রবিবার, আগস্ট ২৩, ২০২৬

বর্তমানে স্বচ্ছতম প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের চেষ্টা করা হচ্ছে: রাবি প্রশাসন

WP Import ২৫ আগস্ট ২০২৫ ১০:৪৭ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
WP Import ২৫ আগস্ট ২০২৫ ১০:৪৭ অপরাহ্ন
বর্তমানে স্বচ্ছতম প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের চেষ্টা করা হচ্ছে: রাবি প্রশাসন
বর্তমানে স্বচ্ছতম প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের চেষ্টা করা হচ্ছে: রাবি প্রশাসন

রাবি প্রতিবেদক:


রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) মনোবিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষক নিয়োগ বোর্ডে অনিয়মের অভিযোগ এনে রোববার (২৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় উপাচার্য ভবনের সামনের রাস্তায় বিক্ষোভ করেছিলেন কিছু শিক্ষক ও শিক্ষার্থী। এবিষয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে বিবৃতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বিবৃতিতে বর্তমানে স্বচ্ছতম প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে দাবি করেছে কর্তৃপক্ষ।
সোমবার (২৫ আগস্ট) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে উচ্চমান বজায় রাখার জন্য একটি মানসম্মত নীতিমালা ও বর্তমান বাস্তবতায় উপযোগী প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি বিভাগে শিক্ষক নিয়োগও সম্পন্ন হয়েছে এবং এ নিয়োগ বিভিন্ন মহলে বেশ প্রশংসিত হয়েছে। এসময় মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ার নির্বাচনী বোর্ড চলাকালে অনিয়মের অভিযোগ এনে শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া বন্ধ করার দাবিতে বিক্ষোভ ও বিভিন্ন মন্তব্য একান্তভাবে দুঃখজনক ও বিভ্রান্তিকর।

বর্তমান নিয়োগ প্রক্রিয়া বিষয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আবেদনকারীদের লিখিত পরীক্ষা গ্রহণ করা হচ্ছে। স্বচ্ছতম প্রক্রিয়ায় লিখিত পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে বিজ্ঞাপিত পদের কমবেশি ৩ গুণ প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার ভিত্তিতে নির্বাচনী বোর্ড কর্তৃক সুপারিশকৃত প্রার্থীদের সিন্ডিকেট কর্তৃক অনুমোদনের পর নিয়োগ প্রদান করা হয়।
নীতিমালা অনুযায়ী বিভাগীয় প্ল্যানিং কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে স্নাতক/স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর পরীক্ষায় প্রথম থেকে সপ্তম স্থান অধিকারীদের পরীক্ষায় উপস্থিতির জন্য প্রবেশপত্র প্রদান করা হয়। বুয়েটসহ দেশের বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার রেজাল্টে মেধাক্রমের বিষয়টি উল্লেখ না থাকায় প্রাথমিক পর্যায়ে প্রার্থীদের মেধাক্রমের প্রমাণপত্র না থাকলেও পরীক্ষার প্রবেশপত্রে স্পষ্টভাবে শর্ত উল্লেখ করে প্রাসঙ্গিক প্রমাণপত্র আনার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।

মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মনোবিজ্ঞান বিভাগের প্ল্যানিং কমিটির নোটে উল্লেখিত মনোবিজ্ঞান বিভাগের একজন প্রার্থীকে অন্যদের মতো সুযোগ দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি মেধাক্রম সংক্রান্ত দালিলিক কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হওয়ায় তার প্রার্থীতা বিবেচিত হয়নি। অভিযোগে উল্লেখিত আরেকজন প্রার্থীর ক্ষেত্রে বিভাগের প্ল্যানিং কমিটি মেধাক্রমের কোনো তথ্য উল্লেখ করেনি; বরং তার আবেদন সুপারিশকৃত হিসেবে প্রেরণ করে। নির্বাচনী বোর্ডে যাচাই-বাছাইয়ে উক্ত প্রার্থীও মেধাক্রমের দালিলিক প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি। সঙ্গত কারণে তার প্রার্থীতাও বিবেচিত হয়নি।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অতীতে বিভিন্ন সময়ে অভিযোগ এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে বর্তমানে স্বচ্ছতম প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কর্তৃপক্ষ শিক্ষক নিয়োগে একটি মানের দৃষ্টান্ত স্থাপনের চেষ্টা করছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ একটি চলমান প্রক্রিয়া। শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য মেধা ও মননশীলতার বিবেচনায় যোগ্য প্রার্থীরা নিয়োগ পাবে এটা একান্তভাবে প্রত্যাশিত। শিক্ষক নিয়োগের প্রচলিত কার্যক্রমসহ ইতিবাচক কর্মকা-ে কর্তৃপক্ষ সকলের সহযোগিতা প্রত্যাশা করছে।