ধামইরহাটে রাতের আঁধারে কীটনাশক প্রয়োগে বোরো ধান বিনষ্ট
ধামইরহাটে পূর্ব শত্রুতার জেওে দুবৃত্তরা রাতের আঁধারে কীটনাশক প্রয়োগ কওে বোরো ধানের খেত নষ্ট করে দিয়েছে। এর ফলে কৃষক ব্যাপকভাবে ক্ষতির শিকার হয়েছেন।
উপজেলার ১নং ধমইরহাট ইউনিয়নের অন্তর্গত শিবরামপুর বেনীদুয়ার মিশনপাড়া বসবাসকারী ক্লেমেন্ট তপ্ন জানান, শিবরামপুর মৌজার জে এল নং ৯৪ আর এস খতিয়ান নং ২২৩ দাগ নং ৪২৩ জমি ৫১ শতাংশ, দাগ নং ৬৩৩ জমির পরিমাণ ২৫ শতাংশ এবং দাগ নং ৬৩৫ জমির পরিমাণ ১. ০৭ শতাংশ মোট ২.২৩ শতাংশ জমি, উক্ত জমিতে আমি সহ আমার ওয়ারিশগণ ভাগ বন্টন করে দীর্ঘদিন যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ দখল করে আসতেছি। কিন্তু চলতি মৌসুমে ২.২৩ শতাংশ সম্পত্তিতে বোরো ধানের চারা রোপন করেছি এবং পরিচর্যা অন্তে ধান পরিপক্ক হয়েছে এমন অবস্থায় ১৮/৪/২০২৬ তারিখে দিবাগত রাত্রির যে কোন সময় বিবাদি মোঃ আশরাফুল ইসলাম গং জমিতে অনধিকার প্রবেশ করে আমাদের ফসলের জমিতে বড় ধরনের ক্ষতি করার নিমিত্তে ক্ষতিকর কীটনাশক স্পে করেছেন। জমি রোপনের পর থেকেই বিভিন্ন ভাবে ভয়-ভীতি ও হুমকিও প্রদান করে আসছেন।
এছাড়াও আমাদের গ্রামের দুইজন কৃষি শ্রমিক দীপ্ত হেমরম এবং অনন্ত হাসদাকে অধিক বকশিশ প্রদানের প্রলোভনে ক্ষতিকর কীটনাশক রাতে স্প্রে করার জন্য বললে, তারা রাতের আঁধারে ক্ষতিকর কীটনাশক প্রয়োগে অসম্মত হন। আশরাফুল ইসালাম গং ১৮/০৪/২০২৬ দিবাগত রাতে আমাদের জমিতে ক্ষতিকর কীটনাশক স্প্রে করার ফলে আনুমানিক ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা টাকার ফসলের ক্ষতি সাধিত হয়েছে। এছাড়াও পরবর্তীতে আমাদের আরো বড় ধরণের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনাও বিদ্যমান রয়েছে। এই বিষয়ে আমরা ধামইরহাট থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি।
আশা রাখি সুষ্ঠু তদন্ত করে আমাদের ন্যায় বিচার প্রদান করবেন। অপরদিকে বিবাদী আশরাফুলের বাড়িতে সাংবাদিকেরা যোগাযোগ করতে গেলে তাকে বাসায় পাওয়া যায়নি, ফোন নাম্বারে কল দিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। এই বিষয়ে থানায় যোগাযোগ করলে ধামইরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ মিন্টু রহমান সাংবাদিকদের জানান আমরা অভিযোগ পেয়েছি সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।