ডেমরায় বিস্ফোরক: গ্রেপ্তার ‘দাওলাতুল ইসলাম’ এর ২ সদস্য রিমান্ডে
রাজধানীর ডেমরায় ডেটোনেটর উদ্ধারের সময় গ্রেপ্তার জুয়েল ভূইয়া ওরফে ওস্তাদ ও মো. আরিফ চৌধুরীকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করবে পুলিশ।
ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলম সোমবার জুয়েলের তিন দিন এবং আরিফের দুই দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।
রিমান্ড আবেদনে পুলিশ বলেছে, তারা দুজন উগ্রবাদী সংগঠন ‘দাওলাতুল ইসলাম’ এর সদস্য বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ‘স্বীকার করেছেন’। সংগঠনের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে জননিরাপত্তা বিঘ্ন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনার উদ্দেশ্যে ডেমরায় তারা একত্র হয়েছিলেন।
প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মহিন উদ্দিন বলেন, তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের এন্টি টেরোরিজম ইউনিটের (এটিইউ) এসআই মো. রফিকুল ইসলাম আসামিদের আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।
আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না। শুনানি নিয়ে বিচারক তাদের রিমান্ডের আদেশ দেন।
ঢাকার ডেমরার সারুলিয়ায় রোববার কালো টেপে মোড়ানো দুটি বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার করা হয়, যাকে ডেটোনেটর বলছে পুলিশ। ঘটনাস্থলে বোম ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা গিয়ে সেগুলো নিস্ক্রিয় করেন।
ঘটনাস্থল থেকে জুয়েল ও আরিফকে গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধার করা হয় মোবাইল ফোন, গ্যাস লাইটারসহ বিভিন্ন আলামত। ওই ঘটনায় পুলিশের অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিটের এসআই পলাশ আলী ডেমরা থানায় রোববারই মামলা করেন।
সোমবার গ্রেপ্তার দুজনের রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, অভিযান চালিয়ে জুয়েল ভূইয়াকে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। আরিফ চৌধুরী পালানোর চেষ্টা করলে প্রায় ৮-১০ গজ দূর থেকে তাকেও গ্রেপ্তার করা হয়।
আবেদনে বলা হয়, আসামিদের কাছ থেকে কালো কস্টেপ দিয়ে মোড়ানো দুটি ডেটোনেটর উদ্ধার করা হয়। জননিরাপত্তার জন্য হুমকি হওয়ায় বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট সেগুলো নিষ্ক্রিয় করে।
তাদের ‘দাওলাতুল ইসলাম’ এর সদস্য হিসেবে বর্ণনা করে মামলার রহস্য উদঘাটন, জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তার ও নাশকতার পরিকল্পনার তথ্য পেতে রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ।
তথ্যসূত্র: বিডিনিউজ