রাকসুতে ‘সচেতন শিক্ষার্থী সংসদ’ নামে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের প্যানেল
রাবি প্রতিবেদক:
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনে ‘সচেতন শিক্ষার্থী সংসদ’ নামক প্যানেলে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করেছে রাবি শাখা ইসলামী ছাত্র আন্দোলন। মঙ্গলবার (২৬ আগষ্ট) বিকেলে রাকসু কোষাধ্যক্ষের কার্যালয় থেকে মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।
এই প্যানেলের ভিপি পদপ্রার্থী ফলিত রসায়ন ও রসায়ন প্রকৌশল বিভাগের ২০১৮-১৯ সেশনের শিক্ষার্থী মাহবুব আলম, জিএস পদপ্রার্থী আরবি বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের শিক্ষার্থী শরিফুল ইসলাম শরীফ, এবংএজিএস পদপ্রার্থী ডিভিএম ২০১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থী আশিকুর রহমান।
প্যানেলের অন্যরা হলেন- পারভেজ আকন্দ, জাহিদুল হাসান শরীফ, আহসানুল ইসলাম শাওন, কাজিউল ইসলাম কাজল, শাহরিয়ার রিজন, মাহবুব আলম (আরবি), শফিউল আলম, সৈকত।
মনোনয়ন ফর্ম জমা দেওয়ার সময় বাকি পদগুলো বণ্টন করা হবে।
মনোনয়ন পত্র সংগ্রহের পরে সংবাদ ব্রিফিং করেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় তথ্য, গবেষণা ও প্রযুক্তি সম্পাদক মুহাম্মদ ফয়জুল ইসলাম।
মুহাম্মদ ফয়জুল ইসলাম বলেন, আমরা ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ “সচেতন শিক্ষার্থী সংসদ” নামে প্যানেল ঘোষণা করেছি। কেননা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মাত্রেই সচেতন ও মেধাবী। আমরা সকলের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি।”
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মুহাম্মদ মাহবুব আলম বলেন, রাকসু নির্বাচন হলে শিক্ষার্থীরা তাদের নির্বাচিত প্রতিনিধি পাবে। ক্যাম্পাসে দীর্ঘ দিনের নেতৃত্বের সংকট কেটে যাবে। রাকসু নির্বাচনে পেশিশক্তির প্রভাবমুক্ত ও আধিপত্য বিস্তার রোধে এবং সচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে ভোটকেন্দ্র হলের পরিবর্তে একাডেমিক ভবনে স্থাপন, রাকসু নির্বাচনে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে, রাকসু নির্বাচন কমিশনকে সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনায় নিরেপক্ষ থাকতে হবে এবং সকল প্যানেলকে সম-সুযোগ সুবিধা দিতে জোর দাবি জানাচ্ছি।
তিনি বলেন, আমাদের প্যানেল নির্বাচিত হলে শতভাগ আবাসন সুবিধা ও আবাসনের মান উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ, রেজিস্ট্রার অফিসকে ডিজিটালাইজ করা, নিরাপদ, বৈষম্যহীন ও সহনশীল শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত, গবেষণাভিত্তিক স্কলারশিপ ও ল্যাব সুবিধা বৃদ্ধি, হলে ডাইনিং ও ক্যান্টিনের খাবারের মান উন্নয়ন, বিভাগ ও হল পর্যায়ে দুর্নীতি ও হয়রানি বন্ধে ছাত্র-অভিযোগ সেল গঠন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারের চিকিৎসা সেবার মানোন্নয়ন, ইন্টার্নশিপ ও স্কিল ট্রেনিং নিশ্চিতকরণ, সকল ছাত্র সংগঠনের রাজনৈতিক সহাবস্থান ও গঠনমূলক ছাত্র রাজনীতি প্রতিষ্ঠা এবং সকলকে সাথে নিয়ে একটি গণমুখী ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে প্রশাসনকে বাধ্য করার দীপ্ত প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি।