সিরাজগঞ্জে সম্মিলিত প্রয়াসের ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন
সিরাজগঞ্জে অরাজনৈতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘সম্মিলিত প্রয়াস রায়গঞ্জ, তাড়াশ ও সলঙ্গা’র ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে আলোচনা সভা, বিশেষ দোয়া মাহফিল ও নৈশভোজের আয়োজন করা হয়।
শনিবার (১০ অক্টোবর) বাদ মাগরিব সিরাজগঞ্জ শহরের এসএস রোডের ডব্লিউএফএ রেস্টুরেন্টে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সংগঠনের সভাপতি এএইচএম মহিবুল্লাহ মহিবের সভাপতিত্বে এবং সলঙ্গা ফোরামের সাধারণ সম্পাদক এম দুলাল উদ্দিন আহমেদের সঞ্চালনায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নিমগাছী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আমিনুল বারী তালুকদার। বিশেষ অতিথি ও আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির উপদেষ্টা হেদায়েতুল ইসলাম আইয়ুব, জেলা বিএনপির সহপ্রচার সম্পাদক ও ধানগড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রেজাউল করিম খান, সংগঠনের সিনিয়র সহসভাপতি ডা. এম. হাকিম বাবু এবং ইসলামী ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার (এসপিও) শাহ আলম।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ঠিকাদার এসএম হেদায়েতুল হক আয়ুব, অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট দেলোয়ার হোসেন মন্টু, অ্যাডভোকেট হামিদুল হক দুলাল, অ্যাডভোকেট কামাল পারভেজ, সাবেক সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এজিপি) অ্যাডভোকেট মুফতি শহিদুল ইসলাম, ডেন্টাল সার্জন ডা. সেলিম রেজা, ব্যাংকার মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ এবং থাইরোকেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিচালক কবিরুল ইসলামসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্য ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, সামাজিক সম্প্রীতি জোরদার, মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং জনকল্যাণে অরাজনৈতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। পারস্পরিক সহযোগিতা, ঐক্য ও দায়িত্ববোধের মাধ্যমে অসহায় ও পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানো সম্ভব। এ জন্য সম্মিলিত প্রয়াসের মতো সংগঠনের সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তাঁরা।
বক্তারা সংগঠনটির ১৬ বছরের পথচলার বিভিন্ন দিক তুলে ধরে ভবিষ্যতেও স্বেচ্ছাসেবামূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। পাশাপাশি সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সৌহার্দ্য বজায় রেখে জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে চিকিৎসক, প্রকৌশলী, ব্যাংকার, ব্যবসায়ী, সমাজসেবক, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও শিক্ষকদের অংশগ্রহণে মিলনমেলায় পরিণত হয় আয়োজনটি। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে সংগঠনের প্রয়াত নেতৃবৃন্দের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত এবং সংগঠনের উত্তরোত্তর সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। পরে নৈশভোজের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।