পরমাণু শিল্পের ৮০ বছর পূর্তি মস্কোতে ‘গ্লোবাল এটমিক উইক’ বৈশ্বিক সহযোগিতা ও উদ্ভাবনী প্রযুক্তির ওপর গুরুত্বারোপ

ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি :
রাশিয়ার পরমাণু শিল্পের ৮০ বছর পূর্তি উদযাপনকে কেন্দ্র করে মস্কোতে শুরু হয়েছে গ্লোবাল এটমিক উইক। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ২০ হাজারের অধিক সরকারি প্রতিনিধি, নীতিনির্ধারক, বিশেষজ্ঞ, গবেষক, শিল্প প্রতিনিধি এবং মিডিয়াকর্মীরা এই আন্তর্জাতিক ফোরামে অংশগ্রহণ করছে। মস্কোর এক্সিবিশন এন্ড ন্যাশনাল ইকোনমি এচিভমেন্টস ভেন্যুতে ২৮ সেপ্টেম্বর শেষ হবে এই এটমিক উইক।
রুশ প্রেসিডেন্ট নির্বাহী কার্যালয়ের প্রথম উপপ্রধান সের্গেই কিরিয়েংকা, রাশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী আলেক্সান্ডার নোভাক, আন্তর্জাতিক আনবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ) মহাপরিচালক রাফায়েল মারিয়ানো গ্রোসি, বিশ্ব পরমাণু সংস্থা (ডব্লিউএনএ) মহাপরিচালক সামা বিলবাওসহ দেশী-বিদেশী গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
সের্গেই কিরিয়েংকা তার বক্তব্যে বলেন, ‘রাশিয়া এবং রসাটম যৌথভাবে সর্বদা কিছু নিয়ম অনুসরণ করে আসছে, যার মধ্যে রয়েছে দীর্ঘমেয়াদি পার্টনারশিপ, পার্টনারদের সঙ্গে বিশ্বাসভিত্তিক সম্পর্ক তৈরি। আমরা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি, মানব জাতির সমৃদ্ধি, নিরাপত্তা এবং কল্যান অর্জনের জন্য আধুনিক প্রযুক্তির উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে এটাই সর্বোৎকৃষ্ট পথ। বিধিনিষেধ, এমবার্গো বা স্যাংশনের মতো বিষয় দিয়ে এটা অর্জন সম্ভব নয়।
আধুনিক পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের আয়ুষ্কাল একশো বছর, যার অর্থ হলো ওয়ার্ল্ড এটমিক উইকে যেসকল চুক্তি এবং সমঝোতা স্বাক্ষরিত হবে তার মাধ্যমে অন্তত এই শতাব্দীর শেষ পর্যন্ত আমাদের পৃথিবীর ভবিষ্যতের রূপরেখা প্রনীত হবে।’
রসাটম মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচেভ বলেন, ‘আমাদের কাজ হলো একসঙ্গে ভবিষ্যতে পদার্পণ যেখানে গ্রিন এনার্জির ভিত্তি তৈরিতে পারমাণবিক শক্তির কোন বিকল্প থাকবে না।’
ইন্টারন্যাশনাল থার্মোনিউক্লিয়ার এক্সপেরিমেন্টাল রিঅ্যাক্টর প্রকল্পের উপপরিচালক এলান বিকলেট জানান, বর্তমানে এই প্রকল্পে ৩৫টি দেশ যুক্ত রয়েছে। আমরা ইতোমধ্যে টরয়েডাল ভেসেল স্থাপন এবং রিঅ্যাক্টর সংযোজনের কাজ সম্পন্নের খুব কাছাকাছি চলে এসেছি। আমি দৃঢ়ভাবে বলতে পারি যে, আমরা বেশ ভালো গতিতেই আগাচ্ছি।