রবিবার, আগস্ট ২৩, ২০২৬

বৈদেশিক সহায়তা বাতিলে আপিল বিভাগের সিদ্ধান্তেও হতাশ ট্রাম্প

WP Import ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন আন্তর্জাতিক
WP Import ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন

 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফাইল ছবি: রয়টার্স

সোনার দেশ ডেস্ক:


যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক সহায়তা তহবিল একতরফাভাবে স্থগিতের বিরুদ্ধে দেওয়া নিম্ন আদালতের রায় বহাল রেখেছে আপিল বিভাগ। ফলে কংগ্রেস অনুমোদিত প্রকল্পের শত শত কোটি ডলার খরচ করতে এখন বাধ্য ট্রাম্প প্রশাসন। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
ডিস্ট্রিক্ট অব কলাম্বিয়া সার্কিটের আপিল আদালত শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) জানায়, নিম্ন আদালতের রায় স্থগিতের জন্য প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। অবশ্য সিদ্ধান্তের স্বপক্ষে কোনও ব্যাখ্যা আপিল বিভাগের তরফ থেকে দেওয়া হয়নি।

তবে মার্কিন প্রেসিডেন্টের নিযুক্ত সার্কিট বিচারপতি জাস্টিন ওয়াকার ভিন্নমত পোষণ করে বলেন, তিনি নি¤œ আদালতের সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখতেন।
ক্ষমতায় আসার পর বৈদেশিক সহায়তা ব্যাপকহারের কমিয়ে এনেছেন ট্রাম্প। তবে বিভিন্ন সহায়তা সংস্থার মামলার পর প্রশাসন জানায়, তারা ২০২৪ সালের জন্য বরাদ্দ সাড়ে ছয়শ কোটি ডলার চলতি বছর ব্যবহার করবে। অন্যদিকে, মার্কিন সহায়তা সংস্থা ইউএসএআইডির বরাদ্দ প্রায় চারশ কোটি ডলার আটকে দিয়েছে হোয়াইট হাউজ, যা এখন বিলুপ্তির শেষ ধাপে রয়েছে।

আপিল বিভাগের সিদ্ধান্তের কিছুদিন আগে এক নিম্ন আদালতের রায়ে বলা হয়, কংগ্রেস অনুমোদিত তহবিলের এক হাজার ১০০ কোটি ডলার সেপ্টেম্বরে মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই খরচ করতে প্রশাসনের পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

ওয়াশিংটন ডিসি জেলা আদালতের বিচারপতি আমির আলি বুধবার রায় দেন, প্রশাসন কেবল এক সিদ্ধান্তে অর্থ ব্যয় বন্ধ করতে পারে না। কংগ্রেস আইন পরিবর্তন করার আগ পর্যন্ত বরাদ্দ অর্থ ব্যয় করতে প্রশাসনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

এখন যদি বিচারক আলির রায় আপিল প্রক্রিয়ায় টিকে যায়, তবে কংগ্রেসকে পাশ কাটিয়ে বৈদেশিক সহায়তা বাতিলে বাধাপ্রাপ্ত হবেন প্রেসিডেন্ট।
মামলা চলমান অবস্থায় কংগ্রেসকে পাশ কাটাতে ‘পকেট রিসিশন’ কৌশল ব্যবহার করে বৈদেশিক সহায়তার চার বিলিয়ন ডলার আটকে রাখতে চান ট্রাম্প। মার্কিন বাজেট পরিচালক রাসেল ভট দাবি করেন, প্রেসিডেন্ট চাইলে রিসিশনের আবেদন করে ৪৫ দিন পর্যন্ত অর্থ আটকে রাখতে পারেন, যা কার্যত অর্থবছরের শেষদিন, অর্থাৎ ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ক্ষেপণ করবে।
হোয়াইট হাউজ জানায়, এই কৌশল সর্বশেষ ১৯৭৭ সালে ব্যবহৃত হয়েছিল।

এর আগে, মার্কিন সরকারের হয়ে কাজ করা সহায়তা সংস্থার প্রাপ্য অর্থ বুঝিয়ে দিতে ট্রাম্প প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালত।
তথ্যসূত্র: বাংলাট্রিবিউন