রবিবার, আগস্ট ২৩, ২০২৬

পবায় এসএসসির বৃত্তিতে নওহাটা উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের সাফল্য

WP Import ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১০:০১ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
WP Import ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১০:০১ অপরাহ্ন
পবায় এসএসসির বৃত্তিতে নওহাটা উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের সাফল্য
পবায় এসএসসির বৃত্তিতে নওহাটা উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের সাফল্য

নিজস্ব প্রতিবেদক:


রাজশাহীর পবা উপজেলার নওহাটা উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় এবারের এসএসসি পরীক্ষার বৃত্তির ফলাফলে দারুণ সাফল্য অর্জন করেছে। বিদ্যালয়টির ১০ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। এর মধ্যে মানবিক বিভাগে ৩ জন ও বাণিজ্য বিভাগে ৭ জন রয়েছে। মানবিক বিভাগে বৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন— মোসা. যুবাইদা খাতুন, মোসা. যাইনাব খাতুন ও নওশীন নাবিলা। আর বাণিজ্য বিভাগে যারা বৃত্তি পেয়েছেন তারা হলেন— সাদিয়া তাসমিম, মোসা. মেঘলা খাতুন, সাবিকুন নাহার নাফিসা, প্রেমা রাণী সাহা, মোসা. ইতিলা খাতুন, মোসা. সাবরিনা খাতুন এবং মোসা. সুরাইয়া আক্তার মিম।

বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা জানায়, ভবিষ্যতে তারা উচ্চশিক্ষা গ্রহণের পর কেউ শিক্ষক, কেউ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, কেউ আইনজীবী, কেউ উদ্যোক্তা আবার কেউ ব্যাংকার হতে চান।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সামসুদ্দীন প্রামানিক বলেন, ‘এই অর্জন বিদ্যালয় ও শিক্ষার্থীদের গৌরব। আমরা শিক্ষার মান উন্নয়নে নিরলস কাজ করছি। সবার দোয়া চাই, যেন তারা ভবিষ্যতে বড় কিছু করতে পারে।’
জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৪ এর মাধ্যমিক বিদ্যালয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছিলেন সামসুদ্দীন প্রামানিক। শিক্ষাক্ষেত্রে অবদানের জন্য তিনি এ স্বীকৃতি পান। একইসঙ্গে বিদ্যালয়টিও উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা অর্জন করে। ডিজিটাল শিক্ষা ব্যবস্থায়ও প্রতিষ্ঠানটি এগিয়ে। বিদ্যালয়ের নিজস্ব ওয়েবসাইটে ভর্তি কার্যক্রম, নোটিশ, একাডেমিক ক্যালেন্ডার, ক্লাস রুটিন, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর তথ্য, পরীক্ষার ফলাফলসহ সব তথ্য সহজেই পাওয়া যায়।

বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি ও সাবেক ব্যাংকার আবু বাক্কার বলেন, ‘আমাদের শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে আন্তরিকভাবে কাজ করেন। দায়িত্বশীলতার কারণেই প্রতিবছর ভালো ফলাফল আসে।’
পবা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোতাহার হোসেন বলেন, ‘নওহাটা উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় সব সময় ভালো ফলাফল করে। মেয়েরা পড়াশোনার পাশাপাশি বিতর্কসহ নানা প্রতিযোগিতায়ও শীর্ষস্থান দখল করছে। নারী শিক্ষার উন্নয়নে বিদ্যালয়টির ভূমিকা প্রশংসনীয়।’