রাকসু নির্বাচন : ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের প্যানেল ঘোষণা, ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে ভোট গণনার দাবি

প্যানেল ঘোষণা করেন রাবি শাখা ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি ও ভিপি পদপ্রার্থী মাহবুব আলম। ছবি: সংগৃহীত
রাবি প্রতিবেদক:
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনের জন্য ২৩ পদের বিপরীতে ১৩ জনের আংশিক প্যানেল ঘোষণা করেছে রাবি শাখা ইসলামী ছাত্র আন্দোলন। বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টায় রাকসু কোষাধ্যক্ষ কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই প্যানেল ঘোষণা করেন রাবি শাখা ছাত্র ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি মাহবুব আলম।
এসময় এসময় তিন দফা দাবি জানায় সংগঠনটি। দাবিগুলো হলো- নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য করার জন্য প্রত্যেক কেন্দ্রে সকল প্যানেলের পোলিং এজেন্টদের সমান সুযোগ দেওয়া, স্বচ্ছ ব্যালট বক্স স্থাপন এবং ভোট গননার ক্ষেত্রে ওএমআর পদ্ধতি ব্যবহার না করে ম্যানুয়েল পদ্ধতিতে ভোট গণনার করার দাবি জানাচ্ছি।
এই প্যানেলে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে রাবি শাখা সভাপতি মাহবুব আলম, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে রাবি শাখা সহ-সভাপতি শরিফুল ইসলাম এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে শাখার শাখার সাধারণ সম্পাদক পারভেজ আকন্দ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
এছাড়া সহকারী ক্রীড়া সম্পাদক পদে মো. শফিউল আলম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক পদে মো. জাহিদুল ইসলাম শরীফ, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক পদে মো. মাহবুব আলম, মিডিয়া ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক পদে মো. শাহরিয়ার জামান রিজন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মো. রবিউল আলম সিকদার, সহকারী সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মো. কাজিউল ইসলাম কাজল, বিতর্ক ও সাহিত্য সম্পাদক পদে মো. জোবায়ের হোসেইন জিহাদ এবং পরিবেশ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক পদে মো. তাহসিন আহম্মেদ প্রতিদ্বন্দিতা করবেন।
এছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য পদে আহসানুল ইসলাম শাওন এবং ইয়াছিন মিয়া প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
প্যানেলে সব পদে প্রার্থী না দেওয়ার বিষয়ে ভিপি পদপ্রার্থী মাহবুব আলম বলেন, সব পদে নিজেদের পদপ্রার্থী দিলে ট্যাগিং ও লেজুড়বৃত্তিকের প্রশ্ন আসতে পারে৷ এজন্য আমরা সবার জন্য সুযোগ রেখেছি৷ যাতে সম্মিলিতভাবে আমরা সবাই ছাত্রবান্ধব রাকসু গঠন করতে পারি৷
ঘোষিত প্যানেলে কোনাে নারী প্রার্থী না থাকার জবাবে তিনি বলেন, ডাকসুতে নারীরা প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করার ইচ্ছা পোষণ করার পর থেকেই সাইবার বুলিং এবং অশালীন মন্তব্যের স্বীকার হয়েছিল৷ এই জায়গা থেকে আমাদের নারী প্রার্থীরা নির্বাচনে আসছেন না৷ তবে, ভিপি হিসেবে আমার নাম প্রস্তাবক এবং সমর্থনকারী একজন নারী৷ এছাড়া রাকসুর ইতিহাসে এবারই প্রথম আমরা নারী প্রার্থীকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে দেখছি৷ যা সত্যি প্রসংশনীয়৷
হলে প্যানেল না দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা শুধু রাকসুতে নির্বাচন করছি৷ হলে আমাদের কোনাে প্রতিনিধি নেই, কেননা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতির যে অপসংস্কৃতি রয়েছে, দখলদারিত্ব রয়েছে তা হল কেন্দ্রীক হয়ে থাকে৷ সেজন্য, আমরা হলগুলোতে প্রকাশ্য কোনাে প্রার্থীতা করছিনা৷