ঈশ্বরদী’র ইউএনওর অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ, মানববন্ধন

ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি:
ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মনিরুজ্জামানকে অবিলম্বে অপসারণ করার দাবিতে পাবনার ঈশ্বরদীতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) ঈশ্বরদী উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের সামনে থেকে রেলওয়ে গেট, প্রেসক্লাব চত্বর হয়ে ঈশ্বরদী বাজার পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ‘ভূক্তভোগী ঈশ্বরদীবাসী’র ব্যানারে এ কর্মসূচী পালন করা হয়। মানববন্ধনে আয়োজিত পথসভায় বক্তারা ইউএনও মো. মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারী দুর্ব্যবহার, পতিত ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের ষড়যন্ত্র এবং গণ অভূত্থানকারীদের অপদস্থ ও হেনস্থার অভিযোগ এনে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করে তাকে অবিলম্বে ঈশ্বরদী থেকে অপসারনের দাবি জানান।
গত সোমবার ঈশ্বরদীর সাঁড়া ঘাটে কুষ্টিয়ার সন্ত্রাসীদের দ্বারা ঈশ্বরদীর একজন কৃষক ও একজন ছাত্র গুলিবিদ্ধ হওয়া, নদীতে গুলিবর্ষন করে নৌকা ও স্পীড বোট ছিনতাইসহ আইনশৃঙ্খলার অবনতি হওয়াসহ ইউএনও মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারী দুর্ব্যবহার, সাধারণ মানুষকে হেনস্থার অভিযোগ করা হয় এ কর্মসূচীতে।
এ সময় তাকে অপসারন করা না হলে এবং সাধারন মানুষের দাবি না মানা হলে আরো বৃহত্তর আন্দোলন করার ঘোষণা দেওয়া হয়। মানববন্ধন কর্মসূচীতে স্থানীয় বিএনপি, ঈশ্বরদী শিল্প ও বণিক সমিতি, সাধারণ ব্যবসায়ী, ইউএনও’র দ্বারা অপমানিত ও হেনস্থার শিকার ভূক্তভোগী বিভিন্ন শ্রেণিপেশার প্রায় এক হাজার সাধারণ মানুষ অংশগ্রহন করেন।
কর্মসূচী চলাকালে ঈশ্বরদী শহরের দির্ঘ এলাকাজুড়ে উত্তাল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পথসভায় ঈশ্বরদী শিল্প ও বণিক সমিতির সভাপতি মো. নান্নু রহমান, সহসভাপতি আনোয়ার হোসেন জনি, বিএনপি নেতা আতাউর রহমান পাতা, রবিউল ইসলাম রবি, ব্যবসায়ী ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মো. মেহেদী হাসান প্রমুখ বক্তব্য দেন।
এসব বিষয়ে মুঠোফোনে ইউএনও মো. মনিরুজ্জামান বলেন, পদ্মা নদীর তরিয়া মহল ঘাট ছাড়া নদীর মধ্যে খাজনা আদায় করতে নিষেধ করা নিয়ে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। মানববন্ধন ও অপসারনের দাবিতে বিক্ষোভ সম্পর্কে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।