সান্তাহারে মাছের পুকুরে যাতায়াতের পথ বন্ধের অভিযোগ
বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহারে মাছ চাষের পুকুরে যাতায়াতের পথ কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ফুলজান এগ্রো ফিডের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী পরাগ হোসেনের অভিযোগ, তাঁর পুকুর ও আশপাশের জমি কম দামে কেনার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সবুজ তাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করছেন।
পরাগ হোসেনের লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সান্তাহার পৌর শহরের পোঁওতা এলাকায় তাঁর মাছ চাষের পুকুর রয়েছে। পুকুরটির পাশেই ফুলজান এগ্রো ফিডের কারখানা। তাঁর অভিযোগ, নিজ জমিতে মাছ চাষে বাধা দেওয়ার পাশাপাশি পুকুরে যাতায়াতের পথে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া হয়েছে। এতে পুকুরের পাড়ে প্রবেশে সমস্যা হচ্ছে।
পরাগ হোসেন আরও অভিযোগ করেন, তাঁর পুকুরের উত্তর ও দক্ষিণ পাশে ফিড মিলের পানি গড়িয়ে পড়ছে। এতে পুকুরের রেণু মাছের পোনা মারা যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এতে তিনি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন।
ভুক্তভোগীর দাবি, তাঁর পুকুরসহ পুরো জমি কম দামে কেনার উদ্দেশ্যেই ফুলজান এগ্রো ফিডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সবুজ এ ধরনের হয়রানিমূলক কর্মকাণ্ড করছেন।
এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে গত রোববার (৪ অক্টোবর) আদমদীঘি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন পরাগ হোসেন।
স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, কম দামে জমি কেনার উদ্দেশ্যে ফুলজান এগ্রো ফিডের পক্ষ থেকে এ ধরনের হয়রানিমূলক কর্মকাণ্ড আগেও করা হয়েছে। তবে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তাদের।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ফুলজান এগ্রো ফিডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সবুজের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুমা বেগম বলেন, ‘এ বিষয়ে একজনের অভিযোগ এসেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’