নাটোর পৌরসভার ড্রেন নির্মাণ নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ আহত ৭
নাটোর শহরতলীর উলিপুর এলাকায় পৌরসভার ড্রেন নির্মাণ নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ৭ জন আহত হয়েছে। আহতদের নাটোর সদর ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় বুধবার (৪ মার্চ) দুপুরের দিকে রেন্টু বাদী হয়ে ১১ জনকে নামীয় এবং অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জনকে আসামি করে নাটোর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আহতরা হলেন, ওয়াহেদ মৃধার ছেলে ইয়াকুব ও রেন্টু মৃধা, ইয়াকুব মৃধার স্ত্রী রোজিনা ও মেয়ে ইশা খাতুন, ফরিদ মৃধার ছেলে সোহেল মৃধা, যোহর মৃধার স্ত্রী আছিয়া এবং ফরিদ মৃধার ছোট ছেলে ইমন।
পুলিশ ও ভ্তুভোগীরা জানান, তাদের বাড়ি সংলগ্ন রাস্তার পাশে নাটোর পৌরসভার ড্রেন নিমাণের কাজ চলছে। ওই ড্রেনের পাশেই নিজ বাড়ি ও দোকান। ড্রেনের প্রয়োজনীয় জমি পূরণে তারা নিজ দলিলীয় সম্পত্তি দিয়ে দোকানে বসার জন্য সরকারি কিছু জমি রাখতে চান। পৌর ও ঠিকাদার তা মেনে নিলে এতে অভিযুক্ত প্রতিবেশী ইসমাইল এবং নাটোর পুলিশ লাইন্স মসজিদের ইমাম ওসমানসহ একই পরিবারের প্রায় ১৫ সদস্যরা তাতে বাঁধ দেয় ।
এনিয়ে তর্কাতর্কির জেরে মঙ্গলবার ইফতারের আগে দেশীর অস্ত্রসহ ক্যাডার বাহিনী নিয়ে হামলা করে অভিযুক্তরা। এতে ৭ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে গুরুতর ২ জনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ৫ জনকে নাটোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মামলার বাদী রেন্টু লিখিত এজাহারে উল্লেখ করেন বিবাদীগণ পূর্বশত্রুতার ধরে প্রায় সময় আমাদের অন্যায় অত্যাচার করে থাকে। মঙ্গলবার বিকাল অনুমান ৫.৩০ টার দিকে উলুপুর আমহাটি বাড়ির সামনে তাদের ভাড়া করা ক্যাডার বাহিনী এনে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে।
এক পর্যায়ে তারা হাসুয়া, লাঠি, হাসুয়া, লোহার রড দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাথাড়ী ভাবে মারপিট করে গুরুতর ফোলা জখম করে।
এসময় আমার ভাই ইয়াকুব মৃধা. ভাতিজি মোছা. ইশা খাতুন ও ভাবী রোজিনা, বেগম প্রতিবাদ করলে বিবাদীগণ তাদেরকে চুলের মুঠি ধরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারপিট করে এবং তাদের স্বর্ণের একটি চেন, কেড়ে নেয়।
এছাড়া টেনে হেঁচড়ে তাদেরকে শ্লীলতাহানী করে।
এবিষয়ে সদর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বুধবার দুপুরে জানান, ওই ঘটনায় মামলা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।