২ দিন পর পদ্মায় ভেসে উঠল নিখোঁজ ছাত্রদল নেতার লাশ
পাবনার ঈশ্বরদীতে পদ্মা নদীর হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে ট্রলার দুর্ঘটনায় নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পদ্মায় ভেসে উঠল নিখোঁজ ছাত্রদল নেতা রাকিবুজ্জামান রকির লাশ। মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঈশ্বরদীর লক্ষ্মীকুন্ডা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) খন্দকার শফিকুল ইসলাম। গতকাল রোববার সকালে ঈশ্বরদী উপজেলার লক্ষ্মীকুন্ডা ইউনিয়নের পদ্মার শাখা নদী (আকাতের ঘাট) থেকে রকির মরদেহ উদ্ধার করে নৌ-পুলিশ সদস্যরা। মৃত রাকিবুজ্জামান রকি ঝিনাইদহের শৈলকূপা পৌরসভার কবিরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় পাড়া এলাকার হাসান আলীর ছেলে। তিনি শৈলকূপা পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব।
নৌ- পুলিশ সদস্যরা জানান, রোববার সকালে পদ্মার শাখা নদীতে রকির মরদেহটি ভেসে যেতে দেখে স্থানীয় লোকজন পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ নদী থেকে লাশ উদ্ধার করে নিশ্চিত হন এটি নিহত রকির মরদেহ।
পুলিশ ও স্থানীয়দের ভাষ্য, কাতলাগাড়ী গড়াই নদী থেকে গত শুক্রবার সকালে বড় একটি ট্রলারে চড়ে ভেড়ামারার হযরত সোলায়মান শাহ্ এর মাজার ও রাজশাহী হয়ে ঈশ্বরদীর রূপপুর পর্যন্ত পিকনিক করতে নৌকা ভ্রমণে বের হন সেখানকার ১২৩ জনের একটি দল। ভ্রমণ শেষে তারা নিজ এলাকায় ফেরার পথে রাত ৯টার দিকে পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রিজের ৫ নম্বর পিলারের সঙ্গে ট্রলারটির ধাক্কা লাগে। এ সময় কয়েকজন ওই ট্রলার থেকে নদীতে ছিটকে পড়েন। দুর্ঘটনার পর রাকিবুজ্জামান রকিসহ তিনজন নিখোঁজ হন। পরে নৌ-পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা অভিযান চালিয়ে মো. লিটন (৩৮) ও মো. ওয়াহাব (৪৫) নামে দুজনকে জীবিত উদ্ধার করে। ৩ জনের মধ্যে গত দুই দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন ছাত্রদল নেতা রকি।
ঈশ্বরদীর লক্ষ্মীকুন্ডা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) খন্দকার শফিকুল ইসলাম জানান, রকির মরদেহ পুলিশ হেফাজতে নিয়ে আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের সদস্যদের নিকট হস্তান্তর করা হবে।