২৩, ২০২৬

রাকসু নির্বাচন: স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী জোট নামে আংশিক প্যানেল, শীর্ষ তিন পদে দুই নারী

WP Import ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১০:১৯ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
WP Import ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১০:১৯ অপরাহ্ন
রাকসু নির্বাচন: স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী জোট নামে আংশিক প্যানেল, শীর্ষ তিন পদে দুই নারী
রাকসু নির্বাচন: স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী জোট নামে আংশিক প্যানেল, শীর্ষ তিন পদে দুই নারী

প্যানেল ঘোষণা করেন ভিপি পদপ্রার্থী তৌহিদুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

রাবি প্রতিবেদক:


রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনে ‘স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী জোট’ নামে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ৬ জন শিক্ষার্থীর একটি আংশিক প্যানেল। বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টায় রাকসু কোষাধ্যক্ষ কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই প্যানেল ঘোষণা করেন ভিপি পদপ্রার্থী তৌহিদুল ইসলাম।

এই প্যানেলে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থী তৌহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে আরবি বিভাগের শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান নুপুর এবং সহকারী সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষার্থী জান্নাত আরা নওশীন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

এছাড়া এই প্যানেল থেকে তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক পদে দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থী মো. মনিরুজ্জামান, সহকারী পরিবেশ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক পদে দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থী শাহিন আলম এবং কার্যনির্বাহী সদস্য পদে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মো. নাজমুল হক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জিএস পদপ্রার্থী নুসরাত জাহান নুপুর বলেন, আমাদের কাছে এই নির্বাচন কোনো পদ-পদবীর প্রতিযোগিতা নয়, বরং শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। রাকসু শুধু একটি ছাত্র সংসদ নয়, বরং শিক্ষার্থীদের অধিকার, স্বপ্ন ও সংগ্রামের প্রতীক। দীর্ঘ সময় পর নির্বাচন হতে যাচ্ছে, যা শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণের নতুন দ্বার উন্মোচন করবে।
তিনি আরও বলেন, অতীতে ছাত্র সংসদ কার্যকর না হয়ে ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠনের পেশিশক্তি প্রদর্শনের জায়গায় পরিণত হয়েছিল। এতে সিট দখল, চাঁদাবাজি, শিক্ষার্থী নির্যাতন এবং ভিন্নমত দমনের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। এ ধরনের আধিপত্যবাদী রাজনীতি ঠেকাতে শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ রাকসু প্রয়োজন।

এসময় ইশতেহার হিসেবে শিক্ষার্থীদের কল্যাণে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতির কথা করেন তিনি। এর মধ্যে রয়েছে- সেশনজট নিরসন, আবাসন সংকট মোকাবিলা, স্বাস্থ্যসম্মত খাবার নিশ্চিতকরণ, আধুনিক লাইব্রেরি ও গবেষণাসহায়তা বৃদ্ধি, পরিবহন সেবা সম্প্রসারণ, সাইবার বুলিং ও যৌন হয়রানি প্রতিরোধে “জিরো টলারেন্স” নীতি বাস্তবায়ন এবং প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সহায়তা নিশ্চিত করা প্রভৃতি।