বুধবার, অক্টোবর ১৪, ২০২৬

এফএইচ অ্যাসোসিয়েশনের ‘চলো পড়তে শিখি’ সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০:৩২ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
নিজস্ব প্রতিবেদক ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০:৩২ অপরাহ্ন
এফএইচ অ্যাসোসিয়েশনের ‘চলো পড়তে শিখি’ সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠিত

রাজশাহীতে এফএইচ অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে ‘চলো পড়তে শিখি’ সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠিত হয়েছে। তিন উপজেলার ৭০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২১০ জন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকের মধ্যে সেরা ১৫টি বিদ্যালয়ের ৩০ জন শিক্ষক এতে অংশ নেন।


শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বায়া আশ্রয় টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে রাজশাহী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এ কে এম আনোয়ার হোসেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সাইফুল ইসলাম এবং তানোর, গোদাগাড়ী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সংস্থাটির ঢাকা কান্ট্রি অফিস ও স্থানীয় এরিয়া প্রোগ্রামের কর্মকর্তা এবং ২৪ জন ডেভেলপমেন্ট ফ্যাসিলিটেটর উপস্থিত ছিলেন।


অনুষ্ঠানে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সাইফুল ইসলাম বলেন, অন্যান্য এনজিওর মতো এফএইচ ভালো স্কুলগুলোতে বেছে বেছে কাজ করেনি, বরং যেসব স্কুলে সত্যিই সাপোর্ট প্রয়োজন তাদের বেছে নিয়েছে। তারা দুর্গম এলাকা ও আদিবাসী অধ্যুষিত স্কুলগুলোতে কাজ করে সফলও হয়েছে।” শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা যেন কোনো সংস্থার মুখাপেক্ষী না হয়ে নিজেরা উদ্যোগী হয়ে উন্নতির চেষ্টা করেন।


রাজশাহী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এ কে এম আনোয়ার হোসেন বলেন, এফএইচের কর্মসূচি শেষ হলেও শিক্ষকরা যেন শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নের কাজ অব্যাহত রাখেন। অর্জিত প্রশিক্ষণ দৈনন্দিন শিক্ষক জীবনে চলমান থাকলে তবেই এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য সফল হবে।


কর্মসূচির ইতিবাচক প্রভাব তুলে ধরে তানোরের দরগাডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তামান্না ইফাত বলেন, এফএইচের প্রশিক্ষণ আমাদের দক্ষতাকে আরও শাণিত করেছে। ক্লাসরুমে শিখন কৌশল অবলম্বনের ফলে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বেড়েছে, তারা বর্ণ ও শব্দ চিনতে শিখেছে এবং সাবলীলভাবে পড়তে পারছে।


এক বছরের পর্যালোচনা ও তৈরি শিক্ষা উপকরণের প্রদর্শনীর পর সেরা ৩টি বিদ্যালয়কে বিশেষ সম্মাননা ও ১২টি বিদ্যালয়কে সম্মাননা পুরস্কার দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, তিন উপজেলায় এই কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রায় ৫১০০ শিশু উপকৃত হয়েছে।