রবিবার, আগস্ট ২৩, ২০২৬

রাজশাহী-৩ আসনে তরুণদের ভোটেই পরিবর্তনের সূচনা হবে : জামায়াত প্রার্থী আবুল কালাম

WP Import ২৬ আগস্ট ২০২৫ ০৮:৩৩ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
WP Import ২৬ আগস্ট ২০২৫ ০৮:৩৩ অপরাহ্ন
রাজশাহী-৩ আসনে তরুণদের ভোটেই পরিবর্তনের সূচনা হবে : জামায়াত প্রার্থী আবুল কালাম
রাজশাহী-৩ আসনে তরুণদের ভোটেই পরিবর্তনের সূচনা হবে : জামায়াত প্রার্থী আবুল কালাম

নিজস্ব প্রতিবেদক:


আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনিত প্রার্থী অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদের সমর্থনে এক নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) বিকেলে পবা উপজেলার দুয়ারী মোড়ে আয়োজিত এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, অধ্যাপক আজাদ। ‘তারুণ্যের প্রথম ভোট দাঁড়িপাল্লার পক্ষে হোক’-এই স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত সভায় তিনি তরুণ ভোটারদের দেশের স্বার্থে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক আজাদ বলেন, “দেশের তরুণ সমাজ আজ জেগে উঠেছে। তারাই আগামীর বাংলাদেশের রূপকার। আমি বিশ্বাস করি, তরুণদের প্রথম ভোটটি কোনো ভুল জায়গায় যাবে না। এই ভোট হবে দেশের পক্ষে, ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে। এই একটি ভোটের মাধ্যমে দেশে নেতৃত্বের পরিবর্তন হতে পারে, সূচনা হতে পারে একটি সুন্দর ভবিষ্যতের।”
সভাপতির বক্তব্যে নওহাটা পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি মো. মাহাবুবুর রহমান বলেন, “অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ একজন সৎ, যোগ্য ও পরীক্ষিত নেতা। তার মতো একজন মানুষকে নির্বাচিত করতে পারলে এলাকার মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটবে।”

সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে এয়ারপোর্ট থানা জামায়াতের আমীর মাওলানা মো. শুজাউদ্দিন দেশের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে বলেন, “দেশে আজ এক ক্রান্তিকাল চলছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য একজন সৎ ও আল্লাহভীরু নেতার কোনো বিকল্প নেই।”

নওহাটা পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড সেক্রেটারি আতাউর রহমান আশিকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন এয়ারপোর্ট থানা জামায়াতের নায়েবে আমীর মো. রফিকুল ইসলাম বকুল এবং সেক্রেটারি মাওলানা মো. কাজিমুদ্দিন। বক্তারা আবুল কালাম আজাদের দীর্ঘ রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকা-ের কথা তুলে ধরে তাকে এলাকার উন্নয়নের কা-ারি হিসেবে আখ্যা দেন।

উল্লেখ্য, পবা ও মোহনপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত রাজশাহী-৩ আসনে ভোটার সংখ্যা ৪ লাখের বেশি। গত ফেব্রুয়ারিতে রাজশাহী মহানগর জামায়াতের এক সভায় অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদকে এই আসনের জন্য দলীয় প্রার্থী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই তিনি নির্বাচনী এলাকায় নিয়মিত গণসংযোগ ও বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। এই জনসভাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে।