মঙ্গলবার, আগস্ট ২৫, ২০২৬

বিএনপি নেতা হাবিবের হস্তক্ষেপে অবশেষে ঈশ্বরদীর দুই গ্রামের বিরোধ নিরসন

WP Import ০৫ অক্টোবর ২০২৫ ০২:৪৩ অপরাহ্ন
WP Import ০৫ অক্টোবর ২০২৫ ০২:৪৩ অপরাহ্ন

ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি :


পাবনার ঈশ্বরদীতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত কয়েকদিন ধরে প্রকাশ্যে দুই গ্রামের শত শত গ্রামবাসীর অস্ত্রের মহড়া, বিক্ষোভ ও পাল্টাপাল্টি অবস্থানের বিরোধ অবশেষে নিরসন হয়েছে। শনিবার রাতে উপজেলার সাহাপুর গ্রামে কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা ও পাবনা জেলা বিএনপির আহবায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবের বাসভবনে দুই গ্রামের শত শত বাসিন্দাদের উপস্থিতিতে আলোচনার মাধ্যমে তাদের মিষ্টি খাইয়ে বিরোধের নিরসন করা হয়।

এর আগে হাবিবুর রহমান হাবিব গত বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দুই গ্রামে গিয়ে বাসিন্দাদের সঙ্গে আলাদা বৈঠক করে তাদের বিরোধ নিরসন করার উদ্যোগ গ্রহন করেন। এক পর্যায়ে উভয় গ্রামের প্রধানরা ও বিবাদমান দুই গ্রামের বিক্ষোভে নেতৃত্বে থাকা ব্যক্তিদের সঙ্গে দীর্ঘ আলাপ আলোচনা করে তাদের একসঙ্গে আলোচনায় বসার আমন্ত্রণ জানালে তারা সম্মত হন।

শনিবার রাতে হাবিবের বাসভবনে বাঁশেরবাদা ও চরগড়গড়ি গ্রামের বাসিন্দাদের নিয়ে আলোচনায় বসে তাদের মধ্যে সৃষ্ট বিরোধ নিরসন করা হয়। বৈঠকে সাহাপুর ইউনিয়নের বাঁশেরবাদা গ্রামের নেতৃত্বে থাকা সান্টু প্রামানিক সান্টু মেম্বার ও চরগড়গড়ি গ্রামের নেতৃত্বে থাকা মক্কেল মৃধা তাদের স্ব স্ব গ্রামের নের্তৃত্বস্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে দীর্ঘ আলোচনার পর সমঝোতায় পৌঁছান।

বৈঠকে বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমান হাবিব ছাড়াও সাহাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হামিদুর রহমান হামদু, সাধারণ সম্পাদক রমজান আলী, উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম তুহিন, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রকি, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তানবীর হাসান সুমন, সান্টু প্রামানিক, মক্কেল মৃধা, মমতাজ মৃধাসহ প্রায় ১ হাজার গ্রামবাসী উপস্থিত ছিলেন। সমঝোতার পর সবাইকে মিষ্টি মুখ করানো হয়।

প্রসঙ্গতঃ বাঁশেরবাদা ও চরগড়গড়ি গ্রামের দুই যুবকের মধ্যে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটি ও বাগ্বিতন্ডার জেরে গত কয়েকদিন ধরে দুই গ্রামের শত শত গ্রামবাসীদের মধ্যে লাঠিসোটা ও দেশী অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভে উত্তাল অবস্থার সৃষ্টি হয়।