বুধবার, অক্টোবর ১৪, ২০২৬

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সংগঠনের নেতৃত্ব ও সক্ষমতা বাড়াতে রাজশাহীতে সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০:৪৯ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
নিজস্ব প্রতিবেদক ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০:৪৯ অপরাহ্ন
প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সংগঠনের নেতৃত্ব ও সক্ষমতা বাড়াতে রাজশাহীতে সভা

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সংগঠনের নেতৃত্ব ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানো, সংগঠনগুলোর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা এবং সমাজের মূলধারায় তাঁদের অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে রাজশাহীতে প্রকল্প পরিচিতি ও অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাজশাহী নগরের কাজীহাটায় এনজিও ফোরাম ফর পাবলিক হেলথের সম্মেলনকক্ষে এ সভা হয়। অ্যাকসেস বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন, সেন্টার ফর দ্য রিহ্যাবিলিটেশন অব দ্য প্যারালাইজড (সিআরপি) ও সিবিএম গ্লোবাল ডিজঅ্যাবিলিটি ইনক্লুশনের আর্থিক সহযোগিতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।


সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন রাজশাহী জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহা. সবুর আলী। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মুনিরা খাতুন ও জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের রাজশাহী জেলা প্রতিবন্ধী বিষয়ক কর্মকর্তা মীর শামীম আলী। প্রকল্পের কার্যক্রম তুলে ধরেন প্রকল্প ব্যবস্থাপক সেলিম রহমান। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন সিআরপি রাজশাহী আফসার হোসাইন সেন্টারের ডিজিএম ও সেন্টার ম্যানেজার সুমা বেগম। সঞ্চালনা করেন প্রকল্পের ওপিডি কো-অর্ডিনেশন কর্মকর্তা মো. উজ্জল হোসেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহা. সবুর আলী বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সামাজিক বোঝা হিসেবে দেখার মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। যথাযথ শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও সুযোগ পেলে তাঁরাও সমাজ ও দেশের সম্পদ হয়ে উঠতে পারেন। তিনি বলেন, ‘আমরা নিজেকে কখনো বোঝা হিসেবে দেখব না, নিজেদের সম্পদ হিসেবে গড়ে তুলব।’


প্রকল্প ব্যবস্থাপক সেলিম রহমান বলেন, তিন বছর মেয়াদি প্রকল্পের আওতায় প্রথমে প্রায় ২০টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সংগঠনের সক্ষমতা যাচাই করা হবে। পরে ছয়টি সংগঠনকে নিয়ে নেতৃত্ব, সাংগঠনিক ব্যবস্থাপনা, তথ্য সংরক্ষণ ও স্থায়িত্বের বিষয়ে নিবিড়ভাবে কাজ করা হবে। তিনি বলেন, প্রকল্পের আওতায় তরুণদের নেতৃত্বে আনা, নারী-পুরুষের সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং সংগঠনগুলোকে ভবিষ্যতে নিজেদের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার মতো সক্ষম করে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় এক হাজার মানুষকে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে উপকারভোগী করার লক্ষ্য রয়েছে। জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মুনিরা খাতুন বলেন, প্রকল্পটি যেন সাময়িক কার্যক্রমে সীমাবদ্ধ না থাকে, বরং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা যাতে বাস্তবে উপকৃত হন, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।