বুধবার, অক্টোবর ১৪, ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মেঝেতে পুঁতে রাখা ৩০ বোমার বিস্ফোরণ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২:৫৩ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২:৫৩ অপরাহ্ন
চাঁপাইনবাবগঞ্জে মেঝেতে পুঁতে রাখা ৩০ বোমার বিস্ফোরণ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের নরসিয়া গ্রামে একটি বাড়িতে মজুত করে রাখা ককটেল একের পর এক বিস্ফোরিত হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে বিকট শব্দে মুহুর্মুহু বিস্ফোরণে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিস্ফোরণে বাড়িটির টিনের চালা উড়ে যাওয়ার পাশাপাশি দেয়ালসহ বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।


স্থানীয় বাসিন্দা ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নরসিয়া গ্রামের ইউনূসের ছেলে ইয়াহিয়ার বাড়িতে ককটেলগুলো মজুত করে রাখা হয়েছিল। রাত ৮টার দিকে হঠাৎ ওই বাড়ি থেকে পরপর কয়েকটি বিকট শব্দ শোনা যায়। পরে স্থানীয়রা সেখানে গিয়ে বাড়ির ভেতরে বিস্ফোরণের চিহ্ন দেখতে পান। বিস্ফোরণের শব্দে আশপাশের লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই নিরাপদ স্থানে সরে যান।


নারায়ণপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাজির হোসেন বলেন, রাত ৮টার দিকে ইয়াহিয়া নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে টিনের চালা উড়ে গেছে এবং দেয়ালের কিছু অংশ ভেঙে পড়েছে।


স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা দাবি করেন, আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে নাশকতার উদ্দেশ্যে ককটেলগুলো সেখানে মজুত করে রাখা হয়ে থাকতে পারে। তবে কারা, কী উদ্দেশ্যে এবং কখন এসব ককটেল ওই বাড়িতে মজুত করেছিল, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে স্থানীয়দের এমন দাবির সত্যতাও তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।


চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরামুল হোসাইন বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ককটেলগুলো কীভাবে সেখানে এল এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত, তদন্ত শেষে তা জানা যাবে।


৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, একটি বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। ঘটনার সময় বাড়িতে কাউকে পাওয়া যায়নি। খাটের নিচে রাখা ককটেলগুলো বিস্ফোরিত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। ঘটনার পর বাড়ির লোকজন পলাতক রয়েছেন। বিজিবির সদস্যরা ঘটনাস্থলে অবস্থান করছেন। বাড়িটি জহুরপুর বিজিবি ক্যাম্প থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে।


চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এএনএম ওয়াসিম ফিরোজ বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। কতগুলো ককটেল বিস্ফোরিত হয়েছে, তা তদন্তের পর নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব হবে। ঘটনার পর বাড়ি ও আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান নিয়েছেন।


পুলিশ ও বিজিবি ঘটনাস্থল ঘিরে ককটেলগুলো কীভাবে সেখানে মজুত করা হয়েছিল, কারা এর সঙ্গে জড়িত এবং বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ কী—এসব বিষয় খতিয়ে দেখছে।চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এএনএম ওয়াসিম ফিরোজ বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। কতগুলো ককটেল বিস্ফোরিত হয়েছে, তা তদন্তের পর নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব হবে। ঘটনার পর বাড়ি ও আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান নিয়েছেন।


পুলিশ ও বিজিবি ঘটনাস্থল ঘিরে ককটেলগুলো কীভাবে সেখানে মজুত করা হয়েছিল, কারা এর সঙ্গে জড়িত এবং বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ কী—এসব বিষয় খতিয়ে দেখছে।