বুধবার, অক্টোবর ১৪, ২০২৬

সিংড়ায় সার নিয়ে অনিয়মে পাঁচ ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড, জব্দ ২৬১ বস্তা

সিংড়া প্রতিনিধি ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০:০৯ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
সিংড়া প্রতিনিধি ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০:০৯ অপরাহ্ন
সিংড়ায় সার নিয়ে অনিয়মে পাঁচ ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড, জব্দ ২৬১ বস্তা

নাটোরের সিংড়ায় অবৈধভাবে সার মজুত, বেশি দামে বিক্রি ও সরকারি সার বিক্রিতে অনিয়মের অভিযোগে পৃথক অভিযানে পাঁচ ব্যবসায়ীকে মোট ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে দুই ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ডের পাশাপাশি সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অভিযানে ২৬১ বস্তা সার জব্দ করা হয়।


মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টা থেকে ১২টা পর্যন্ত উপজেলার ডাহিয়া ইউনিয়নের বড়গ্রাম বাজারে অভিযান চালিয়ে চার ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড করা হয়। পরে বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ছাতারদিঘী ইউনিয়নের কালীগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে আব্দুর রাজ্জাক নামে আরও এক ব্যক্তিকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।


সার ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৬-এর ধারা ১২ এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ধারা ৪০ অনুযায়ী এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ও দণ্ডাদেশ দেন সিংড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিশাত আনজুম।


বড়গ্রাম বাজারে অভিযানে সোহেল হোসেনের দোকান থেকে ৮ বস্তা সার জব্দ করে তাঁকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। আব্দুস সালামের কাছ থেকে ৫৩ বস্তা সার জব্দ করে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।


এ ছাড়া আবুল হাসেমের কাছ থেকে ৫৩ বস্তা সার জব্দ করা হয়। তাঁকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের পাশাপাশি সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অপর ব্যবসায়ী মোবারকের কাছ থেকে ১৪৭ বস্তা সার জব্দ করে তাঁকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।


অভিযানে সর্বমোট ২৬১ বস্তা সার জব্দ এবং চার ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৮০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়।


অন্যদিকে, বুধবার দুপুর ১টায় ছাতারদিঘী ইউনিয়নের কালীগঞ্জ এলাকায় সরকারি সার বিক্রিতে অনিয়মের অভিযোগে আব্দুর রাজ্জাককে সার ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৬-এর ধারা ১২ অনুযায়ী ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।


অভিযানে সিংড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা খন্দকার ফরিদ হাসান উপস্থিত ছিলেন।


সিংড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিশাত আনজুম বলেন, অবৈধভাবে সার মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি কিংবা বেশি দামে বিক্রির মাধ্যমে কৃষকদের হয়রানি করা হলে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কৃষকদের স্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।