শুক্রবার, আগস্ট ২৮, ২০২৬

আজ চাঁদ দেখা গেলে কাল ইদ

নিজস্ব প্রতিবেদক ১৮ মার্চ ২০২৬ ১১:১৩ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
নিজস্ব প্রতিবেদক ১৮ মার্চ ২০২৬ ১১:১৩ অপরাহ্ন
আজ চাঁদ দেখা গেলে কাল ইদ

আজ বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দেশের আকাশে শাওয়ালের চাঁদ দেখা গেলে পরের দিন শুক্রবার (২০ মার্চ) ইদুল ফিতর উদযাপিত হবে। আর দেশের কোথাও চাঁদ দেখা না গেলে শুক্রবার রমজান মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হবে এবং সেক্ষেত্রে ইদ উদযাপিত হবে শনিবার (২১ মার্চ)।


সৌদি আরবে বুধবার ১৪৪৭ হিজরি সনের শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে দেশটিতে শুক্রবার (২০ মার্চ) উদযাপিত হবে পবিত্র ইদুল ফিতর। দুই মসজিদভিত্তিক ওয়েবসাইট ইনসাইড দ্য হারামাইন এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। চাঁদ দেখা না যাওয়ায় এবার দেশটির মানুষ ৩০টি রোজা রাখবেন।


সংযুক্ত আরব আমিরাতের ইংরেজি দৈনিক গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়ে বলা হয়েছে, সৌদি আরবে আগামী ২০ মার্চ (শুক্রবার) পবিত্র ইদুল ফিতর উদযাপিত হবে। বুধবার (১৮ মার্চ) দেশটিতে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা না যাওয়ায় ওই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। সাধারণত সেীদি আরবের ইদ-আয়োজনের পরদিন বাংলাদেশে ইদুল ফিতর উদযাপিত হয়। সে অনুযায়ী বাংলাদেশে শনিবার (২১ মার্চ) ইদ উৎসব পালিত হওয়ার কথা।


তুরস্ক ও সিঙ্গাপুর গতানুগতিক চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর না করে জ্যোতির্বিজ্ঞানের গণনার ভিত্তিতে দেশ দুটি পৃথক দুই দিনে ইদ উদযাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।


তুরস্কের কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করেছে, দেশটিতে আগামী ২০ মার্চ (শুক্রবার) ইদুল ফিতর পালিত হবে। জ্যোতির্বিজ্ঞানের গণনা অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার তুরস্ক ও এর আশপাশের অঞ্চল থেকে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর ভিত্তিতেই শুক্রবার ইদের দিন ধার্য করা হয়েছে।


অন্যদিকে, সিঙ্গাপুর নিশ্চিত করেছে যে, দেশটিতে ইদুল ফিতর উদযাপিত হবে আগামী ২১ মার্চ (শনিবার)। জ্যোতির্বিজ্ঞানের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বৃহস্পতিবার সিঙ্গাপুর থেকে চাঁদ দেখা সম্ভব হবে না।


পবিত্র ইদুল ফিতর শুক্রবার না শনিবার তা স্পষ্টত জানা যাবে আজ বৃহস্পতিবার। এ দিন সন্ধ্যায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে ইদুল ফিতরের তারিখ নির্ধারণে সভা করবে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি।


তবে দেশের মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকেরা মুখিয়ে আছে ইদ-উৎসবে সামিল হতে। স্বাভাবিকভাবেই ইদ-উৎসবকে স্বাগত জানাতে সামর্থ অনুযায়ী কেনাকাটার প্রস্তুতি চলছে। বিপনি-বিতানগুলোতে তার প্রভাব লক্ষ করা যাচ্ছে। ইদগাগুলো প্রস্তুত করা হচ্ছে। ইদগাহে মুসলিমরা বুকে বুকে মিলবে আর সৌহার্দ- সম্প্রীতর বার্তা ছড়িয়ে দিবে। 


এক মাস সিয়াম সাধনার পর ইদ উৎসব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যময়। এটি মুসলমানদের উৎসব হলেও এর তাৎপর্য- সর্বস্তরের মানুষের মহামিলন। এই মিলন সম্প্রীতি ও শান্তির, ভ্রাতৃত্বের। সম্পীতি, শান্তি, ভ্রাতৃত্ব-বন্ধনে উৎসবমুখর ইদ  তাৎপর্যময় হয়ে উঠবে। 


রমজান মাস সংযমের। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি ও কৃপা লাভের মধ্য দিয়ে বিগত জীবনের পাপরাশি থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার আশায় রোজা পালন করেছেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। কোরআন পাঠ করেছেন, দান খয়রাত করেছেন, মগ্ন থেকেছেন বেশি বেশি ইবাদত-বন্দেগিতে। মাসব্যাপি এই সিয়াম সাধনার পরিসমাপ্তি ঘটবে ইদে-আনন্দ অনুভবের মধ্য দিয়ে।