রবিবার, অক্টোবর ২৫, ২০২৬

পার্বতীপুরে কৃষক-কৃষাণী বাঁচাও কর্মসূচিতে ধান কেটে অসচ্ছল কৃষকের মুখে হাসি

এম এ আলম বাবলু,পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ০১:০৮ অপরাহ্ন রাজশাহী অঞ্চল
এম এ আলম বাবলু,পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ০১:০৮ অপরাহ্ন
পার্বতীপুরে কৃষক-কৃষাণী  বাঁচাও কর্মসূচিতে ধান কেটে অসচ্ছল কৃষকের মুখে হাসি

“কৃষক বাঁচলে, দেশ বাঁচবে”—এই অনন্য মানবিক স্লোগানকে সামনে রেখে দিনাজপুরের পার্বতীপুরে এক ব্যতিক্রমী ও প্রশংসনীয় কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। পার্বতীপুর পৌরসভার  মাঠে নেমে স্থানীয় অসচ্ছল কৃষকের সাথে ধান কাটায় সরাসরি অংশ নিয়েছেন নবগঠিত পার্বতীপুর পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক, এসাবেক ভারপ্রাপ্ত পৌর মেয়র, সাপ্তাহিক ‘জাগো রংপুর’ পত্রিকার উপদেষ্টা সম্পাদক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মানজুর রশিদ ।


​শনিবার (২৪ অক্টোবর) আয়োজিত এই কর্মসূচিতে মানজুর রশিদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে মাঠে ধান কাটতে নামেন তাঁর সহধর্মিনী আদুরী বেগম  এবং সর্বকনিষ্ঠ কৃষাণী ওয়াজিহা তাবাচ্ছুম মুসকান। এই সময় মানজুর রশিদ রোদে পুড়ে শ্রম দেওয়া কৃষকদের প্রতি সম্মান ও ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে তাঁদের মাঝে গামছা বিতরণ করেন এবং তাঁদের সার্বিক খোঁজখবর নেন। হাড়ভাঙা খাটুনির মাঝে হঠাৎ প্রিয় নেতা ও সমাজসেবককে একেবারে কাছে পেয়ে স্থানীয় কৃষকদের মাঝে বিপুল আনন্দ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।



​​ধান কাটা শেষে সাধারণ কৃষকদের উদ্দেশ্যে মোঃ মানজুর রশিদ বলেন:কৃষকরাই আমাদের দেশের অর্থনীতির আসল চালিকাশক্তি। তাঁদের রক্তজল করা শ্রম ও অবদানের ওপর নির্ভর করে দাঁড়িয়ে আছে পুরো দেশের খাদ্য নিরাপত্তা। তাই প্রতিকূল সময়ে এসব মেহনতী মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তাঁদের সাথে একাত্ম হওয়া আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।


​​পার্বতীপুরের বর্গা চাষী কৃষক মানিক মিয়া আবেগপ্লুত কণ্ঠে তাঁর অভিজ্ঞতার কথা জানান, আমি একজন সাধারণ বর্গা চাষী। পার্বতীপুর উপজেলা কৃষি অফিস থেকে ‘বাসুমতি’ ধানের বীজ পেয়েছিলাম। তা রোপণ করার ১১৫ দিনের মাথায় ধান পরিপক্ক ও কাটার উপযোগী হয়। কিন্তু চরম আর্থিক সংকটের কারণে আমার কাছে ধান কাটার মতো কোনো টাকা ছিল না। দুশ্চিন্তায় দিশেহারা হয়ে আমি মানজুর রশিদ ভাইয়ের কাছে সমস্যার কথা জানাই। ​তিনি বিষয়টি শোনামাত্রই কোনো দ্বিধা না করে স্বেচ্ছায় নিজ দায়িত্বে লোকজন নিয়ে মাঠে নেমে আমার পুরো জমির ধান কেটে দেন এবং তা সসম্মানে আমার বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। আমি মানজুর রশিদ ভাইয়ের এই মহানুভবতায় অত্যন্ত আনন্দিত ও চিরকৃতজ্ঞ।


​কৃষক ও মেহনতী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর এই মহতী ধারা ভবিষ্যতে অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন জননেতা মোঃ মানজুর রশিদ।