বুধবার, অক্টোবর ১৪, ২০২৬

চিকিৎসা নিতে আসা নারীকে শ্লীলতাহানি, গ্রেপ্তার ২

নিজস্ব প্রতিবেদক ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০:৩৭ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
নিজস্ব প্রতিবেদক ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০:৩৭ অপরাহ্ন
চিকিৎসা নিতে আসা নারীকে শ্লীলতাহানি, গ্রেপ্তার ২

রাজশাহী মহানগরীর লক্ষ্মীপুর এলাকায় চিকিৎসা সেবা নিতে আসা এক নারীকে শ্লীলতাহানি, মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দুইজনের বিরুদ্ধে। এঘটনায় মামলা করা হলে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি)। 


গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, গোলাম কিবরিয়া জিকিরের ছেলে লাবিব সারাফাত রিদান (২১) ও হামিদুল আলম সনি (৩০)। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাতে লক্ষ্মীপুর এলাকার পুরাতন পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পেছন থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।


পুলিশ জানায়, গত ১৭ সেপ্টেম্বর দুপুরে ওই নারী লক্ষ্মীপুর এলাকার একটি ফার্মেসিতে ওষুধ কিনতে যান। রাজশাহী ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশন জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক স্বজনের জন্য ওষুধ কিনে ফেরার পথে সামনে তাদের পথরোধ করা হয়। এ সময় এজাহারভুক্ত এক আসামি তাদের পরিচিত দোকান থেকে ওষুধ কেনার প্রস্তাব দেন। এতে রাজি না হওয়ায় তাদের গালিগালাজ করা হয় বলে অভিযোগ। পরে সেখানে থাকা অন্য অভিযুক্তরা তাদের ওপর হামলা চালায়।


অভিযোগে বলা হয়, এ সময় ওই নারীকে টানাহেঁচড়া করে শ্লীলতাহানি করা হয় এবং তার বড়ভাইকে মারধর করে আহত করা হয়। পরিবারের অন্য সদস্যরা এগিয়ে এলে তাদেরও মারধর এবং দুই নারীকে টানাহেঁচড়া করা হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা ভয়ভীতি প্রদর্শন ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে বলে পুলিশ জানিয়েছে।


ঘটনার পর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ ভুক্তভোগীকে গোদাগাড়ী এলাকা থেকে খুঁজে বের করে। পরে ১৯ সেপ্টেম্বর ওই নারীর স্বামী রাজপাড়া থানায় লিখিত এজাহার দিলে মামলা রুজু করা হয়। মামলা হওয়ার পরপরই আরএমপি অভিযান চালিয়ে লক্ষ্মীপুর এলাকার পুরাতন পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পেছন থেকে লাবিব সারাফাত রিদান ও হামিদুল আলম সনিকে গ্রেপ্তার করে।


পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। মামলার অন্যান্য পলাতক আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


আরএমপি জানিয়েছে, রাজশাহীতে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা কেউ দালাল বা অন্য কারও মাধ্যমে হয়রানির শিকার হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।