পাহাড়িয়াদের উচ্ছেদের ঘটনায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি:
পাহাড়িয়াদের উচ্ছেদের ঘটনায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল এগারোটায় শিক্ষক শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে রাজশাহী নগরীর ২ নং ওয়ার্ড মোল্লাপাড়া আদিবাসীপাড়ায় এই মানববন্ধন হয়। এই মানববন্ধন কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন, নজরুল ইসলাম, চেয়ারম্যান আদিবাসী গবেষণা পর্ষদ। বক্তব্য রাখেন, গোলাম সারোয়ার, শিক্ষক ইতিহাস বিভাগ (রাবি), শামীন ত্রিপুরা সাধারণ সম্পাদক বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ, প্রদীপ মার্ডী সাবেক শিক্ষার্থী (রাবি), আমানুল্লাহ খান শিক্ষার্থী, সাগর হোসেন সংস্কৃতি কর্মী, উজানী চাকমা।
কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন, জাতীয় আদিবাসী পরিষদের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক প্রদীপ লাকড়া, ইথার আরিফ মানবাধিকার কর্মী (সিসিবিভিও), সুবীর বর্ধন মুন সহ- সাধারণ সম্পাদক বিএমজেপি,কেন্দ্রীয় কমিটি,শামিমা সুলতানা মায়া, যুগ্ম সমন্বয়কারী জাতীয় নাগরিক পার্টি, রাজশাহী জেলা। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আদিবাসী জনগোষ্ঠীর পাহাড়িয়া সম্প্রদায়ের মানুষ যুদ্ধের আগে থেকে এখানে বসবাস করে আসছে, তারা এখানে বসবাস করবে তাদের বসবাসের অধিকার আছে। তাদের উচ্ছেদ করতে আসলে শক্ত হাতে দমন করা হবে, তারা বলেন ভূমির মালিক দাবিদার সাজ্জাদ হোসেন আদিবাসীদের ভয়-ভীত প্রদর্শন করে ও কিছু টাকা দিয়ে, খাসির ভোজ খাইয়ে বিদায় করতে চেয়েছিল। সরজমিনে ঘরে স্থলে এসে জানা যায় সাজ্জাদ ভাই হুমকি প্রদর্শন করত, বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মানুষকে দিয়ে মাঝেমধ্যে সেখান থেকে চলে যেতে বলতেন, তিন মাস আগে ইটের সীমানা প্রাচীর দেন, জায়গা খালি না করলে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দেন,তিনি বলতেন টাকা দিচ্ছি সে টাকা নিয়ে জায়গা খালি করতে,কারো কাছে গেলে জমিতো ছাড়তেই হবে, যে টাকা দিতে চেয়েছে সেটাও পাবে না।
এক সময় আদিবাসীরা ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে জমি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। বক্তারাও বলেন জমির বৈধ কাগজ থাকলে এতদিন কোথায় ছিলেন, এভাবে আদিবাসীদের উচ্ছেদ করা ঠিক হচ্ছে না, খুবই অমানবিক ঘটনা, আদিবাসীরা শান্তিপ্রিয় মানুষ, সকলের সাথে মিলে মিশে শান্তিতে বসবাস করে।বক্তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন ভূমিগ্রাসী সাজ্জাদ হোসেনকে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে হবে, আদিবাসীদের কোন প্রকার হুমকি প্রদর্শন ও হামলা করতে না পারে সেজন্য নিরাপত্তার জোরদার দাবি জানান।