বুধবার, সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৬

বারমুডা ট্রায়াঙ্গলের কাছেই হদিশ রহস্যময় ‘ডুবন্ত’ শহরের! ভিনগ্রহীদের তৈরি?

সোনার দেশ ডেস্ক ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০১:০৪ অপরাহ্ন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
সোনার দেশ ডেস্ক ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০১:০৪ অপরাহ্ন
বারমুডা ট্রায়াঙ্গলের কাছেই হদিশ রহস্যময় ‘ডুবন্ত’ শহরের! ভিনগ্রহীদের তৈরি?

বারমুডা ট্রায়াঙ্গল এক রহস্যের নাম। তাকে ঘিরে রয়েছে হাজারও কাহিনি। উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের এই নির্দিষ্ট অংশকে ঘিরে কৌতূহলের কোনও নিবৃত্তি নেই আজও। কিন্তু এবার শোনা গেল নতুন ‘কাহিনি’! বারমুডার কাছেই নাকি রয়েছে এক সুপ্রাচীন শহরের ধ্বংসাবশেষ! এমনই দাবি এক স্বঘোষিত ইউএফও বিশেষজ্ঞ স্কট সি ওয়ারিংয়ের।


উল্লেখ্য, রহস্যের খনি বারমুডা ট্রায়াঙ্গল। এই আশ্চর্য ত্রিভুজ ঘিরে বিস্ময়ের খনি জমা হয়ে রয়েছে অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমী মানুষদের মনে! কন্সপিরেসি থিয়োরি অর্থাৎ যাঁরা উদ্ভট সব তত্ত্বে বিশ্বাসী, তাঁদের কাছে এই ট্রায়াঙ্গলের স্থানমহিমা বলে বোঝানোর নয়। এবার তার কাছেই খোঁজ মিলল রহস্যময় শহরের। হঠাৎ কী করে এমন এক ‘আবিষ্কার’ করে ফেললেন ওয়ারিং?


আসলে সারা পৃথিবীর সমুদ্রতলের একটা বিস্তৃত অনলাইন মানচিত্র তৈরি করা হচ্ছে। ২০৩০ সালের মধ্যেই সেই মানচিত্র নির্মাণ সম্পূর্ণ হয়ে যাবে। আর সেই মানচিত্র নিয়ে গবেষণা করতে গিয়েই নাকি ওয়ারিং বারমুডার কাছে এক অস্পষ্ট, প্রায় সমান্তরাল এবং পরস্পর-ছেদী রেখা দেখতে পেয়েছেন। একটি ইউটিউব ভিডিওয় এমনই দাবি করেছেন তিনি।


ওয়ারিং বলেছেন, ‘’এখানে এমন অনেক জ্যামিতিক আকৃতি দেখা যাচ্ছে, যা ইঙ্গিত দিচ্ছে নিচে এমন কিছু আছে যা রীতিমতো বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগ করেই তৈরি করা হয়েছিল।’’ তবে এখানে একটা কথা বলে রাখা ভালো, কোনও প্রত্নতাত্ত্বিক বা সমুদ্রবিজ্ঞানী কিন্তু ওয়ারিংয়ের দাবিকে সমর্থন বা বিরোধিতা কিছুই করেননি। এখনও পর্যন্ত বিষয়টি ওয়ারিংয়ের নিজস্ব পর্যবেক্ষণই। কিন্তু তিনি নিশ্চিত ওই স্থান কোনও প্রাকৃতিক বস্তু হতেই পারে না।


‘’এই শহর কে তৈরি করেছে? মানুষ নাকি এলিয়েন?’’ নিজেই এমন প্রশ্ন উসকে দিয়েছেন ওয়ারিং। তবে শেষপর্যন্ত তাঁর ভোট মানুষেই। জ্যামিতিক নকশাটি এমনই আদিম পর্যায়ের যে তা সেযুগের মানুষের তৈরি হওয়াই স্বাভাবিক। তবে সেবিষয়েও নিশ্চিত নন ওয়ারিং। তবে যারই তৈরি হোক, শহরটি আটলান্টিসের সমসাময়িক, তাতেই নিশ্চিত তিনি।


কী করে ধ্বংস হয়ে গেল এমন এক শহর? ওয়ারিং মনে করছেন, হয়তো নেপথ্যে রয়েছে শক্তিশালী ভূমিকম্পের ‘তীব্র কামড়’। যার ধাক্কায় দ্বীপটি ভেঙে পড়ে। যার ফলে প্রবাল প্রাচীর এবং এর ওপর নির্মিত সবকিছু সমুদ্রে ধসে পড়েছিল। অর্থাৎ পুরো দ্বীপটি তলিয়ে গিয়েছিল। এখন স্রেফ রয়ে গিয়েছে চিহ্ন!


তথ্যসূত্র: সংবাদ প্রতিদিন অনলাইন