রাজশাহীতে আন্তর্জাতিক টেনিসের ফাইনালে মুখোমুখি দুই চিনা মেয়ে
রাজশাহীতে চলমান আন্তর্জাতিক অনূর্ধ্ব-১৮ জুনিয়র টেনিস টুর্নামেন্টের মেয়েদের এককের ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছেন চিনের দুই খেলোয়াড় সিয়ান জিয়াঙ ও জিমো সঙ। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সেমিফাইনালে নিজ নিজ প্রতিপক্ষকে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেন তাঁরা। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল।
সেমিফাইনালে সিয়ান জিয়াঙ ৬-৩, ৬-৩ গেমে চিনের জেনসি ডঙকে হারান। অন্য সেমিফাইনালে জিমো সঙ প্রথম সেটে ৬-০ এবং দ্বিতীয় সেটে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকার সময় কোমরের চোটের কারণে প্রতিপক্ষ জিকান ইয়াঙ খেলা থেকে অবসর নেন। ফলে জয় পান জিমো সঙ।
ফাইনালে চিনের দুই খেলোয়াড় মুখোমুখি হওয়ায় ম্যাচটি নিয়ে দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। জিমো সঙ বলেন, তাঁরা শতভাগ দিয়ে খেলতে চান এবং ভালো ফল অর্জনের প্রত্যাশা করছেন। কে চ্যাম্পিয়ন হবেন—এমন প্রশ্নে হাসতে হাসতে নিজের দিকে ইশারা করে তিনি বলেন, ‘অবশ্যই।’ সিয়ান জিয়াঙও নিজেকে চ্যাম্পিয়ন হিসেবে দেখতে চান।
টুর্নামেন্টের রেফারি জয় মুখার্জী বলেন, বৃষ্টির কারণে সূচিতে কিছুটা পরিবর্তন হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই টুর্নামেন্ট শেষ করার চেষ্টা চলছে। বিদেশি খেলোয়াড় ও কর্মকর্তারা রাজশাহীর সবুজ পরিবেশ এবং দর্শকদের উৎসাহ উপভোগ করছেন বলেও জানান তিনি।
চিনা খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স নিয়ে জয় মুখার্জী বলেন, এশিয়ার টেনিসে চিন এখন শক্ত অবস্থানে রয়েছে। জুনিয়র পর্যায়েও দেশটির খেলোয়াড়েরা ভালো করছে। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে চিনের কোনো খেলোয়াড় গ্র্যান্ড স্ল্যাম জিততে পারেন বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
এদিকে ছেলেদের এককের সেমিফাইনালও শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে। কোয়ার্টার ফাইনালে হংকংয়ের শিব মহনকে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছেন থাইল্যান্ডের লিকুল পার্টচারাপুল। হংকংয়ের চুন কিউ লক হারিয়েছেন চিনের লিমো জোকে। ভারতের জাগ্রুতকে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছেন চিনের ফ্যাং টিয়ানি। তাঁর প্রতিপক্ষ তাইওয়ানের জিচে চেন।
শুক্রবার প্রথম সেমিফাইনালে লিকুল পার্টচারাপুল খেলবেন চুন কিউ লকের বিপক্ষে। অপর সেমিফাইনালে ফ্যাং টিয়ানি মুখোমুখি হবেন জিচে চেনের। একই দিনে মেয়েদের ফাইনালের পাশাপাশি ছেলেদের ডাবলসের ফাইনালও আয়োজনের প্রস্তুতি রয়েছে।
জয় মুখার্জীর মতে, শুক্রবারের ম্যাচগুলো প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে। ফাইনাল ও সেমিফাইনালে ওঠা খেলোয়াড়েরা ভালো র্যাংকিংয়ের এবং একাধিক কঠিন ম্যাচ জিতে এখানে এসেছেন।