বুধবার, অক্টোবর ১৪, ২০২৬

রাবির অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে শিবিরের প্রচারের সমালোচনা রাকসু জিএস সালাউদ্দিন আম্মারের

রাবি প্রতিবেদক ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৭:১৮ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
রাবি প্রতিবেদক ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৭:১৮ অপরাহ্ন
রাবির অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে শিবিরের প্রচারের সমালোচনা রাকসু জিএস সালাউদ্দিন আম্মারের

‎রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীদের জন্য হস্তান্তর করা অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের দাবির সমালোচনা করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার। অ্যাম্বুলেন্সটি রাকসুর পক্ষ থেকে দেওয়া না হয়ে শিবিরের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে—এমন প্রচারের অভিযোগ তুলে তিনি দাবি করেছেন, অ্যাম্বুলেন্সটি সংগ্রহের উদ্যোগ তিনি নিয়েছিলেন।



‎‎বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে এসব দাবি করেন সালাহউদ্দিন আম্মার।

‎‎পোস্টে আম্মার দাবি করেন, গত ৬ আগস্ট জকসুকে অ্যাম্বুলেন্স দেওয়ার সময় চিকিৎসক এস এম খালিদুজ্জামানের সঙ্গে তাঁর কথা হয়। তখন তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্যও একটি অ্যাম্বুলেন্স ও কিছু চিকিৎসা সরঞ্জাম দেওয়ার অনুরোধ করেন। পরে ১৭ আগস্ট তাঁকে জানানো হয়, অ্যাম্বুলেন্সের অনুমোদন হয়েছে।


‎‎তিনি আরও দাবি করেন, ২১ আগস্ট ঢাকায় চিকিৎসক খালিদুজ্জামানের সঙ্গে তাঁর দেখা হয়। সেদিনই তিনি রাবির শিক্ষার্থীরা একটি অ্যাম্বুলেন্স পেতে যাচ্ছে বলে ফেসবুকে পোস্ট দেন। একই দিন রাকসুর গ্রুপে সদস্যদের বিষয়টি জানান এবং রাকসু ভিপিকেও অবহিত করেন। তবে বিষয়টি প্রকাশ না করার জন্য ভিপিকে অনুরোধ করেছিলেন বলে দাবি করেন তিনি।


‎‎আম্মারের উল্লেখ করেন, পরবর্তীতে ৭ সেপ্টেম্বর ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে তাদের সভাপতি অ্যাম্বুলেন্সটি ‘ম্যানেজ’ করেছেন বলে ঘোষণা দেওয়া হয়। এরপর তিনি রাকসু ভিপির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও কোনো উত্তর পাননি বলে দাবি করেন।


‎‎অ্যাম্বুলেন্সে রাকসুর পরিবর্তে ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে উপহার লেখা নিয়ে আপত্তি জানিয়ে আম্মার বলেন, অ্যাম্বুলেন্সটি শিক্ষার্থীরা পেয়েছেন—এটাই গুরুত্বপূর্ণ। তবে এটি রাকসুর পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে উল্লেখ করা হলে তাঁর আপত্তি থাকত না বলে জানান তিনি।


‎‎অ্যাম্বুলেন্সটি সংগ্রহে ছাত্রশিবির বা অন্য কেউ আগে যোগাযোগ করেছে—এমন প্রমাণ দেখানোর চ্যালেঞ্জও দেন রাকসু জিএস। তাঁর দাবি, এ বিষয়ে তাঁর কাছে ‘রিয়েল টাইম কনভার্সেশন’ রয়েছে।


‎‎পোস্টে আম্মার আরও দাবি করেন, পরবর্তীতে তিনি আবার একটি অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করেছিলেন। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দুটি অ্যাম্বুলেন্স দেওয়ায় ওই অর্থ দিয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য ৩০ লাখ টাকার একটি জরুরি তহবিল গঠনের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান।


‎‎তিনি বলেন, ওই তহবিল থেকে শিক্ষার্থীদের জরুরি প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক সহযোগিতা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

‎‎অ্যাম্বুলেন্সের মালিকানা বা অর্থায়নের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কিংবা ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।